সন্ত্রাসবাদ চরমপন্থা ইহুদি ও বাম বিপ্লবীদের সৃষ্টি

সন্ত্রাসবাদ চরমপন্থা ইহুদি ও বাম বিপ্লবীদের সৃষ্টি

আজিজুল হক ইসলামাবাদী

আজিজুল হক ইসলামাবাদী

কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক: হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ
উপদেষ্টা সম্পাদক: ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম
আজিজুল হক ইসলামাবাদী

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |

সন্ত্রাস কী
সন্ত্রাস শব্দটি বাংলা ‘ত্রাস’ শব্দ থেকে উদ্ভূত। সন্ত্রাস শব্দের অর্থ হলো অতিশয় ত্রাস, মহাশঙ্কা, ভয়ের পরিবেশ। কোনো উদ্দেশ্যে মানুষের মনে ভীতি সৃষ্টি করার প্রচেষ্টা, অতিশয় শঙ্কা বা ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরী করা হলো সন্ত্রাস। সন্ত্রাসের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো- Terror. সন্ত্রাসবাদ অর্থ- Terrorism।

আধুনিক আরবি ভাষায় সন্ত্রাস শব্দের প্রতিশব্দ হলো ‘ইরহাব’। এ শব্দটি এসেছে রাহবুন থেকে যার অর্থ খাওফ। বাংলায় ভীত হলো, ভয় পেলো ইত্যাদি। আর ‘ইরহাব’ অর্থ হলো তাখভীফ তথা ভীতিপ্রদর্শন, শঙ্কিতকরণ, আতঙ্কিতকরণ।
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা’আলা সন্ত্রাসকে দুটি শব্দ দ্বারা বুঝিয়েছেন। অর্থাৎ ‘ফিতনা’ ও ‘ফ্যাসাদ’। যার সরল বাংলা- সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, অরাজকতা, বিশৃঙ্খলা, বিপর্যয় ইত্যাদি। বর্তমান সময়ে সামাজিক, রাষ্ট্রীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ বলতে যা বোঝায় তার সবই কুরআনে বিবৃত হয়েছে ‘ফিতনা’ ও ‘ফ্যাসাদ’ হিসেবে।

সন্ত্রাসবাদ কী
আর সন্ত্রাসবাদ হলো, ভীতিকর অবস্থা, রাজনৈতিক ক্ষমতা লাভের উদ্দেশ্যে অত্যাচার, হত্যা প্রভৃতি হিংসাত্মক ও ত্রাসজনক কর্ম অবলম্বন। সন্ত্রাস শব্দটিকে নানা জন নানা অর্থে ব্যবহার করে থাকেন। সে অর্থে স্বাধীনতা সংগ্রামকে প্রতিপক্ষ চরমপন্থা ও সন্ত্রাস হিসেবে যেমন আখ্যায়িত করে থাকেন ঠিক তেমনি স্বাধীনতাকামীরা আবার তাদের প্রতিপক্ষকে চরমপন্থা অবলম্বনকারী, সন্ত্রাস বিস্তারকারী অথবা মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী হিসেবে আখ্যায়িত করে থাকেন। সন্ত্রাস এর সমার্থক শব্দ হিসাবে সন্ত্রাসবাদ, আতঙ্কবাদ, বিভীষিকাপন্থা, সহিংসতা, উগ্রপন্থা, উগ্রবাদ, চরমপন্থা ইত্যাদিও ব্যবহৃত হয়।
বর্তমান বিশ্বে সন্ত্রাস কোন বিচ্ছিন্ন কর্মকা- নয়। এটি একটি মতবাদে পরিণত হয়েছে। তাই সন্ত্রাস ভিত্তিক বা কেন্দ্রিক মতবাদ ও কর্মকা-কে বুঝাতে সন্ত্রাসবাদ শব্দটি বহুল প্রচলিত। অভিধানে ‘সন্ত্রাসবাদ’ অর্থ লেখা হয়েছে যে, রাজনৈতিক ক্ষমতা লাভের জন্য হত্যা অত্যাচার ইত্যাদি কার্য অনুষ্ঠাননীতি। অর্থাৎ- সামাজিক বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের লক্ষ্যে কোন সরকার, বেসকারি জনগণ বা অন্য যে কোন অংশকে ভীতি প্রদর্শন বা দমনের জন্য ব্যক্তিবর্গ বা সম্পদের উপর অবৈধ শক্তি প্রয়োগ বা সহিংস আচার ব্যবহারকে সন্ত্রাস বলা হয়।
যেসব কর্মকা- সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, জান-মালের ক্ষতি সাধন, দেশ ও সমাজে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি, শান্তি ও নিরাপত্তা ক্ষুণœ, স্থাপনা ও স্থাপত্য ধ্বংস এবং সর্বস্তরের নাগরিকদের আতঙ্কিত করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে হুমকির সম্মুখীন করে তাকে বলা হয় সন্ত্রাস। মোটকথা যে কর্মকা- জনগণের মাঝে ভয়-ভীতি ও আতংক সৃষ্টি করে এবং জানমালের ক্ষতি সাধন করে তাই সন্ত্রাস এবং যে বা যারা এ সকল কর্মকা-ের সাথে জড়িত তারাই সন্ত্রাসী।

