মামলার রায় পাইয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চার সন্তানের জননীকে গণধর্ষণ | insaf24.com

মামলার রায় পাইয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চার সন্তানের জননীকে গণধর্ষণ

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


কুমিল্লা সদরে মামলার রায় পাইয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চার সন্তানের জননী এক নারীকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার অধীন লালমাই উপজেলার শানিচোঁ গ্রামে এক আইনজীবীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় বুধবার (০৯ জানুয়ারি) মামলা দায়েরের পর পুলিশ আনিছুর রহমান নামে এক আইনজীবীর সহকারী ও আরেক আইনজীবীর বাড়ির দারোয়ান লিটন বিশ্বাসকে গ্রেফতার করেছে।

জানা যায়, জেলার দেবিদ্বার উপজেলার চাঁনপুর গ্রামের ৪ সন্তানের এক জননী তার স্বামী আবদুল মালেকের বিরুদ্ধে কুমিল্লার আদালতে নারী নির্যাতনের মামলা দায়ের করেন। এ মামলার রায় ওই মহিলার পক্ষে পাইয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কুমিল্লার আদালতের আইনজীবীর সহকারী লালমাই উপজেলার শানিচোঁ গ্রামের ফজর আলীর ছেলে জহিরুল ইসলাম ওই মহিলাকে গত ২৮ ডিসেম্বর শানিচোঁ গ্রামের এক নির্জন বাড়িতে নিয়ে আসে। সেখানে তাকে দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আটকে রেখে ওই বাড়ির দারোয়ান বরিশালের মুলাদি উপজেলার কাজীরচর গ্রামের আমজাদ আলীর ছেলে লিটন বিশ্বাস, আরেক আইনজীবী সহকারী কুমিল্লা মহানগরীর আদালত সংলগ্ন কাপ্তান বাজার এলাকার আশেক আলীর ছেলে আনিছুর রহমান মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে আজ বুধবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় ৩ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার এসআই খাদেমুল বাহার জানান, এ মামলার আসামি আইনজীবী সহকারী আনছিুর রহমান ও বাড়ির দারোয়ান লিটন বিশ্বাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদেরকে বিকালে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।


ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্স

ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্সদেশের প্রথম ইসলামী ঘরানার অনলাইন পত্রিকা ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে স্বল্পমেয়াদী সাংবাদিকতা কোর্স।অংশগ্রহণ করতে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে-০১৭১৯৫৬৪৬১৬এছাড়াও সরাসরি আসতে পারেন ইনসাফ কার্যালয়ে।ঠিকানা – ৬০/এ পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০।

Posted by insaf24.com on Monday, October 29, 2018


গার্মেন্ট শ্রমিকদের দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান আল্লামা কাসেমীর
জানুয়ারি ০৯, ২০১৯
ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | ডেস্ক রিপোর্ট


জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী ন্যূনতম মজুরি বাস্তবায়নসহ আন্দোলনরত গার্মেন্ট শ্রমিকদের ন্যায্য সকল দাবী-দাওয়া অবিলম্বে মেনে নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একইসাথে গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে এক শ্রমিক নিহত এবং বহু শ্রমিককে আহত করার নিন্দা জানিয়ে বিচার দাবি করেছেন।

আজ বুধবার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে জমিয়ত মহাসচিব আরো বলেন, দেশের উন্নয়নে শ্রমিক, কৃষক ও অপরাপর মেহনতী মানুষ ঘাম ঝরানো নিরলস খাটুনি খেটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। অথচ সরকারের গত দুই মেয়াদ থেকে আমরা দেখে আসছি, এদের উন্নয়ন ও প্রয়োজন নিবারণে কার্যকর কিছুই করা হচ্ছে না। শ্রমিক, মজদুর ও মেহনতী মানুষরাই সবচেয়ে বেশি অবহেলা ও কষ্টকর জীবন যাপন করছেন।

তিনি বলেন, সরকার কথায় কথায় উন্নয়নের যে জয়গান করছে, তা কর্পোরেট বাণিজ্যের সুবিধার জন্য জনগণের ট্যাক্সের অর্থে রাস্তা-ঘাট, সেতু, ফ্লাইওভার, বিদ্যুত, বাণিজ্যের নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরি, ধনীদের উঁচু উঁচু ইমারত এবং সরকারী লোকজনের বিলাসবহুল অফিস ও গাড়ি-বাড়ি’র সারির মধ্যেই অনেকটা সীমাবদ্ধ। বস্তুতঃ দেশের ৮০-৯০ ভাগ নাগরিক তথা কৃষক, শ্রমিক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, বেকার, গরীব ও গ্রাম-বাংলার মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের প্রতি সরকারের আন্তরিক নজর দেখতে পাই না। এসকল মানুষ পরিবার নিয়ে স্বাভাবিক দিনগুজরান করতে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছেন। সারাদেশে মাত্র কয়েক লাখ বয়স্ক ও দুস্থদেরকে সরকার নামমাত্র ভাতা দিয়ে কোটি কোটি মধ্য ও নিম্ন বিত্ত নাগরিকের দায়-দায়িত্ব পাশ কাটানোর সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, শ্রমিক ও গরীব মানুষকে ঠকিয়ে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন হবে না। দেশের বর্তমান উন্নয়নের ধারাকে আমূল পাল্টিয়ে জন বান্ধব করতে হবে। কারণ, এই ধারা মারাত্মক শ্রেণী বৈষম্য তৈরি করছে এবং মধ্য ও নিম্নবিত্ত মানুষকে নিঃস্ব করে মুষ্টিমেয় ধনী মানুষের পকেট ভারি করছে।

আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী বলেন, যে শ্রমিকরা দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে দিন-রাত ঘাম ঝরাচ্ছেন, যত্নের সাথে তাদের যৌক্তিক দাবি পুরণ না করে যে আচরণ করা হচ্ছে তা নিষ্ঠুরতা ছাড়া কিছু নয়। আমি অবিলম্বে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বাস্তবায়নসহ অন্যান্য ন্যায্য দাবি-দাওয়া পুরণের জন্য সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি। পাশাপাশি আন্দোলনরত শ্রমিকদের মধ্যে হতাহত ও ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের সুচিকিৎসা, ক্ষতিপূরণ ও দোষীদের দাবি করছি।

তিনি সতর্ক করে বলেন, যৌক্তিক ও ন্যায্য সমাধানের পথে না গিয়ে দমন-পীড়ন চালিয়ে শ্রমিকদের বিরাজমান ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা সরকারের জন্য বুমেরাং হতে পারে।