আফগানিস্তানে সোনার খনি ভেঙে ৪০ শ্রমিক নিহত | insaf24.com

আফগানিস্তানে সোনার খনি ভেঙে ৪০ শ্রমিক নিহত

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | মুসলিম বিশ্ব ডেস্ক


আফগানিস্তানে একটি সোনার খনি ভেঙে ৪০ শ্রমিক নিহত ও আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।

গতকাল রোববার (০৬ জানুয়ারি) বাদাখশান প্রদেশের কোয়েস্তান জেলার ওই খনিতে কাজ করার সময় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন আফগান সংসদ সদস্য ফাউজিয়া কোওফি।

নিহতরা সবাই ওই খনির শ্রমিক বলে জানান প্রাদেশিক কর্মকর্তা নেক মোহাম্মদ নাজারি।

সোনার খোঁজে ২০০ ফুট গভীর টানেল তৈরি করেছিলো স্থানীয় গ্রামবাসীরা। রবিবার সকাল এগারোটার দিকে ভেতরে প্রবেশ করার পরই খনিতে ধস নামে।

কোয়েস্তান জেলা প্রধান রোস্তাম রাঘি বলেন, ‘এ দুর্ঘটনার পরেই স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে ১৩ শ্রমিককে উদ্ধার করেন। বাকিদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। শিশুসহ অনেকেই মারা যান।’

নিহতদের পরিবারকে ৫০ হাজার স্থানীয় মুদ্রা দেওয়া হবে বলে জানান আফগানিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের একজন মুখপাত্র।

আফগানিস্তান খনিজ সম্পদে পরিপূর্ণ। কিন্তু তাদের বেশিরভাগ খনি পুরাতন এবং সেগুলো রক্ষণাবেক্ষণে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয় না। আর তাই শ্রমিকদের জন্য সেগুলো অনেক ঝুঁকিপূর্ণ।


 সুত্র, বিবিসি


ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্স

ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্সদেশের প্রথম ইসলামী ঘরানার অনলাইন পত্রিকা ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে স্বল্পমেয়াদী সাংবাদিকতা কোর্স।অংশগ্রহণ করতে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে-০১৭১৯৫৬৪৬১৬এছাড়াও সরাসরি আসতে পারেন ইনসাফ কার্যালয়ে।ঠিকানা – ৬০/এ পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০।

Posted by insaf24.com on Monday, October 29, 2018


তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ‘ধর্ষণের পর পুকুরে ফেলে হত্যা’, ধর্ষক জয়দেব সরকার গ্রেফতার
জানুয়ারি ০৭, ২০১৯
ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের পর পুকুরের পানিতে ফেলে হত্যা করা হয়েছে। সে কুল্লা ইউনিয়নের গাবতলা গ্রামের প্রশান্ত দাসের মেয়ে। তাঁর নাম সুস্মিতা দাস (৯)। সে গাবতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিল।

রোববার রাতে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার গাবতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃত ধর্ষকের নাম জয়দেব সরকার। সে আশাশুনি উপজেলার গাবতলা গ্রামের নির্মল সরকারের ছেলে ও বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্র।

পুলিশ জানায়, তৃতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়াতো অভিযুক্ত জয়দেবের বোন। গতকালও প্রাইভেট পড়তে গেলে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে কৌশলে মেয়েটির ওপর যৌন নির্যাতন চালায় জয়দেব। একপর্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে মারা গেছে ভেবে তাকে বাড়ির পুকুরে ফেলে দেয়। পরে গ্রামবাসী ওই ছাত্রীকে খুঁজতে থাকার একপর্যায়ে পুকুরে জাল ফেলার কথা বললে পুকুর থেকে লাশ তুলে ওই ছাত্রীকে নিজের বাথরুমে ফেলে রাখে জয়দেব। রাত ১১টার দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। গ্রেফতার করে জয়দেব সরকারকে।

আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ জানান, লাশের ময়না তদন্তের জন্য সোমবার সকালে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতারকৃত জয়দেব সরকার ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছে।