আটলান্টিক মহাসাগরে ভাসমান মসজিদ, প্রতি ৩ মিনিট পরপর খুলে যায় ছাদ

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | সোহেল আহম্মেদ


আটলান্টিক মহাসাগরের উপর ভাসছে মসজিদ। দূরের কোনো জাহাজ থেকে দেখলে মনে হয়, ঢেউয়ের বুকে যেন মসজিদটি দুলছে আর মুসল্লিরা যেন নামাজ পড়ছেন পানির ওপর। অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি সত্যিই এমন এক মসজিদ রয়েছে মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কা শহরে। যার নাম গ্র্যান্ড মস্ক আল হাসান টু। মসজিদটির এক তৃতীয়াংশ আটলান্টিক মহাসাগরের ওপর ভাসমান রয়েছে।

মরক্কোর বাদশাহ দ্বিতীয় হাসান কাসাব্লাঙ্কা শহরে এ মসজিদটি তৈরি করেছেন। মসজিদটির নির্মাণ কাজ করেছেন ফরাসি কোম্পানি বয়গিসের প্রকৌশলীরা। আর এর নকশা তৈরি করেছিলেন ফরাসি স্থপতি মিশেল পিনচিউ।মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৯৮৭ সালের আগস্ট মাসে। ৮০ কোটি ডলার ব্যয়ে প্রায় ২৫ হাজার শ্রমিক ও কারুশিল্পীর অক্লান্ত পরিশ্রমে সাত বছরে নির্মিত হয় এ মসজিদটি।

১৯৯৩ সালে মসজিদটির উদ্বোধন করা হয়। এটিতে প্রায় ১ লাখ মানুষ একসঙ্গে নামাজ পড়তে পারেন। এর মিনারের উচ্চতা ২০০ মিটার এবং মেঝে থেকে ছাদের উচ্চতা ৬৫ মিটার। মসজিদের ছাদটি প্রতি ৩ মিনিট পরপর যান্ত্রিকভাবে খুলে যায় বলে এর ভেতরে সহজেই আলো-বাতাস প্রবেশ করতে পারে। তবে বৃষ্টির সময় ছাদটি খোলা হয় না। ২৫০০ পিলারের ওপর স্থাপিত এ মসজিদের ভেতরের পুরোটাই টাইলস বসানো। মসজিদ এলাকার আশপাশে সাজানো আছে ১২৪টি ঝরণা এবং ৫০টি ক্রিস্টালের ঝাড়বাতি।

২২.২৪ একর জায়গার ওপর অবস্থিত এ মসজিদের মূল ভবনের সঙ্গেই আছে লাইব্রেরি, কোরআন শিক্ষালয়, ওজুখানা এবং কনফারেন্স রুম।


ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্স

ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্সদেশের প্রথম ইসলামী ঘরানার অনলাইন পত্রিকা ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে স্বল্পমেয়াদী সাংবাদিকতা কোর্স।অংশগ্রহণ করতে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে-০১৭১৯৫৬৪৬১৬এছাড়াও সরাসরি আসতে পারেন ইনসাফ কার্যালয়ে।ঠিকানা – ৬০/এ পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০।

Posted by insaf24.com on Monday, October 29, 2018


ফ্রান্সে উসমানীয় স্থাপনায় ইউরোপের সর্ববৃহত মসজিদ নির্মাণ করছে তুরস্ক
ডিসেম্বর ২৪, ২০১৮
ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | বেলায়েত হুসাইন


উসমানী যুগের স্থাপনার আদলে ইউরোপের সর্ববৃহৎ মসজিদ নির্মানের কাজ শুরু করেছে তুরস্ক।

ফরাসী শহর স্টার্সবুর্গে ‘তুর্কি সোসাইটি’ নামক রাষ্ট্রীয় একটি সংস্থা নান্দনিক এই মসজিদটি নির্মানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।

চলতি ববছরের অক্টোবরে কাজ শুরু হওয়া সুলতান আইয়ুব নামের ৫ হাজার মুসল্লি ধারণক্ষমতার এ মসজিদের নির্মান কাজ শেষ হতে সময় লাগবে প্রায় সাড়ে তিন বছর-সে হিসেবে মসজিদটি মুসল্লিদের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত করতে অপেক্ষা করতে হবে ২০২২ সালের শুরু পর্যন্ত।

তুর্কি সোসাইটি জানিয়েছে, উসমানী শাসনামলীয় বহু নিদর্শন কৃত্রিমরূপে উপস্থাপন করা হবে মসজিদের অভ্যন্তরে এবং বাহিরের বিভিন্ন স্থানে-যা মুসল্লিদের স্মরণ করিয়ে দিবে গৌরবময় উসমানী খেলাফত আমলের হারানো সুখস্মৃতি।