মার্চ ২৭, ২০১৭

সিলেবাসে নাস্তিক্যবাদ ও হিন্দুত্ববাদ বহাল রেখে জঙ্গি দমন সম্ভব নয়

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |

unnamedইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর নেতৃবৃন্দ বলেছেন, সরকার জঙ্গিবাদ দমন করতে চায়, কিন্তু জঙ্গিবাদ দমন করতে যে পথে অগ্রসর হওয়া প্রয়োজন সে পথে না গিয়ে উল্টোপথের মাধ্যমে। এভাবে কখনও সন্ত্রাস-জঙ্গি দমন সম্ভব হবে না। সন্ত্রাসবাদ, উগ্রতা ও জঙ্গিবাদ দমন করতে হলে শিক্ষার সকলস্তরে ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে। সরকার ইসলামী শিক্ষার বারোটা বাজাচ্ছে পাঠ্যসুচীর মাধ্যমে, আবার জঙ্গিবাদ দমনের কথা সরকারের মুখে বেমানন। তিনি বলেন, ইসলামী শিক্ষার বিরুদ্ধে চক্রান্ত এবং কৌশলে ইসলামী শিক্ষা উৎখাতের চেষ্টা চলছে। ইসলামী শিক্ষার প্রতি বৈরী মনোভাবের কারণেই দেশব্যাপী উগ্রতা ও সন্ত্রাসবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। জঙ্গিবাদ রুখতে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জঙ্গিবিরোধী আলোচনা সভা নয় বরং শিক্ষার সকলস্তরে ইসলামী শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করলে জঙ্গিবাদ দমন করা সম্ভব হবে। তিনি হিন্দুত্ব ও নাস্তিক্যবাদী সিলেবাস নতুন বছরের পূর্বেই সংশোধন করার আহ্বান জানান।

আজ সোমবার সকালে জুরাইনস্থ ইছামতি চাইনিজ রেস্টুরেন্ট মিলনায়তনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কদমতলী থানা তারবিয়াতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নগর সহকারী প্রশিক্ষণ মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক একথা বলেন। থানা সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা ক্বারী মাসউদুর রহমান চাঁদপুরীর সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারী মাওলানা বাছির উদ্দিন মাহমুদ-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত তারবিয়াতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নগরনেতা ইমদাদুল ফেরদৌস, মাওলানা মহিউদ্দিন রুমি, অধ্যাপক ইউনুছ আহমদ, মুহাম্মদ আজিজুল হক, মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক, আলহাজ্ব ওসমান গণী নবী, আলহাজ্ব মোঃ দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র সাঈদ খোকন বলেছেন, “নির্দিষ্ট জায়গায় কোরবানী করা হবে” দেশের মুসলমানরা জীবনভর যে নিয়মে কোরবানীর পশু জবাই করে আসছে সেভাবে করবে। কোরবানী নিয়ে কোন প্রকার তামাশা সহ্য করা হবে না।