তথাকথিত উন্নয়নের নামে আ’লীগ জনগণের অধিকার কেড়ে নিচ্ছে: মির্জা ফখরুল

fakhrullবিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ দেউলিয়া হয়ে গেছে। জনগণকে দেয়ার আর কিছুই তাদের নেই। তারা তথাকথিত উন্নয়নের নামে জনগণের সকল অধিকার কেড়ে নিচ্ছে।

মঙ্গলবার পুরানা পল্টনের ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে ন্যাশনাল পিপলস পার্টি আয়োজিত ‘বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে খালেদা জিয়ার বক্তব্য বিকৃতি করে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাইছে। খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে বাইরে রাখতেই তারা এই মামলা দিয়েছে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের জন্য স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে টানা ৯ বছর আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। এখনও তিনি গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছেন। বর্তমান অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে ৭ বছর যাবৎ তিনি ত্যাগ স্বীকার করে লড়াই করছেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, সরকারের সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে জনগণকে সোচ্চার হতে হবে। আওয়ামী লীগ দেউলিয়া হয়ে গেছে। তাদের জনগণকে দেয়ার আর কিছুই নেই। তারা তথাকথিত উন্নয়নের নামে জনগণের সকল অধিকার কেড়ে নিচ্ছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, মানুষ আজ মত প্রকাশ করতে পারে না, অধিকারের কথা বলতে পারে না। এ রকম দেশ দেখতে হবে তা কখনো ভাবিনি। এখন শুধু দেশের মানুষ নয়, বিদেশীরাও এ সরকারের সমালোচনা করতে শুরু করেছে।

তিনি বলেন, সম্প্রতি ভারতের এক সাংবাদিক বলেছেন, ‘বাংলাদেশ এই পরিস্থিতির জন্য স্বাধীন হয়নি। বর্তমান সরকার কর্তৃত্ববাদী সরকার পরিচালনা করছে। এর কারণে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে।’

ফখরুল বলেন, বর্তমান সরকারের অপরাজনীতির কারণে সরকার জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস দমনে ব্যর্থ হয়েছে। মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকা যাবে না। এ দেশের মানুষ সব সময় আন্দোলন করে তাদের অধিকার রক্ষা করেছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মাদ ইবরাহিম বীরপ্রতীক, জাতীয় গণতান্ত্রিক দলের সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, এনডিপির চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আব্দুর রকিব, বিএলএর সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি ও সাম্যবাদী দলের চেয়ারম্যান কমরেড সাঈদ আহমেদ।