ইসলামী শিক্ষাই সন্ত্রাস নির্মূলে সবচেয়ে কার্যকর পন্থা

unnamedবাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন প্রধান, আমীরে শরীয়ত হাফেজ মাওলানা শাহ আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হুজুর বলেছেন, সন্ত্রাস নির্মূলে ইসলাম যে ব্যবস্থা দিয়েছে সরকার সেদিকে না গিয়ে তার বিপরীত কাজ করছে। ধর্মহীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়নের মাধ্যমে সন্ত্রাস দূরীকরণ নয় বরং সন্ত্রাস আরো বেগবান হবে। ইসলামের শিক্ষায় শিক্ষিত, ইসলামী অনুশাসনমেনে চলা কারো পক্ষে নিরপরাধ, নিরীহ মানুষকে হত্যা করা সম্ভব নয়। সন্ত্রাস দূরীকরণে তাই ইসলামী শিক্ষার প্রচার-প্রসার এবং ইসলামী শাসন ব্যবস্থা প্রণয়নের বিকল্পনেই।

আজ মঙ্গলবার বিকাল রাজধানীর লালবাগ কেল্লার মোড়স্থ খেলাফত মিলনায়তনে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ঢাকা মহানগর আয়োজিত ‘সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় ইসলামের ভূমিকা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খেলাফত আন্দোলনেরকেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর আমীর মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদীর সভাপতিত্বে ও ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) মাওলানা মাহবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মাদ জাফরুল্লাহ খান।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী ফখরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মাওলানা সুলতান মহিউদ্দীন, ঢাকা মহানগর প্রচার সম্পাদক মো: মোফাচ্ছির হোসেন, সহকারি প্রচার সম্পাদক মুফতি মামুনুর রশিদ প্রমুখ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাওলানা জাফরুল্লাহ খান বলেন মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সা) এর আদর্শ বাস্তবায়নেই সমাজ থেকে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ দূর হতে পারে।কেননা আল্লাহ প্রদত্ত কুরআনী শিক্ষা এবং মুহাম্মাদ (সা) এর আদর্শের মাধ্যমেই আইয়ামে জাহেলিয়্যাতের বর্বর জাতিকে আদর্শ জাতিতে রুপান্তরিত করা সম্ভব হয়েছিল।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী বলেন, ইসলামকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্যই বিভিন্ন জায়গায় ইসলামের নাম নিয়ে বোমা হামলা, সন্ত্রাসী হামলা হচ্ছে। এসবের সঙ্গে আলেম-উলামা, দ্বীনদার মুসলমানদের দূরতম কোন সম্পর্ক নেই। ইসলামের দুশমনদের কুপ্ররোচণায় সংঘটিত এসব কর্মকা- ইসলাম ও মুসলমানদের ক্ষতি সাধন করছে।

মুফতী ফখরুল ইসলাম বলেন, সন্ত্রাসমোকাবিলায় শিক্ষার সর্বস্তরে ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে। হলুদ মিডিয়া কতৃক জিহাদ ও সন্ত্রাসবাদকে গুলিয়ে প্রচারণা চালানো বন্ধ করতে হবে। মসজিদের খতীব, আলেম-উলামাদেরকে মুক্তভাবে কথা বলতে ও ওয়াজ-নসীহত করতে বাধা প্রদান বন্ধ করতে হবে।