ফেবু বুদ্ধিজীবি কওমীস্বীকৃতি আর বেফাকের মানববন্ধন

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |

মুহাম্মাদ মামুনুল হক

 


মুহাম্মাদ মামুনুল হক
যুগ্ম-মহাসচিব বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস


ফেইসবুকে নিয়মিত লিখতে না পারলেও আমাদের ফেবু লেখকদের লেখাগুলো একটু আধটু নিয়মিত পড়ার চেষ্টা করি ৷ যারা ভার্চুয়াল জগতে নিয়মিত বিচরণ করে তাদের সম্পর্কে আমার একটা ভালো ধারণা ছিল যে, তারা সচেতন ৷ কিন্তু ইদানিং আমাদের এই ফেবু বুদ্ধিজীবিদের ব্যপারে আমি কিছুটা হতাশ ৷ কওমী স্বীকৃতি আর বেফাকের মানববন্ধন কর্মসূচী নিয়ে তাদের মন্তব্যগুলো পড়ে পড়ে আমার এই হতাশা ৷ তবে অন্য একটা বিষয়ে আমি খুবই প্রীত যে, ফেবুর উম্মাতাল ঝড় বাস্তব দুনিয়াটাকে তেমন নাড়া দিতে পারছে না ৷

স্বীকৃতির নাটকে সরকারের আস্থাভাজনরা ফেবু বুদ্ধিজীবিদের যতটা আনুকুল্য পেয়েছে, বাস্তবতা তার হান্ড্রেড এইটটি ডিগ্রী বিপরিত ৷ দেশের সিংহভাগ ওলামায়ে কেরাম সুসংঘবদ্ধ এবং সংহতি বাড়ছে ৷ সরকার কওমীর মূল ধারাকে মাইনাস করে কিংবা পাশ কাটিয়ে কিছু করতে পারবে না ইনশাআল্লাহ – এই বিশ্বাস আমার বদ্ধমূল হচ্ছে ৷

জঙ্গীবাদের ইস্যুতে বেফাকের মহা কর্মসূচী নিয়েও ইচড়েপাকা বুদ্ধিজীবিদের মন্তব্যগুলো বিরক্তিকর ৷ কেউ কেউ এটাকে সরকারী এজেন্ডা বাস্তবায়ন মনে করছে ৷ আমি বিশ্বাস করি বেফাকের এই কর্মসূচীর উদ্দেশ্য হলো, সমাজ রাজনীতি ও সরকারের উপর প্রভাব সৃষ্টি করা ৷ নিজেদের মধ্যকার সংহতি মজবুত করার মাধ্যমে বিভক্তি সৃষ্টির পায়তারাকে দমন করা ৷ সরকারকে ম্যাসেজ দিয়ে দেয়া যে, বেফাকের ব্যনারে সুসংঘবদ্ধ নেতৃত্বকে উপেক্ষা করে কওমী মাদরাসা নিয়ে খেলবার কোনো সুযোগ সরকারকে দেয়া হবে না ৷ যারা মনে করছে, স্বকৃতির মুলা ঝুলিয়ে বিচ্ছিন্নভাবে মাদরাসাগুলোকে ভাগিয়ে নিবে তাদের দিবা স্বপ্ন পুরন হবে না; বরং তারাই উল্টো দালালগোষ্ঠীরূপে চিহ্নিত হবার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে ৷ এক ঢিলে বহু পাখী শিকার হবে ইনশাআল্লাহ ৷ আগামীকাল ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের বুকে অন্যতম বৃহত শোডাউন হবে কওমী মাদরাসার ৷ কওমী জনতার স্রোতে খরকুটোর মত ভেসে যাবে সব ষড়যন্ত্রের জঞ্জাল ৷


ফেইসবুক থেকে