শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, আশুলিয়ায় অর্ধশত কারখানা বন্ধ | insaf24.com

শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, আশুলিয়ায় অর্ধশত কারখানা বন্ধ

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


সরকার ঘোষিত মজুরি কাঠামো পুনর্নির্ধারণ, বাস্তবায়ন ও বেতন বৈষম্য দূরীকরণের দাবিতে বৃহস্পতিবার পঞ্চম দিনের মতো আশুলিয়ায় পোশাকশ্রমিক বিক্ষোভ অব্যাহত ও সড়ক অবরোধ করেছেন শ্রমিকরা।

পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশ ও শ্রমিকসহ আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন।

এ ঘটনায় শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার প্রায় অর্ধশত পোশাক কারখানার উৎপাদন বন্ধ রেখে শ্রমিকরা রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় আব্দুল্লাহপুর-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের আশুলিয়ার বেরন এলাকায় ও জিরাবো-কাঠগড়া-বিশমাইল সড়কের পার্শ্ববর্তী প্রায় অর্ধশত পোশাক কারখানার শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, সকালে বেরন এলাকার শারমিন গ্রুপের এএম ডিজাইন কারখানার শ্রমিকরা উৎপাদন বন্ধ রেখে কারখানা থেকে সড়কে বেরিয়ে আসেন। এ সময় শ্রমিকরা সামনের সড়কে আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে। পুলিশ এতে বাধা দিলে এবং লাঠিচার্জ শুরু করলে শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।

এ সময় ওই কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গে যোগ দেয় পার্শ্ববর্তী স্টার্লিং অ্যাপারেলস, উইন্ডি গ্রুপ, সেতারা গ্রুপ, ডিজাইনার জিন্সসহ প্রায় ১০-১৫টি পোশাক কারখানার হাজার হাজার শ্রমিক। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দফায় দফায় টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। ঘটনায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এতে শ্রমিক ও পুলিশসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়। পরে বিজিবি ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্যদের উপস্থিতিতে প্রায় ১ ঘণ্টা পর আব্দুল্লাহপুর-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এতে দুর্ভোগে পরে ওই সড়কে সব পরিবহনে আরোহণকৃত যাত্রীরা।

এদিকে সকাল সোয়া ৮টায় ও বেলা পৌনে ১১টায় আশুলিয়ার জিরাবো-কাঠগড়া-বিশমাইল সড়কের পার্শ্ববর্তী প্রায় ৩০টি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা উৎপাদন বন্ধ রেখে রাস্তায় নেমে যানবাহন চলাচলে বাধা দেয়। এ সময় তারা সড়ক অবরোধ করে গাছের গুঁড়ি ফেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।

কিছুক্ষণ পর পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পুলিশ শ্রমিকদের হটাতে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে তারা পৃথক পৃথক স্থানে আগুন জ্বালিয়ে প্রতিরোধের চেষ্টা চালায়। পাশাপাশি শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে পুলিশকে নির্দিষ্ট দূরত্বে রাখার চেষ্টায় থাকতে দেখা গেছে।

জানা গেছে, ওই এলাকার মাসকট নিট ওয়্যার লি., রেডিসন, রাতুল, ইউনিয়ন, কন্টিনেন্টাল, হ্যাশন কোরিয়া, সাউদার্ন মিলিনিয়াম, টেক্সটাউন, ক্রসফেয়ার, এভারগ্রীন, লিলি, এফজিএস, ডিআর, ফ্যাশন ফেয়ার, গ্রীন লাইফ, গ্লোরিয়াস, কমপ্লিট নিট ওয়্যারসহ প্রায় ৩০টি পোশাক কারখানায় তাদের উৎপাদন বন্ধ রেখে শ্রমিকরা চলে যায়।

ঘটনায় ওই সড়কে প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টার অধিক সময় কোনো পরিবহন চলাচল করতে পারেনি। এতে চরম দুর্ভোগে পরেছেন সাধারণ অপেক্ষমাণ ও পরিবহনে আরোহিত যাত্রীরা।

আশুলিয়া শিল্প পুলিশ-১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহাদাত হোসেন জানান, শ্রমিক বিক্ষোভের ঘটনায় আশুলিয়ার জিরাবো-কাঠগড়া ও জামগড়াসহ বেশকিছু এলাকার প্রায় অর্ধশত পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।


ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্স

ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্সদেশের প্রথম ইসলামী ঘরানার অনলাইন পত্রিকা ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে স্বল্পমেয়াদী সাংবাদিকতা কোর্স।অংশগ্রহণ করতে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে-০১৭১৯৫৬৪৬১৬এছাড়াও সরাসরি আসতে পারেন ইনসাফ কার্যালয়ে।ঠিকানা – ৬০/এ পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০।

Posted by insaf24.com on Monday, October 29, 2018


পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুই ব্যক্তি নিহত
Date: জানুয়ারি ১০, ২০১৯
ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


অলঙ্করণ : জারাদা

পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে কক্সবাজারের টেকনাফে দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ৫টি দেশীয় অস্ত্র এবং ২২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ বলছে নিহতরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভূক্ত মাদক ব্যবসায়ী।

বুধবার দিনগত রাত দেড়টার দিকে জেলার টেকনাফের সাবরাং খুরেরমুখ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, আব্দুর রশিদ প্রকাশ ডাইল্যা (৪৭) এবং আবুল কালাম (৩৫)। নিহত আব্দুর রশিদ টেকনাফের সাবরাং কচুবুনিয়া এলাকার মৃত এনাম শরীফ এবং আবুল কালাম কাটা বনিয়ার আব্দুর রহমানের ছেলে।

পুলিশের দাবি, এ ঘটনায় পুলিশের টেকনাফ থানার এসআই বোরহান উদ্দিন, এএসআই ফরহাদ ও কনস্টেবল হৃদয় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, নিহতরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী। এদের মধ্যে আবুল কালামের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় মাদক, মানব পাচারসহ ১০টি এবং আব্দুর রশিদের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা রয়েছে।