কারাগারে যেতেই হল নাজমুল হুদাকে | insaf24.com

কারাগারে যেতেই হল নাজমুল হুদাকে

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


ঘুষের মামলায় দণ্ডিত সাবেক মন্ত্রী নাজমুল হুদা আদালতে আত্মসমর্পণ করার পর তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন বিচারক।

রোববার ঢাকার দ্বিতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক এইচ এম রুহুল ইমরান জামিন আবেদন নাকচ করে সাবেক বিএনপি নেতা হুদাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে নাজমুল হুদা হাইকোর্টের নির্দেশে রোববার সকালে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন।

গত বছরের ১৮ নভেম্বর হাইকোর্ট ঘুষ গ্রহণের মামলায় সাবেক মন্ত্রী নাজমুল হুদাকে বিচারিক আদালতের দেয়া ৭ বছরের কারাদণ্ডের সাজা কমিয়ে ৪ বছর করে রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করে।

এতে তাকে ৪৫ দিনের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়া হয়। বেঁধে দেয়া সময়ে আত্মসমর্পণ না করলে তাকে গ্রেপ্তারের কথাও বলা হয়।

২ কোটি ৪০ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে সেনা সমর্থিত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে, ২০০৭ সালের ২১ মার্চ ধানমন্ডি থানায় নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে মামলাটি করে দুদক।

একই বছরের ২৭ আগস্ট বিচারিক আদালতের রায়ে নাজমুল হুদার ৭ বছর এবং স্ত্রী ব্যারিস্টার সিগমা হুদাকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দেন।

রায়ের বিরুদ্ধে তারা হাইকোর্টে আপিল করেন। শুনানি শেষে ২০১১ সালের ২০ মার্চ হাইকোর্ট সাজা বাতিল ঘোষণা করেন। খালাস পান নাজমুল হুদা দম্পতি।

এই আদেশের বিরুদ্ধে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন করে। শুনানি শেষে ২০১৪ সালের ১ ডিসেম্বর আপিল বিভাগ নতুন করে শুনানির নির্দেশ দেন হাইকোর্টকে।

২০১৭ সালের ৮ নভেম্বর বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ হুদা দম্পতির আপিল খারিজ করে এ রায় ঘোষণা করেন।

ওই মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ে নাজমুল হুদার ৭ বছর এবং তার স্ত্রী সিগমা হুদার ৩ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা হয়। এর বিরুদ্ধে আপিল করেন তারা। কারাদণ্ড কমালেও নাজমুল হুদাকে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ বহাল রাখেন হাইকোর্ট।


ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্স

ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্সদেশের প্রথম ইসলামী ঘরানার অনলাইন পত্রিকা ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে স্বল্পমেয়াদী সাংবাদিকতা কোর্স।অংশগ্রহণ করতে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে-০১৭১৯৫৬৪৬১৬এছাড়াও সরাসরি আসতে পারেন ইনসাফ কার্যালয়ে।ঠিকানা – ৬০/এ পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০।

Posted by insaf24.com on Monday, October 29, 2018


আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ছাত্রলীগ নেতার বাবা নিহত
Date: জানুয়ারি ০৬, ২০১৯
ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


কুষ্টিয়ায় স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে মইনুদ্দিন নামে একজন নিহত হয়েছেন। নিহত মঈনুদ্দিন বিশ্বাস ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানা হালিমের বাবা।

রোববার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সদর উপজেলার পশ্চিম আব্দালপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের এই ঘটনায় আরও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। তাদের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালসহ বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১২ জনকে আটক করেছে। এছাড়া এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পর থেকেই স্থানীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা এবং আলী হায়দার স্বপন চেয়ারম্যানের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উত্তেজনা। তারই জেরে রবিবার ভোরে উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মইনুদ্দিন নিহত হন। এছাড়া গোলাম মোস্তফার লোকজন স্বপন চেয়ারম্যানের লোকদের কয়েকটি বাড়ি ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ব্যাপারে কুষ্টিয়া জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জহির উদ্দিন জানান, ‘ভোরে দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তবে পরিস্থিতি বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং ১২ জনকে আটক করা হয়েছে।’