মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশী শ্রমিকরাই সব কাজ করছে: মাহাথির মুহাম্মাদ

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | ডেস্ক রিপোর্ট


মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মুহাম্মাদ বলেছেন, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশী শ্রমিকের সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। ‌তারা এখানে কেনো? আমরা কাজ করতে চাই না, তাই বাংলাদেশীরাই সব কাজ করছে।

তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার লোকজন সাধারণত নোংরা, ঝুঁকিপূর্ণ এবং কঠিন কাজগুলো করতে চায় না। তাই কৃষি এবং নির্মাণ খাত চলে গেছে অভিবাসী শ্রমিকদের কাছে। শুক্রবার (২১ ডিসেম্বর) এক নৈশভোজ অনুষ্ঠানে মাহাথির এসব কথা বলেন।

মাহাথির বলেন, মালয়েশিয়ায় বহু জাতিগোষ্ঠীর বসবাসে আমরা অভ্যস্ত হয়ে উঠেছি। কিন্তু বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত, মধ্যপ্রাচ্য, ইরান, মধ্য এশিয়ার লোক বেশি হয়ে গেছে এখানে। আমরা এখন মানুষ দেখলে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়ি। কারণ, আমরা বুঝতেই পারি না কে মালয়েশিয়ার নাগরিক নাকি অন্যকেউ। মালয়েশিয়ানরা যদি নিজের অবস্থান ধরে রাখতে চায়, তাহলে তাদের কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। ভালো শিক্ষা নিতে হবে এবং দেশের সব কাজ করতে হবে।

উল্লেখ্য, এক জরিপ অনুযায়ী মালয়েশিয়ায় মোট কর্মসংস্থানের ১৫ শতাংশই বিদেশি কর্মীদের দখলে। ২০১০ সালে মালয়েশিয়ায় বিদেশি শ্রমিকের সংখ্যা যেখানে ছিল ১৭ লাখ, ২০১৩ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২১ লাখে। ২০১৭ সালের হিসাব বলছে, মালয়েশিয়ায় এখন বিদেশি শ্রমিকের সংখ্যা ২২ লাখ।

২০১৫ সালের এক জরিপ অনুযায়ী মালয়েশিয়ায় অভিবাসী শ্রমিক হিসেবে প্রথম অবস্থানে আছে ফিলিপাইন, এরপর আছে নেপাল এবং বাংলাদেশ আছে তৃতীয় অবস্থানে।


ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্স

ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্সদেশের প্রথম ইসলামী ঘরানার অনলাইন পত্রিকা ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে স্বল্পমেয়াদী সাংবাদিকতা কোর্স।অংশগ্রহণ করতে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে-০১৭১৯৫৬৪৬১৬এছাড়াও সরাসরি আসতে পারেন ইনসাফ কার্যালয়ে।ঠিকানা – ৬০/এ পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০।

Posted by insaf24.com on Monday, October 29, 2018


বিশ্ব মুসলিম ব্যক্তিত্ব-২০১৮ খেতাব পেলেন এরদোগান
ডিসেম্বর ২৩, ২০১৮
ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | আরিফ মুসতাহসান


তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগানকে ২০১৮ সালের ‘বিশ্ব মুসলিম ব্যাক্তিত্ব’ বলে ঘোষণা করেছে নাইজেরিয়ার একটি দৈনিক পত্রিকা। বিশ্বব্যাপী নির্যাতিত-অসহায় মুসলমানদের পক্ষে কাজ করায় এরদোগানকে এমন প্রসংসায় ভূষিত করে পত্রিকাটি।

নাইজেরিয়া মুসলিম নিউজ নামের পত্রিকাটির প্রকাশক বলেন, ‘বিশ্ব মুসলিম ব্যক্তিত্ব’ পুরস্কারটির জন্য এরদোগান যে সবচেয়ে বেশি দাবিদার এতে কোনো বিতর্ক নেই। নাইজেরিয়ার মুসলমানদের মধ্যে এরদোগানের ব্যাপক সমর্থক রয়েছে।

তিনি বলেন, বিশ্বমিডিয়া এরদোগানকে নেতিবাচকভাবে প্রকাশ করলেও তিনি তার কাজ ও মুসলমানদের সমর্থনের জন্য বিশ্ব মুসলিম নেতা হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, ফিলিস্তিনে ইহুদীবাদী ইসরাইলের আগ্রাসনের ব্যাপারে সারা মুসলিম বিশ্ব চুপ থাকলেও এরদোগান এর প্রতিবাদ করেছেন এবং এর জন্য যথাযথ উদ্যোগ নিয়েছেন। এছাড়াও তিনি মিয়ানমার ও চীনে মুসলিম নির্যাতনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। রোহিঙ্গা ও উইঘোর মুসলিমদের রক্ষায় নানান পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তিনি শুধু বক্তব্য দিয়ে ক্ষ্যান্ত থাকেননি, লক্ষ লক্ষ মুসলমানদের আর্থিক ও মানবিক সহায়তা দিয়েছেন।

পত্রিকার প্রকাশিত তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন, কাতারের আমীর শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি, যথাক্রমে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ, মুসলিম নেতা শেখ ইউসুফ আল কারজাভী ও সৌদি প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান পঞ্চম স্থানে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে জর্ডান ভিত্তিক ‘রয়াল ইসলামিক স্ট্রেটেজিক স্টাডিজ সেন্টার’ কর্তৃক প্রকাশিত একটি তালিকায় এরদোগান বিশ্বের ৫০০ জন প্রভাবশালী মুসলিমের মধ্যে ২০১৮ সালে শীর্ষস্থান অর্জন করেছেন।


সূত্র, আনাদোলু আজেন্সি