জানুয়ারি ২৪, ২০১৭

রোববার পর্যন্ত মীর কাসেম আলীর রিভিউ শুনানি মুলতবি

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |

মীর কাসেম আলীজামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীর রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে রিভিউ আবেদনের শুনানি আগামী রোববার (২৮ আগস্ট) পর্যন্ত মুলতবি করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ।

আজ বুধবার সকাল পৌনে দশটায় এ শুনানি শুরু হয়। প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চে শুনানি চলছে। অন্য বিচারপতিরা হলেন- বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও মোহাম্মদ বজলুর রহমান।

শুনানি শুরুর আগে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা মীর কাসেমের আইনজীবী খন্দকার মাহবুবের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনি যে যুক্তিতে সময় চেয়েছেন, এটা গ্রহণযোগ্য নয়। আমার ব্রাদার বিচারপতিরা এখানে আছেন। তিনি (অন্য এক বিচারপতি) সময় নির্ধারণ করেছিলেন। ওই সময় আপনি সময় চেয়েছিলেন। আমরা ছয় সপ্তাহ সময় দিয়েছি। ২৪ আগস্ট সময়ের জন্য আবেদন করেছেন। আমরা সময় দিয়েছি। অথচ রিভিউর কোনো আইন নেই। এরপরও আমরা সুযোগ দিয়েছি।’

মীর কাসেমের পক্ষে খন্দকার মাহবুব হোসেন আদালতকে বলেন, ‘মাই লর্ড, আমি অসহায়। সব নথি মীর কাসেম ‌আলীর ছেলে ব্যারিস্টার আরমানের কাছে ছিল। কিন্তু তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁর পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাঁকে বাসা থেকে উঠিয়ে নিয়ে গেছে। যে কারণে আমরা মামলার শুনানি করতে পারছি না।’

এ সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘এটা আলাদা একটা বিষয়। আপিল বিভাগের জাজমেন্ট তো আপনাদের কাছে আছে। আপনাদের কাছে যদি না থাকে, তাহলে আমার কাছ থেকে নিয়ে যান। আজ সাড়ে ১১টায় প্রয়োজনে শুনানির জন্য আসেন। তবু আজকেই শুরু করেন।’

এ সময় খন্দকার মাহবুব বলেন, ‘রিভিউ পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আমাদের কাছে রয়েছে। কিন্তু এটার নথি আমাদের হাতে নেই। এটা ব্যারিস্টার আরমানের কাছেই আছে। তাই শুনানি করতে পারছি না। তাই আমাদের সময় দেওয়া হোক।’

জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আপনাদের আমি সম্মান করি। আপনারা সিনিয়র আইনজীবী। আমি কিন্তু অনেক লিবারেল। আপনারা এগুলো কেন করছেন?’

পরে খন্দকার মাহবুব বলেন, ‘আমাদের কাছে নথি না থাকলে আমরা কীভাবে শুনানি করব?’

জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘এখন শুরু করুন। এরপর রোববার পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করব।’

এ সময় খন্দকার মাহবুব মামলার রিভিউর বিষয়ে শুনানি শুরু করলে আদালত রোববার পর্যন্ত তা মুলতবি করেন।