মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা করলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |

মন্ত্রিসভায়বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড অংশ নিলে বা তাতে মদত দিলে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক কোটি টাকা জরিমানার বিধান রেখে আইন করার প্রস্তাবের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। একইসাথে বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ১৪ বছর জেল এবং এক কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রেখে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সংবাদ বিফ্রিংয়ে জানান, আইনটির প্রাথমিক অনুমোদন হওয়ার কারণ হচ্ছে অন্যান্য আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য বিধান করা। এ ছাড়া বিভিন্ন অপরাধের জন্য শাস্তির যে মাত্রা প্রস্তাব করা হয়েছে, সেগুলো পর্যালোচনা করে দেখা।

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইন ও এর সংশোধনীগুলো বাতিল করে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয় সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ।

এই আইনে ডিজিটাল নিরাপত্তা এজেন্সি গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। যার প্রধান থাকবেন একজন মহাপরিচালক, যিনি জরুরি পরিস্থিতিতে যেকোনো সম্প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারবেন।

খসড়া আইনে অতি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো বা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সাইবার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি ১৪ বছর, সর্বনিম্ন ২ বছর, ১ কোটি টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

কম্পিউটার, মোবাইল ও ডিজিটাল মাধ্যমে অপরাধ করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর, সর্বনিম্ন এক বছর, তিন লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া হবে।

প্রতারণা ও হুমকির জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছর সর্বনিম্ন এক বছর কারাদণ্ড, এক লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া হবে।

এছাড়া আজকের বৈঠকে জীববৈচিত্র্য রক্ষার উদ্দেশে সংরক্ষিত ও প্রাকৃতিক বনাঞ্চলের গাছ কাটার ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ ২০২২ সাল পর্যন্ত বহাল রাখার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে।