ভারত সরকার মুসলমানদের ওপর নির্যাতন বাড়িয়ে দিয়েছে : ইমরান খান

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | আন্তর্জাতিক ডেস্ক


ভারতের বর্তমান কট্টর হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার মুসলমানদের ওপর নির্যাতন বাড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

তিনি বলেন, ভারত সরকার মুসলমানদের ওপর নির্যাতন বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে কাশ্মীরে ভারতের অত্যাচার সীমা ছাড়িয়ে গেছে। তারা ছোট ছোট শিশুদের গুলির নিশানা বানাচ্ছে। শুধু ২০১৮ সালেই ৫০০ কাশ্মীরিকে ভারতীয় সেনারা গুলি করে হত্যা করেছে।

তুর্কী টিভি চ্যানেল টিআরটিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। ২২ মিনিটের ওই সাক্ষাৎকারে আমেরিকা-পাকিস্তান সম্পর্ক, আফগান ও পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নানান বিষয়েও বিভিন্ন কথা বলেন।

ভারতের বিষয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান আরও বলেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে আমরা সবসময় ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাই। কিন্তু তারা সর্বদা বিষয়টি এড়িয়ে চলে।

তিনি আরও বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমি বলেছি, পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নোয়নের লক্ষ্যে আপনি এককদম অগ্রসর হলে আমরা দু’কদম আগাতে পারবো। কিন্তু মোদী আগামী নির্বাচনে সুবিধা পাওয়ার জন্য পাকিস্তান বিরোধিতাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন।


বোল্টনের ‘ইসরাইলি মেসেজ’ প্রত্যাখ্যান করলেন এরদোগান
জানুয়ারি ০৯, ২০১৯
ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | মুসলিম বিশ্ব ডেস্ক


মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন সিরিয়ার ওয়াইপিজি কুর্দি গেরিলাদের সুরক্ষা দেয়ার বিষয়ে তুরস্কের প্রতি যে শর্ত দিয়েছেন তা প্রত্যাখ্যান করেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান। তিনি বলেছেন, এই বক্তব্য মূলত ইহুদিবাদী ইসরাইলের এবং আংকারা তা গ্রহণ করবে না।

এরদোগান আরো বলেছেন, “ইসরাইলের হয়ে বোল্টন এ ধরনের শর্ত দিয়ে বড় ভুল করেছেন এবং তুরস্কের কাছে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ইস্যুতে আমরা কোনো আপোশ করতে পারব না। পিকেকে, ওয়াইপিজি, ওয়াইপিডি এবং দায়েশের মধ্যে সামান্যতম পার্থক্য নেই।”

মঙ্গলবার (০৮ জানুয়ারি) রাজধানী আংকারায় জাতীয় সংসদে নিজ দল জাস্টিস অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট পার্টির এমপিদের উদ্দেশে দেয়া বক্তৃতায় এসব কথা বলেন এরদোগান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা জটিল করার জন্য বোল্টনকে অভিযুক্ত করেন এরদোগান।

বোল্টন গত রোববার ইসরাইল সফরের সময় সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যহারের বিষয়ে শর্ত আরোপ করে বলেন, কুর্দি ওয়াইপিজি গেরিলাদেরকে তুরস্কের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে হবে। সেসময় তিনি এও বলেছিলেন যে, উত্তর সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনারা সরে যাবে তবে কবে পুরো সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হবে তার কোনো সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নেই।

উৎস, পার্সটুডে