ভারতকে আমরা বড় টার্গেট করেছি : বাণিজ্যমন্ত্রী

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ভারত ও চায়নার সঙ্গে বাণিজ্যিক বৈষম্য কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে আমাদের আগের থেকে অগ্রগতি হয়েছে। এ দুটো দেশ প্রায় আড়াই কোটি জনংখ্যার একটি বড় বাজার।

শুক্রবার দুপুরে টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনকের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতকে আমরা বড় টার্গেট করেছি। বর্তমানে ভারতের বাজারে আমাদের কাপড়, আরএফএলের প্লাস্টিকের গ্লাসসহ বিভিন্ন পণ্য রফতানি হচ্ছে। ইতিমধ্যে আমাদের রেডিমেড গার্মেন্টও রফতানি শুরু হয়েছে। চায়নাতেও আমাদের পণ্যের বাজার সৃষ্টিতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে। প্রতিযোগিতামূলক পণ্য হিসবে চায়নায় আমরা গার্মেন্ট রফতানি করতে পারি। আমাদের উদ্দেশ হলো রফতানি বাড়ানো।

টিপু মুনশি বলেন, এ দুটি দেশের বাইরেও সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে। আমরা ২০২১ সালের মধ্যে রফতানি আয় ৬০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি। যার মধ্যে ৫০ বিলিয়ন ডলার কেবল গার্মেন্ট থেকে আয় করা সম্ভব।

এর আগে জাতির জনকের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

এ সময় অন্যদের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলী খান, টুঙ্গিপাড়ার পৌর মেয়র শেখ আহম্মদ হোসেন মীর্জা, সাবেক পৌর মেয়র ইলিয়াস হোসেনহ টুঙ্গিপাড়া আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্স

ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্সদেশের প্রথম ইসলামী ঘরানার অনলাইন পত্রিকা ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে স্বল্পমেয়াদী সাংবাদিকতা কোর্স।অংশগ্রহণ করতে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে-০১৭১৯৫৬৪৬১৬এছাড়াও সরাসরি আসতে পারেন ইনসাফ কার্যালয়ে।ঠিকানা – ৬০/এ পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০।

Posted by insaf24.com on Monday, October 29, 2018


আরও ১০ লাখ অভিবাসীকে নেবে কানাডা
Date: জানুয়ারি ১১, ২০১৯
ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | আন্তর্জাতিক ডেস্ক


আগামী তিন বছরের মধ্যে আরও ১০ লাখ অভিবাসীকে স্বাগত জানাতে চায় কানাডা। দেশটির পার্লামেন্ট নতুন এই পরিকল্পনার ঘোষণা দেয়। আগামী তিন বছরে তাদেরকে স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি দেবে দেশটি।

২০১৭ সালে ২ লাখ ৮৬ হাজার স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বীকৃতি দেয় কানাডা। এবছর সেটা সাড়ে তিন লাখ হতে পারে। আর ২০২০ ও ২০২১ সালে সেটা হতে পারে যথাক্রমে ৩ লাখ ৬০ হাজার ও ৩ লাখ ৭০ হাজার।

কানডার অভিবাসন, শরণার্থী ও নাগরিকত্ব বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ হুসেন বলেন, ‘আমাদের ইতিহাসে নতুনদের স্বাগত। কানাডা এমন একটি সংস্কৃতি গড়ে তুলেছে যা সবার জন্যই স্বাচ্ছন্দ্যের।

হুসেন নিজেই সোমালিয়ার অভিবাসী। তিন বলেন, এই অভিবাসীদের কারণে কানাডার শ্রমশক্তি আরও সংহত হবে।

কানাডার এই সহায়তাপূর্ণ পদক্ষেপের ঘোষণলা এমন সময় আসলো যখন যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য পশ্চিমা দেশ অভিবাসন আইন আরও কঠোর করছে।

কানাডা সবসময় শরণার্থীদের সহায়তা করে আসছে। জাতিসংঘের শরণার্থী সংষ্থার এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালে বিশ্বে ৬ কোটি ৮৫ লাখ শরণার্থীর রয়েছে। কানডার শরণার্থী বিষয়ক মন্ত্রণালয় বৈশ্বিকভাবে এই শরণার্থীদের ৫৬ লাখ ডলার সহয়তারও কো অঙ্গীকার করেছে।