শিক্ষানীতি সংশোধনের আগে ক্বওমি স্বীকৃতির বিষয় আলোচনা হতে পারে না: আল্লামা শফী

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |

unnamed (2)বাংলাদেশ ক্বওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড (বেফাক) সভাপতি ও হেফাজত আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফী বলেছেন, ইসলাম বিরোধী শিক্ষানীতি ২০১০-এর আলোকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকসহ শিক্ষার বিভিন্ন স্তর থেকে ইসলামী শিক্ষা ও মুসলিম সংস্কৃতির প্রতি উদ্দীপনামূলক বিষয়াবলি বাদ দিয়ে হিন্দুত্ববাদ ও নাস্তিক্যবাদের বিষয়াবলি যুক্ত করেই সরকার থেমে থাকেনি, প্রস্তাবিত শিক্ষা আইন ২০১৬-এর মাধ্যমে তারা ক্বওমি মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস এবং সনদের স্বীকৃতির নামে আলেমদের শেকল পরাতে চাচ্ছে। এই লক্ষ্যে ক্বওমি মাদ্রাসা বিরোধী কিছু অপতৎপরতা ইতিমধ্যেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দেশের কোন কোন জেলায় ক্বওমি মাদ্রাসাসমূহে নিবন্ধনের নামে বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য চেয়ে চিঠি দেওয়া হচ্ছে। আবার এমনও খবর আসছে, বিভিন্ন সংস্থার লোকজন ক্বওমি আলেমদের কারো কারো কাছে ক্বওমি শিক্ষাকে সরকারী স্বীকৃতি দেওয়ার টোপ দিয়ে আলেমদের মধ্যে অনৈক্য ও বিবেদের বীজ বুনতে চাচ্ছে। আমরা সব মহলকে স্পষ্ট জানিয়ে দিতে চাই যে, ইসলাম বিরোধী শিক্ষানীতি ও বিদ্যমান স্কুল পাঠ্যপুস্তক সংশোধন এবং প্রস্তাবিত বিতর্কিত শিক্ষাআইনের বিষয়ে আমাদের উত্থাপিত দাবী-দাওয়া পূরণ না করা পর্যন্ত ক্বওমি মাদ্রাসা সনদের স্বীকৃতির বিষয়ে চিন্তাভাবনা করারও কোনই সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, আমাদের সকলকেই এ বিষয়টি গভীরভাবে ভাবতে হবে যে, যারা সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে ইসলাম ও মুসলিম সংস্কৃতির প্রতি উদ্দীপনামূলক বিষয়গুলো বাদ দিয়ে নাস্তিক্য ও হিন্দুত্ববাদের বিষয় সন্নিবেশিত করে এ দেশের ৯২ ভাগ মুসলমানের ধর্মীয় বিশ্বাস ও আদর্শ বিরোধী ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করে চলেছে, তারা আলেম সমাজ ও মাদ্রাসা শিক্ষার কতটা প্রকৃত কল্যাণকামী হতে পারে! মূলতঃ স্বীকৃতির নাম দিয়ে তারা ক্বওমি মাদ্রাসা শিক্ষার স্বকীয়তা ও স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট বিনাশ করে এই দেশে ইসলামী শিক্ষার সর্বশেষ এই অবলম্বনটাকেও ধ্বংস করে দিতে চায়। তাদের এই অপতৎপরতা উলামা-মাশায়েখ, মাদ্রাসার শিক্ষক-ছাত্র ও তৌহিদী জনতা কখনোই সফল হতে দিবে না। মনে রাখতে হবে, ক্বওমি মাদ্রাসার অর্থই হচ্ছে, জনগণের মাদ্রাসা। এই মাদ্রাসাসমূহ রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অর্থে চলে না, জনগণই সরাসরি এসব মাদ্রাসা পরিচালনার সাথে সম্পৃক্ত। ইসলাম বিরোধী বহুমুখী ষড়যন্ত্রের কঠিন এই সময়ে ক্বওমী আলেমদেরকে নীতি-আদর্শের উপর সীসাঢালা প্রাচীরের মতো মজবুত থাকতে হবে। দেওবন্দী উসূলের বাইরে কোনভাবেই কদম রাখা যাবে না।

হেফাজত আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফি আরো বলেন, আলেমদেরকে আবেগ দিয়ে নয়, বুদ্ধি ও বিচক্ষণতা দিয়ে দুনিয়াবী মোহের ঊর্ধ্বে ক্বওম ও মিল্লাতের স্বার্থকে সামনে রেখে কথা বলতে হবে। মনে রাখতে হবে, ক্বওমি মাদ্রাসাসমূহ সরাসরি জনগণের সাহায্য সহযোগিতায় পরিচালিত হয়। সঠিক ইসলামী শিক্ষার প্রচার প্রসারের জন্যেই মানুষ অকুণ্ঠ চিত্তে এসব মাদ্রাসাকে সহযোগিতা দিয়ে আসছে। সুতরাং যে কোন উক্তি, বক্তব্য ও সিদ্ধান্ত নিতে দুনিয়াবী খ্যাতি, মোহ ও স্বার্থের বিষয়ে আত্মত্যাগী হয়ে ইসলামী শিক্ষার প্রচার-প্রসার এবং মুসলিম জাতিসত্ত্বার চেতনাবোধকে সমুন্নত রাখার বিষয়টাকে প্রাধ্যান্য দিতে হবে। মুসলিম জনসাধারণ আমাদেরকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়ে আসছে দ্বীনের বিষয়ে আমাদের বস্তুনিষ্ঠ ও ত্যাগী নীতি আদর্শের কারণে। বেফাক সভাপতি এ পর্যায়ে কতিপয় দরবারি আলেমের নানা ধরনের লোভনীয় টোপ ও ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, নাস্তিক্যবাদি চক্র ক্বওমি আলেমদের উপর জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসকে বিনষ্ট করার জন্য একের পর এক ফাঁদ পেতেই যাবে। আমরা নীতি-আদর্শে ঐক্যবদ্ধ ও অটল থাকতে পারলে তারা কখনোই সফল হবে না। তিনি বলেন, আমরা ক্বওমি সনদের স্বীকৃতির প্রয়োজনীয়তাকে অস্বীকার করছি না। তবে ইসলাম বিরোধী শিক্ষা আইন, নাস্তিক্যবাদি ও হিন্দুত্ববাদি চেতানার স্কুল পাঠ্যবই, বিতর্কিত শিক্ষা আইন এবং শিক্ষা বিভাগের নীতিনির্ধারণী ও গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহে একটি বিশেষসম্প্রদায়ের লোকজনের প্রাধ্যানতার বিষয়ে আমাদের যৌক্তিক দাবী পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ক্বওমি সনদের স্বীকৃতির বিষয়ে আলোচনার কোনই সুযোগ নেই। কারণ, এসব বিষয়ে সমাধানে না পৌঁছালে শুধু জাতীয় পর্যায়ে ইসলামী চেতনাবোধ বিলীন করার ষড়যন্ত্রই বাস্তবায়িত হবে না, পাশাপাশি ক্বওমি মাদ্রাসা শিক্ষার স্বকীয়তা ও লক্ষ্য-উদ্দেশ্যকেও মারাত্মক হুমকির মুখে ঠেলে দেবে। আল্লামা শাহ আহমদ শফী স্পর্শকাতর যে কোন বিষয়ে মতামত দেওয়ার আগে আলেম সমাজকে বিচক্ষণতা ও সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেন।

গত সোমবার (২২ আগস্ট) বাংলাদেশ ক্বওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের শীর্ষ কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে বোর্ডের সভাপতি ও হেফাজত আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফী এই বক্তব্য রাখেন। বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন, আল্লামা হাফেজ মুহাম্মদ জুনায়েদ বাবুনগরী, আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী, মাওলানা মুফতী ওয়াক্কাস, মাওলানা আব্দুল হামিদ পীর সাহেব মধুপুর, বেফাক মহাসচিব মাওলানা আব্দুল জাব্বার জাহানাবাদী, মাওলানা সাজেদুর রহমান, মাওলানা জাফরুল্লাহ খান, মাওলানা মুফতী ফয়জুল্লাহ, মাওলানা আবুল হাসনাত আমিনী, মাওলানা আনাস মাদানী, মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, মাওলানা ফজলুল করীম কাসেমী, মাওলানা মঞ্জুর মুজিব, বেফাক বোর্ডের কেন্দ্রীয় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মুফতী আবু ইউসুফ, মাওলানা মুনির আহমদসহ প্রায় শতাধিক ক্বওমি মাদ্রাসা শিক্ষক কর্মকর্তা।

বেফাকের বৈঠক থেকে অবিলম্বে ইসলাম বিরোধী শিক্ষানীতি বাতিল, নাস্তিক্যবাদি ও হিন্দুত্ববাদি বিদ্যমান স্কুল পাঠ্যবই সংশোধন করে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম নাগরিকদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও নীতি-আদর্শের প্রতিফলন হয়- এমন বিষয় সন্নিবেশিত করা এবং প্রস্তাবিত শিক্ষাআইনের বিতর্কিত ধারাসমূহ বাতিলের দাবী জানানো হয়। পাশাপাশি নিবন্ধনের নামে দেশের কোন ক্বওমি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে হয়রানী না করার জন্যে সরকারের প্রতি জোর দাবী জানানো হয়।

বেফাক সভাপতি ও হেফাজত আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফী’র সভাপতিত্বে দারুল উলূম হাটহাজারী মাদ্রাসা মহাপরিচালকের কার্যালয়ে সোমবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে বেলা দেড়টা পর্যন্ত ৪ ঘণ্টা স্থায়ী বৈঠকে জাতীয় শিক্ষা নীতি- ২০১০ ও প্রস্তাবিত শিক্ষা আইন- ২০১৬, ক্বওমি মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার নানা দিক এবং ক্বওমি সনদের স্বীকৃতি বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়। বৈঠকে বিদ্যমান স্কুল পাঠ্যবইয়ে নাস্তিক্য ও হিন্দুত্ববাদের বিষয়াবলী সংযোজনসহ ধর্মহীন শিক্ষানীতি ও প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনের বিভিন্ন ধারা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বেফাক কর্মকর্তাগণ বক্তব্য রাখেন।

বৈঠকে বেফাকের শীর্ষ কর্মকর্তা ও হেফাজত মহাসচিব আল্লামা হাফেজ মুহাম্মদ জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, আজ শুধু স্কুল পাঠ্যবই বা সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থা নয়, নাস্তিক্যবাদি চক্র খাঁটি ইসলামী শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র ক্বওমি মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার উপরও শকূনী নজর দিয়েছে। ক্বওমি সনদের স্বীকৃতির নামে তারা বিভিন্নভাবে সরলমনা আলেমদেরকে প্ররোচিত করতে চাইছে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, যারা সাধারণ শিক্ষা থেকে ইসলামকে উচ্ছেদ করে নাস্তিক্য ও হিন্দুত্ববাদের শিক্ষা চালু করছে, তারা কখনো কি খাঁটি ইসলামী শিক্ষার কেন্দ্র ক্বওমি মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার বন্ধু হতে পারে? আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী উলামায়ে কেরামের প্রতি বর্তমান সংকটময় সময়ে ছোটখাটো মতভেদ ভুলে সর্বাবস্থায় ক্বওমী নীতি-আদর্শের উপর সীসাঢালা প্রাচীরের মতো মজবুত রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ষড়ন্ত্রকারীদের সম্পর্কে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। কোনভাবেই আবেগের বশে ও মোহগ্রস্ত চিন্তা থেকে কোন মন্তব্য করা বা সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। তারা নানা প্রলোভন দেখিয়ে বিভ্রান্ত করে উলামায়ে কেরামের পায়ে শেকল পরাতে চাচ্ছে। তিনি বলেন, তৎকালীন বৃটিশ আমলেও যখন আমাদের শাসন ব্যবস্থা স্বাধীন ছিল না, তখনও দারুল উলূম দেওবন্দসহ গোটা ভারতীয় উপমহাদেশের হাজার হাজার ক্বওমি মাদ্রাসা স্বাধীনভাবে নিজস্ব স্বকীয়তা বজায় রেখে পরিচালিত হয়েছিল। এমনকি বর্তমানে আমাদের বিশাল প্রতিবেশী দেশ ভারতেও কট্টর হিন্দুত্ববাদি বিজেপি শাসনামলে সেই দেশের ক্বওমি মাদ্রাসাসমূহ সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে ইসলামী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছে। স্বীকৃতি নিয়ে দেওবন্দের আলেমগণও কোন দেন-দরবার বা প্রস্তাব উত্থাপন ও আলোচনা তুলছেন না। এ নিয়ে ভারতের হিন্দুত্ববাদি বিজেপি সরকারও কোন প্রশ্ন তুলেনি। অথচ ৯২ ভাগ মুসলমানের দেশে আজ ইসলাম, মুসলমান ও ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থা সবচেয়ে বেশী হুমকির শিকার।

বৈঠকে বেফাক মহাসচিব মাওলানা আব্দুল জাব্বার জাহানাবাদি বলেন, বিতর্কিত প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনের ১ম অধ্যায়ের ১০নং ধারার ১নং উপধারায় বলা হয়েছে, “প্রাক প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষাস্তরের কিন্ডার গার্টেন, ইংরেজি মাধ্যম, ইংলিশ ভার্সন ও ইবতেদায়ী মাদ্রাসা সহ সকল বেরসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও পরিচালনার জন্যে নির্ধঅরিত কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে নিবন্ধন এবং পাঠদানের উপর্যুক্ত সকল বিধি-বিধান অনুসরণ বাধ্যতামূলক হইবে”।

একই ধারার ২নং উপধারায় বলা হয়েছে, “কোন ব্যক্তি উপধারা (১) এর বিধান লঙ্ঘন করিলে উহা এই আইনের অধীন অপরাধ হিসেবে গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ সর্বোচ্চ তিন লক্ষ টাকা অর্থদন্ড অথবা ০৬ (ছয়) মাস কারাদ- অথবা উাভয় দ-ে দ-িত হইবেন”। ১১নং ধারার ২নং উপধারায় আরো বলা হয়েছে, “নিন্ধন ব্যতীত কোন অবস্থাতেই কোন বেসরকারী বিদ্যালয় বা মাদ্রাসা স্থাপন ও পরিচালনা করা যাইবে না”।

বেফাক মহাসচিব বলেন, একের পর এক ইসলাম বিরোধী বিভিন্ন কর্মকান্ডে এবং সর্বোপরি পাঠ্যপুস্তক থেকে ইসলামি বিষয় ও ইসলামি ভাবধারার লেখাসমূহ বাদ দিয়ে তদস্থলে নাস্তিক্যবাদ ও হিন্দুত্ববাদের বিষয়াবলি সংযোজনের প্রেক্ষিতে আমাদের মনে জোরালো আশংকা তৈরি হচ্ছে যে, খসড়া শিক্ষা আইনের এসব ধারাসমূহ সঠিক দ্বীন-ইসলামের শিক্ষা বিস্তারে নিয়োজিত বর্তমান ক্বওমি মাদ্রাসাসমূহের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করে মাদ্রাসা শিক্ষাকে ধ্বংস করতে কাজে লাগানো হতে পারে। তিনি বলেন, দেশের আলেম সমাজ ও কোটি কোটি তাওহিদী জনতার এমন আশংকাকে দূরিভূত করার জন্যে প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনে “নূরানী মক্তব, হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও ক্বওমি মাদ্রাসার স্থাপন ও পরিচালনা প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনের আওতামুক্ত” বলে স্পষ্ট উল্লেখ করতে হবে। তিনি বলেন, সরকারের সকল কর্মকান্ড পরিচালিত হবে জনমনে স্বস্তি আনার জন্যে। বৃহৎ জনগোষ্ঠির চিন্তা-চেতনা ও ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে হুমকি-ধমকি, ভয়-ভীতি, নানা আশংকা ও উদ্বেগ তৈরি করা কখনো সুশাসন নয়।