আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত প্রার্থী জানা যাবে শুক্রবার: ওবায়দুল কাদের

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দল থেকে যারা মনোনয়ন পেয়েছেন আগামীকালের মধ্যেই তারা চুড়ান্ত চিঠি পেয়ে যাবেন।

তিনি বলেন, আজ বৃহস্পতিবার থেকে দলীয় মনোনয়নের চূড়ান্ত চিঠি দেয়া শুরু এবং যারা দলের মনোনয়ন পেয়েছেন তারা আগামীকালের মধ্যে চিঠি পেয়ে যাবেন।

ওবায়দুল কাদের আজ দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের অস্থায়ী কার্যালয়ে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবকলীগের এক যৌথ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ অনেক দিন ধরে ক্ষমতায় আছে। দলের অনেক প্রার্থী, এর মধ্য থেকে যোগ্য প্রার্থী বাছাই করা খুবই কঠিন কাজ। কিন্তু আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার গত ৭ বছর ধরে সার্ভে রিপোর্ট এবং তা ৬ মাস পর পর হালনাগাদ করার জন্য দলের মনোনয়ন প্রক্রিয়া শেষ করা সহজ হয়েছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, জরিপের ফলাফল মনোনয়নে মূল ভূমিকা পালন করেছে। প্রার্থী মনোনয়নে প্রার্থীর জনপ্রিয়তা ও জনগণের কাছে গ্রহনযোগ্যতাকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। জরিপের বাইরেও বিভিন্ন ভাবে জনপ্রিয়তা ও গ্রহনযোগ্যতার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

ইনসাফ শো | পর্ব : ৫৬ | বিষয় : দাওয়াতে তাবলীগের চলমান সমস্যা

ইনসাফ সম্পাদক সাইয়েদ মাহফুজ খন্দকারের (Mahfuj Khandakar) সঞ্চালনায় চলছে ইনসাফ শো।বিষয় : দাওয়াতে তাবলীগের চলমান সমস্যা ও আজকের সংবাদ সম্মেলন।অতিথি : মাওলানা মাওলানা বাহাউদ্দীন জাকারিয়া, মাওলানা জহির ইবনে মুসলিম, মাওলানা ফজলুল করীম কাসেমী ও মাওলানা লোকমান মাজহারী।পর্ব : ৫৬

Posted by insaf24.com on Sunday, December 2, 2018

তিনি বলেন, ‘ আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল দলের এবং জোটের মনোনয়ন প্রক্রিয়া শেষ করা। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সফলভাবে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেছি।’
তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের নয়, প্রতিপক্ষ বিএনপি ও অন্যান্য দলের প্রার্থীদেরও বিষয়েও জরিপ করেছি। আর এজন্যই আমরা শুধু আমাদের নয়, অন্যান্য দলের অবস্থান সম্পর্কেও আমরা জানতে পেরেছি। সব বিবেচনা করে দলের সংসদীয় বোর্ড দলীয় মনোনয়ন প্রদান করেছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, আমাদের শরীকদের সঙ্গেও বোঝাপড়া ও সমঝোতা হয়ে গেছে। মনোনয়ন নিয়ে তাদের সঙ্গে কোন টানাপোড়েন দেখতে পাই নি। বার বার আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। আর সেজন্যই ভাল মনোনয়ন দিতে পেরেছি।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্বাচন এলেই দেশে পুরনো অভিযোগ মনোনয়ন বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এ বাণিজ্য আওয়ামী লীগ সফলভাবে প্রতিরোধ করতে সমর্থ হয়েছে। এটা আমাদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তিদায়ক হয়েছে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় যে কৌশল অবলম্বন করেছেন তাতে এ প্রক্রিয়ায় লেনদেনের কোন ফাঁকফোঁকর ছিল না। এটা দলের জন্য একটি বড় বিষয়। নির্বাচনকে সামনে রেখে যাদের মনোনয়ন দেয়া হয়েছে তাদের বেশির ভাগই রাজনীতিবিদ। ব্যবসায়ী মাত্র ১৬ থেকে ১৭ জন, ৩৭ থেকে ৩৮ জন মুক্তিযোদ্ধা এবং নতুন মুখ প্রায় ৫০ জন। যারা অতীতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, তবে আওয়ামী লীগ একটি বড় রাজনৈতিক দল। দীর্ঘ দিন ধরে দল ক্ষমতায় রয়েছে। তাই দু’এক জায়গায় ক্ষোভ বিক্ষোভ থাকতে পারে। কারণ দলের জনপ্রিয় প্রার্থী থাকা স্বত্বেও জোটের জন্য ছাড় দিতে হয়েছে। আশা করি, জোটের স্বার্থে তারা মেনে নেবেন।