ইহুদি খ্রীস্টানরাই সন্ত্রাসবাদের জন্মদাতা
মানবজাতির ইতিহাসে সন্ত্রাসী চরমপন্থী দলের ইতিহাস অনেক প্রাচীন। প্রাচীন যুগ থেকে ইহুদি উগ্রবাদী ধার্মিকগণ, ধমীয় আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য সন্ত্রাসের আশ্রয় নিয়েছেন। মানব ইতিহাসের প্রাচীন যুগের প্রসিদ্ধতম সন্ত্রাসী কর্ম ছিল উগ্রপন্থী ইহুদি জিলটদের সন্ত্রাস। খ্রিষ্টপূর্ব প্রথম শতাব্দী ও তার পরবর্তী সময়ে রোমান সা¤্রাজ্যের অধীনে বসবাসরত উগ্রপন্থী এ সকল ইহুদি নিজেদের ধর্মীয় ও সামাজিক স্বাতন্ত্র্য ও স্বাধীনতা রক্ষার জন্য আপসহীন ছিল। সে সকল ইহুদি রোমান রাষ্ট্রের সাথে সহযোগিতা করত বা সহাবস্থানের চিন্তা করত এরা তাদেরকে গুপ্ত হত্যা করত। এরা এতখানি চরমপন্থী ছিল যে, তারা প্রয়োজনে আত্মহত্যা করত কিন্তু প্রতিপক্ষের হাতে জীবিত ধরা দিত না। তাদের উওরসূরি এ ইহুদি জাতি কিভাবে ফিলিস্তিনিদের ভূখন্ডকে অন্যায়ভাবে দখল করে কয়েক যুগব্যাপী পাখি শিকারের ন্যায় নিরীহ নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করছে তা বিশ্ব বিবেক দেখছে।

মধ্যযুগে খ্রিষ্টানদের মধ্যে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক কারণে সন্ত্রাসের অগণিত ঘটনা আমরা প্রত্যক্ষ করি। পোপ ও স¤্রাটের দ্বন্ধ সংঘাতের ফলে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ইতিহাসে এ সময়কে অরাজনৈতিক যুগ বলা হয়। অন্যদিকে এ যুগটি অন্ধকার যুগ হিসেবেও খ্যাত। এ সময়ে রাজনীতি, ক্ষমতা ও ধর্মীয় উন্মাদনা এমন পর্যায়ে পৌঁছে ছিল যে, জ্ঞান-বিজ্ঞানে চর্চারত প্রায় ৩৫ হাজার লোককে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করার কথা ইতিহাসের পাতায় স্থান পায়। এ সময়ের ক্যাথলিক ও প্রোটেস্টানদের মধ্যে অগণিত যুদ্ধ ও যুদ্ধবহির্ভূত হত্যাকা- ও সন্ত্রাসের অসংখ্য ঘটনা ঘটে।

মুসোলিনি ও হিটলারের সন্ত্রাস
১৯৬০ সালের দিকে আরেকটি চরমপন্থী আন্দোলনের কথা ইতিহাস থেকে আমরা জানতে পারি। এসময় সন্ত্রাসবাদী গ্রুপগুলোর মধ্যে ইতালির রেড ব্রিগেড এবং জার্মানির রেড আর্মি অন্যতম। ইতালির মুসোলিনি ও জার্মানির হিটলারের ফ্যাসিবাদী ও সন্ত্রাসবাদী আন্দোলনের কথা জানে না এ রকম ব্যক্তি খুবই কম।

