নির্যাতিতা সেই গৃহবধুর খোজ-খবর নিতে নোয়াখালীতে ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | ডেস্ক রিপোর্ট


ভোটের দিন রাতে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ধর্ষণের শিকার হওয়া সেই গৃহবধুর খোজ-খবর নিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজনৈতিক উপদেষ্টা আশরাফ আলী আকনের নেতৃত্বে বুধবার (০৯ জানুয়ারি) নোয়াখালী সদর হাসপাতালে যান নেতৃবৃন্দ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা শহীদুল ইসলাম কবীর, জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা নজীর আহমাদ, মাওলানা শহীদুল ইসলাম, মাওলানা ফিরোজ আলম ও আবদুল হান্নান প্রমূখ।

অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন পারুল বেগমকে দেখে বলেন, জাতি হিসেবে এই ঘটনা সবাইকে অত্যন্ত হেয় প্রতিপন্ন করেছে। কোন গণতান্ত্রিক দেশে এমন ঘটনা কল্পনা করা কঠিন। এই ঘটনা দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার, মৌলিক মানবাধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে হুমকির সম্মুখীন করেছে। এই লজ্জা শুধু পারুল বেগমের নয়, সমগ্র জাতির। সে নির্যাতিত নয় বরং নির্যাতিত হয়েছে মানবাধিকার।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ ওই নারীর চিকিৎসার খোজ-খবর নেওয়ার পর তাকে নগদ অর্থ সহায়তা দেন।


ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্স

ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্সদেশের প্রথম ইসলামী ঘরানার অনলাইন পত্রিকা ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে স্বল্পমেয়াদী সাংবাদিকতা কোর্স।অংশগ্রহণ করতে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে-০১৭১৯৫৬৪৬১৬এছাড়াও সরাসরি আসতে পারেন ইনসাফ কার্যালয়ে।ঠিকানা – ৬০/এ পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০।

Posted by insaf24.com on Monday, October 29, 2018


চীনে ইসলাম বিরোধী আইন পাস
জানুয়ারি ০৬, ২০১৯
ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | আন্তর্জাতিক ডেস্ক


আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ইসলামকে ‘চীনা ঘরানার সমাজতন্ত্রের’ সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলতে নতুন একটি ইসলাম বিরোধী আইন প্রণয়ন করেছে বেইজিং।

শুক্রবার সরকারি কর্মকর্তারা ‘আটটি ইসলামী সংস্থা’র সঙ্গে বৈঠকের পর নতুন আইন প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন বলে জানিয়েছে চীনা সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস।

এদিকে, যে ‘আটটি ইসলামী সংস্থা’র সঙ্গে বৈঠকের কথা বলা হয়েছে সেগুলোর নাম পরিচয় জানা যায়নি।

চীন সরকার দাবি করেছে, বৈঠকে উভয় পক্ষই ‘ইসলামকে সমাজতান্ত্রিক নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উপায়ে পরিচালিত করা এবং চীনা ঘরানা অনুযায়ী তা বাস্তবায়নে একমত হয়েছে’।

চীনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশটির মুসলিমদের ওপর চাপ বাড়ছে। বিভিন্ন স্থানে মুসলমানদের ধর্ম পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো।

দেশটির কিছু স্থানে ইসলামের চর্চা নিষিদ্ধ। নামাজ-রোজার পাশাপাশি দাড়ি রাখা বা হিজাব পরার মতো কারণেও ধরপাকড়ের হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে অনেককে। বিভিন্ন মসজিদ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে গম্বুজ ও চাঁদ-তারার প্রতিকৃতি। মাদ্রাসা ও আরবি শিক্ষার ক্লাস নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে শিশুদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, ১০ লাখেরও বেশি উইঘুর মুসলিমকে আটক রেখে তাদের ধর্ম পালনে বাধা দেওয়া হচ্ছে। বলপূর্বক তাদের কমিউনিস্ট পার্টির মতাদর্শে বিশ্বাস স্থাপন করানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকাশ্যে নিজ ধর্মের সমালোচনা করতে তাদের ওপর জবরদস্তি করা হচ্ছে।

আনুষ্ঠানিকভাবে নাস্তিক ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির আনুগত্যের শপথ করতে হচ্ছে তাদের।

ধারণা করা হচ্ছে, সরকারের এ পদক্ষেপ মুসলমানদের ধর্ম চর্চায় নতুন প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে।


সূত্র : গ্লোবাল টাইমস