বাংলাদেশে আসছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


শিগগির বাংলাদেশ সফরে আসছেন মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতি বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত ইয়াং লি।

জেনেভা থেকে পাওয়া বার্তা অনুসারে, মিয়ানমারের প্রতিবেশী দুই দেশে লি’র ১১ দিনব্যাপী সফর শুরু হবে আগামী ১৪ জানুয়ারি, যা শেষ হবে ২৪ জানুয়ারি।

প্রথমে থাইল্যান্ড দিয়ে যাত্রা শুরু করা লি’র ১৯ জানুয়ারি ঢাকা পৌঁছার কথা রয়েছে। বাংলাদেশে আসার পর এখানকার শরণার্থী শিবিরগুলোতেও যাবেন তিনি।

মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ লি’কে অসহযোগিতার ব্যাপারে নিজেদের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে মিয়ানমার। এরফলে মিয়ানমারে প্রবেশ করতে পারবেন না জাতিসংঘের এ দূত।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ এ দূতের সফর পরিকল্পনায় নোয়াখালীর ভাসানচরেও যাওয়ার কথা রয়েছে। এ দ্বীপটিতে রোহিঙ্গাদের সরিয়ে নেয়ার কথা ভাবছে বাংলাদেশ সরকার।


ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্স

ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্সদেশের প্রথম ইসলামী ঘরানার অনলাইন পত্রিকা ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে স্বল্পমেয়াদী সাংবাদিকতা কোর্স।অংশগ্রহণ করতে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে-০১৭১৯৫৬৪৬১৬এছাড়াও সরাসরি আসতে পারেন ইনসাফ কার্যালয়ে।ঠিকানা – ৬০/এ পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০।

Posted by insaf24.com on Monday, October 29, 2018


আরও ১০ লাখ অভিবাসীকে নেবে কানাডা
Date: জানুয়ারি ১১, ২০১৯
ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | আন্তর্জাতিক ডেস্ক


আগামী তিন বছরের মধ্যে আরও ১০ লাখ অভিবাসীকে স্বাগত জানাতে চায় কানাডা। দেশটির পার্লামেন্ট নতুন এই পরিকল্পনার ঘোষণা দেয়। আগামী তিন বছরে তাদেরকে স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি দেবে দেশটি।

২০১৭ সালে ২ লাখ ৮৬ হাজার স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বীকৃতি দেয় কানাডা। এবছর সেটা সাড়ে তিন লাখ হতে পারে। আর ২০২০ ও ২০২১ সালে সেটা হতে পারে যথাক্রমে ৩ লাখ ৬০ হাজার ও ৩ লাখ ৭০ হাজার।

কানডার অভিবাসন, শরণার্থী ও নাগরিকত্ব বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ হুসেন বলেন, ‘আমাদের ইতিহাসে নতুনদের স্বাগত। কানাডা এমন একটি সংস্কৃতি গড়ে তুলেছে যা সবার জন্যই স্বাচ্ছন্দ্যের।

হুসেন নিজেই সোমালিয়ার অভিবাসী। তিন বলেন, এই অভিবাসীদের কারণে কানাডার শ্রমশক্তি আরও সংহত হবে।

কানাডার এই সহায়তাপূর্ণ পদক্ষেপের ঘোষণলা এমন সময় আসলো যখন যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য পশ্চিমা দেশ অভিবাসন আইন আরও কঠোর করছে।

কানাডা সবসময় শরণার্থীদের সহায়তা করে আসছে। জাতিসংঘের শরণার্থী সংষ্থার এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালে বিশ্বে ৬ কোটি ৮৫ লাখ শরণার্থীর রয়েছে। কানডার শরণার্থী বিষয়ক মন্ত্রণালয় বৈশ্বিকভাবে এই শরণার্থীদের ৫৬ লাখ ডলার সহয়তারও কো অঙ্গীকার করেছে।