খারেজিদের সন্ত্রাস
ইসলামের ইতিহাসে প্রথম চরমপন্থী দল হিসেবে খারেজি সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটে। হযরত ওসমান রা. এর শাহাদতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ দলের আবির্ভাব ঘটে। হযরত আলী রা. ও আমিরে মায়াবিয়া রা. এর মধ্যে সংঘটিত সিফফিনের যুদ্ধে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটলে হযরত আলী সালিসির মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করলে তারই অনুসারীদের মধ্য থেকে চরমপন্থী একটি দলের সৃষ্টি হয়। এদেরকে খারেজি বা দলত্যাগী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। এরা ছিল ইসলামের দ্বিতীয় যুগের মানুষ। যারা রাসূল সা.-এর ইন্তেকালের পরই ইসলাম গ্রহণ করে। এদের প্রায় সকলেই ছিল যুবক।

বাম বিপ্লবীদের সন্ত্রাস
উনিশ শতকের মাঝামাঝি বামপন্থীরা সন্ত্রাসী কার্যক্রমের মাধ্যমে তথাকথিত বিপ্লবী কর্মকা-ের প্রচারণা চালিয়েছে। উনিশ শতকের মাঝামাঝি থেকে শুরু করে বিশ শতকের নব্বই দশকের আগ পর্যন্ত যত সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটেছে, তার প্রায় ৯০ শতাংশই বাম আদর্শে উদ্বুদ্ধ ব্যক্তি ও সংগঠন দ্বারা সংঘটিত। এ সময়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রমকে বিপ্লবী কার্যক্রম এবং সন্ত্রাসীদের মহীয়ান করে দুঃসাহসী বিপ্লবী বলে আখ্যায়িত করা হতো। এটা করতেন বামপন্থী তাত্ত্বিক আর নেতাকর্মীরা। রাশিয়া ও পূর্ব ইউরোপে কমিউনিস্ট শাসনের পতনের পর আমেরিকা যখন ওসামা বিন লাদেন ও তার আলকায়েদার কার্যক্রমকে সন্ত্রাস বলে আখ্যায়িত করল, তখনই একশ্রেণীর ডানপন্থী ও বামপন্থী সবাই এক সুরে যাবতীয় ইসলামি কর্মকা-কে বিশেষত প্রতিরোধমূলক কর্মকা-কে সন্ত্রাস বা সম্ভাব্য সন্ত্রাস বলা শুরু করে দেয়। ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘সন্ত্রাসের প্রজনন কেন্দ্র’ বলা শুরু হলো। এমনকি পশ্চিমা জগতের অনেকেই, বিশেষত মিডিয়া, ইসলাম আর সন্ত্রাসকে সমার্থক বলে প্রচার করতে থাকে। সেই সঙ্গে মুসলিম দেশগুলোতে ইসলামি সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে সন্ত্রাসের সাথে গুলিয়ে ফেলার হীন প্রচেষ্টা অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে। (দৈনিক নয়াদিগন্ত ১২ জুলাই ২০১৬, সাঈদ হোসাইন, দৈনিক ইনকিলাব- ২ সেপ্টেম্বর ২০১৬)

কওমী মাদরাসায় সন্ত্রাস নেই
শোলাকিয়া ও গুলশান হোলি আর্টিজানের ভয়ানক ঘটনায় প্রমাণিত হয়েছে যে, কওমী মাদরাসায় উগ্রসন্ত্রাসবাদ এবং চরমপন্থা নয় বরং ইসলামের শান্তির বাণী, মধ্যপন্থা চর্চা ও অবলম্বনের শিক্ষা এবং দীক্ষা দেয়া হয়। কওমী মাদরাসায় সহিষ্ণুতা, উদারতা, মানবিকতা এবং সহনশীলতার শিক্ষা দেয়া হয়। কঠোর নিয়মানুবর্তিতার কারণে কওমী মাদরাসার ছাত্রদের পক্ষে শিক্ষকের দৃষ্টি এড়িয়ে সমাজ, রাষ্ট্র এবং মানবিকতা বিনাশী কোনোরূপ কার্যক্রমে শামিল হবার সুযোগ নেই। প্রকাশ্যে রাজনীতি চর্চা করার কোন সুযোগ কওমী মাদরাসায় নেই। মাদরাসার ভর্তি ফরমের নির্দেশিকাতেও সুস্পষ্টভাষায় উল্লেখ থাকে যে, “আমি এখানে পড়াকালীন শিক্ষকগণের অবগতি ব্যতীত কোনো সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত হবো না। এর ব্যাত্যয় ঘটলে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ আমার বিরুদ্ধে যেকোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারবেন”। একারণেই সন্ত্রাসবাদের কোন গন্ধও কওমী মাদরাসায় খুজে পাওয়া যায় না। কওমী মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সাথে উগ্রতা, চরমপন্থা বা সন্ত্রাসের কোন সম্পর্ক নেই।

