সাইনোসাইটিসের অসহ্য যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | লাইফস্টাইল ডেস্ক


সাইনোসাইটিসের (সাইনাসের সমস্যা) সমস্যায় অনেককেই ভুগতে হয়। সারাক্ষণ নাক-মাথা ভার লাগা, মাথায় অস্বস্তি, কপালে অস্বস্তি-সহ নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দেয় এই সাইনোসাইটিসের ফলে। ঔশুধ খেয়েও ভালো ফল পাওয়া যা না। তাই আসুন এবার জেনে নেওয়া যাক কেনো হয় এই সাইনোসাইটিসের সমস্যা এবং এর থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায়।

সাইনোসাইটিসের কারণ: মুখের হাড়ের ভিতরে চার জোড়া ফাঁপা বায়ুপূর্ণ জায়গা আছে যেগুলিকে সাইনাস বলা হয়। যদি কোনো কারণে সাইনাসের ভেতরের ঝিল্লির মধ্যে জ্বালা করতে থাকে তখন তাকে সাইনোসাইটিস বলে।

সাইনোসাইটিস থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়:

১. সাইনোসাইটিসের সমস্যা থেকে বাঁচতে হলে প্রচুর পানি পান করুন। প্রচুর পরিমাণে পানি খেলে শ্লেষ্মা পাতলা হয়ে তা ধীরে ধীরে শরীর থেকে সহজেই বেরিয়ে যায়। তাই সাইনোসাইটিসের সমস্যা শুরু হলে সারাদিন প্রচুর পানি খাওয়ার চেষ্টা করুন।

২. রসুনের মধ্যে রয়েছে একাধিক রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা। রসুন শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিকের মতোই কাজ করে। তাই প্রতিদিন অন্তত এক কোয়া রসুন খেতে পারলে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণজনিত সমস্যা বা সাইনোসাইটিসের সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এছাড়া প্রতিদিন ২ কোয়া রসুন ২ চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে দিনে দু’বার খেলে সাইনোসাইটিস সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়।

৩. প্রতিদিন এক চামচ পেঁয়াজের রস এক চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে সাইনোসাইটিসের সমস্যা অনেকটা কমে যাবে। এছাড়া, এক চামচ আদা কুচির সঙ্গে এক চামচ মধু খেলে সাইনোসাইটিসের কারণে হওয়া মাথাব্যথা থেকে কিছুটা রেহাই মিলবে।

৪. কম জলীয় বাষ্পযুক্ত স্থানে সাইনোসাইটিসের সমস্যা বেড়ে যায়। তাই যেখানে বাতাসে জলীয় বাষ্প বা আদ্রতার পরিমাণ স্বাভাবিক, তেমন জায়গায় থাকতে চেষ্টা করুন। স্যাঁতসেঁতে বা অতিরিক্ত শুষ্ক আবহাওয়া এড়িয়ে চলুন। পর্যাপ্ত আলো-বাতাস আছে এমন জায়গায় থাকার চেষ্টা করুন।

৫. সাইনোসাইটিস সমস্যায় গরম পানির ভাপ বা সেঁক (Vapour) নিতে পারলে দ্রুত উপকার মেলে। সাইনোসাইটিস সমস্যায় এটি একটি অত্যন্ত কার্যকর পদ্ধতি। গরম পানির ভাপ বা সেঁক নিলে আমাদের নাসিকা-পথ ভেজা থাকবে এবং সহজেই শ্লেষ্মা পাতলা হয়ে বেরিয়ে আসবে। তাই গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে নিয়ে দিনে ২ বার করে সেঁক (Vapour) নিন।

৬. সিগারেটের ধোয়া, ধুলোবালি, হেয়ার স্প্রে, বডি স্প্রে ইত্যাদি জিনিসগুলো থেকে দূরে থাকুন। এ ধরণের জিনিসগুলো নাসিকা পথে ঢুকে যায় এবং সাইনোসাইটিস সমস্যা বাড়ায়। রাস্তায় বের হলে নাকে কাপড় দিয়ে রাখুন বা মাস্ক পড়ে নিন। তাহলে ধুলোর সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে এবং সাইনোসাইটিসের সমস্যার আরামও পাওয়া যাবে।

৭. যখন বাইরে বের হবেন তখন তো আর গরম পানির ভাপ বা সেঁক নেওয়া সম্ভব না। তাই বাড়ির বাইরে যতক্ষণ থাকবেন, চেষ্টা করবেন কিছুক্ষণ পর পর চিনি ছাড়া গরম চা, কফি বা স্যুপ খাওয়ার। গরম তরল খাবারগুলো খেলে শ্লেষ্মা পাতলা হয়ে আসে এবং সহজে পরিষ্কার হয়ে যায়।

৮. সাইনোসাইটিসের কারণে নাকে, মাথায় বা কপালে অস্বস্তি হলে গরম পানিতে একটি তোয়ালে ভিজিয়ে ভালো করে নিংড়ে নিন। এর পর এই তোয়ালেটা মুখের উপর দিয়ে কিছু ক্ষণ শুয়ে থাকুন। এই পদ্ধতিতে সাময়িকভাবে অনেকটা আরাম পাওয়া যায়।


ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্স

ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্সদেশের প্রথম ইসলামী ঘরানার অনলাইন পত্রিকা ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে স্বল্পমেয়াদী সাংবাদিকতা কোর্স।অংশগ্রহণ করতে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে-০১৭১৯৫৬৪৬১৬এছাড়াও সরাসরি আসতে পারেন ইনসাফ কার্যালয়ে।ঠিকানা – ৬০/এ পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০।

Posted by insaf24.com on Monday, October 29, 2018


মহাভোজ উৎসবের মহাসমারোহ চলছে পুলিশ স্টেশনগুলোতে : রিজভী
জানুয়ারি ১২, ২০১৯
ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সারাদেশে বিরোধী দল, মত ও বিশ্বাসের মানুষরা সরকারি সন্ত্রাসবাদে আক্রান্ত। সরকার মনে হচ্ছে, দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ৩০ ডিসেম্বরের আগের দিন অন্ধকার রাতে ভোট ডাকাতি ও লুট সরকারের জন্য শুভবার্তা নয়। বরং এই অপকর্মটির জন্য অচিরেই বিশাল রাজনৈতিক ধাক্কা খেতে হবে বর্তমান সরকারকে। জোর করে ক্ষমতায় থাকাটা এই ম্যান্ডেটহীন সরকারের জন্য হবে বিবিধ অমঙ্গলের উৎস।

তিনি বলেন, ৩০ ডিসেম্বর আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সাজানো ডিজাইনে ভোট লোপাটের মহাধুমধাম এখন চলছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটে। মহাভোজ উৎসবের মহাসমারোহ চলছে পুলিশ সদর দফতর থেকে থানার পুলিশ স্টেশনগুলোতে। এভাবে অন্যান্য বাহিনীর ইউনিটেও চলছে ভোজের মচ্ছব।

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, যে দল ভোটে বিজয়ী হয়, সাধারণত তাদের কর্মীরাই উৎসব, ভোজ ইত্যাদিতে মেতে থাকেন। কিন্তু আইন শৃঙ্খলা বাহিনী একটি রাজনৈতিক দলের তথাকথিত বিজয়ে উৎসব উদযাপন করে, এটা শুধু নজীরবিহীন ও হাস্যকরই নয়, হতবাক করা বিস্ময়ও বটে। এটি গণতন্ত্র ও নির্বাচন নিয়ে তামাশার বিকৃত প্রকাশ।

তিনি বলেন, এতে আরও সুষ্পষ্টভাবে প্রমানিত হলো ২৯ ডিসেম্বর রাত ও ৩০ ডিসেম্বর ভোট ডাকাতিতে বিস্ময়কর সাফল্য অর্জন করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। এখন গণতন্ত্রের লাশের ওপর মহাভোজের আয়োজন করেছে তারা।

রিজভী আরও বলেন, সরকার তথাকথিত হিংসা ও মহাজালিয়াতির নির্বাচনের বিনিময়ে দেশের মানুষের নাগরিক স্বাধীনতা খর্ব করেছে। এখন সরকার দমননীতির উত্থান প্রবল থেকে প্রবলতর করছে। সারাদেশে বিএনপির অনেক নেতাকর্মীর বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে। নেতাকর্মীরা নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে হামলার শিকার হচ্ছেন। তাদের দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি কেড়ে নেয়া হচ্ছে।