কওমী ও জেনারেল শিক্ষার্থীদের মধ্যে পার্থক্য
গুলশান রেস্তোরায় ‘অপারেশন থান্ডার বোল্ট’-এ বাংলাদেশের চৌকষ নিরাপত্তা বাহিনীর গুলীতে যে পাঁচজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী হামলাকারী নিহত হয়েছে, অথবা ইতোপূর্বে বাংলাভাই, শায়েখ আবদুর রহমান, সর্বশেষ তামীমসহ যারা জঙ্গীবাদের কারণে মেরে ফেলা হয়েছে, ব্লগার রাজিবকে চাপাতির আঘাতে হত্যার অভিযোগে যে চারজন গ্রেফতার হয়েছে, অথবা কদিন পূর্বে মাদারীপুরে কলেজ শিক্ষককে হামলার ঘটনায় ফাহিম নামের যে যুবক ধরা খেয়েছে, তারা কেউ কখনো কোন কওমী মাদরাসার বারান্দায়ও পা রেখেছে এমন তথ্য গোয়েন্দারাও দিতে পরছেনা।
জঙ্গীবাদ কেন্দ্রীক চলমান জাতীয় সংকটের মূল কারণ ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল এবং প্রাইভেট কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বীনি চেতনা লালনকারী শিক্ষার্থীদের জিহাদ এবং ‘তাগুত দমনে’র নামে অতি উৎসাহী ও অপরিণামদর্শী কর্মকা-। পর্দার পেছনে রিমোট নিয়ন্ত্রণকারী চক্র এসব সাধারণ শিক্ষিত তরুণদের মাথায় সুকৌশলে জিহাদের নামে সন্ত্রাসের বীজ বপণ করার পর তারা নেপথ্যের নির্দেশকের কথাকেই ধ্যানজ্ঞান করে। করবেই বা না কেনো? দ্বীনি জ্ঞানশূন্য তাদের মগজ যে বিশেষ পন্থায় ধোলাই করা হয়েছে।
এখানেই কওমী শিক্ষার্থীদের সাথে জেনারেল শিক্ষার্থীদের পার্থক্য। মৌলিকভাবে আরেকটি প্রশ্ন এসেই যায়, হোলি আর্টিজানে হামলাকারী এই তরুণরা অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র পেলো কোথায়? জেএমবি তো উগ্র-সালাফী মতবাদে বিশ্বাসীদের সংগঠন। যারা হানাফী মাজহাবের অনুসারী কওমী আলেম ওলামা ও শিক্ষিতদেরকে মুশরিক বলে মনে করে। তারপরও কওমী মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষকদের দিকে অভিযোগের তীর নিক্ষেপ করে কেন?
বিগত দু’তিন বছরে বাংলাদেশে সংঘটিত যেকোনো সন্ত্রাসী ঘটনা বিশ্বব্যাপী প্রচারে নিউইয়র্কের বাসিন্দা কট্টর ইহুদী রিটা কার্টজ এবং তার পরিচালনাধীন সাইট ইন্টেলিজেন্ট গ্রুপের সংশ্লিষ্টতায় একটি বিষয় আরো একবার আমাদের সামনে স্পষ্ট হয়েছে যে, আইএস নামক রক্তখেকো দানব সংগঠনটি আসলেই সা¤্রাজ্যবাদী ইহুদীগোষ্ঠীর তৈরী। তারা মুসলিম দেশে সন্ত্রাসীকর্মকা- চালিয়ে বিশৃংখলা তৈরী করে ইসলামবিদ্বেষীদের স্বার্থ রক্ষা করে চলেছে।

শেষকথা
এই অন্ধ হিং¯্র দানবদের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে এখনই রুখে দাঁড়াতে হবে। নিজেদের ধর্ম, দেশ, ভবিষ্যত প্রজন্ম, পরিবার, সমাজ, শিক্ষা, সংস্কৃতি, মসজিদ-মাদরাসা, আকীদা-বিশ্বাস রক্ষার জন্যে। নতুবা বিদ্যুৎবেগে যে আগুণ ধেয়ে আসছে, তা কাকে কখন পুড়িয়ে ছাইয়ে পরিণত করবে, তা কারো জানা নেই।