চলচ্চিত্রে ইসলাম অবমাননার অভিযোগের জবাবে যা বললেন পরিচালক ফারুকী

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


গত কয়েকদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছিলো হলি আর্টিজান হামলার ঘটনার ওপর নির্মিত “শনিবার বিকেল” চলচ্চিত্রের কিছু স্থিরচিত্র।

চলচ্চিত্রটি এখনো মুক্তি না পেলেও এর অভিনেতা-অভিনেত্রীদের ‘লুক’ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত লুকে চলচিত্রটির অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা ও অভিনেতা জাহিদ হাসানকে ইসলামী বেশভূষায় দেখা গেছে। জাহিদ হাসানের মুখভর্তি দাড়ি ও তিশার পরনে রয়েছে ইসলামী ভাবধারার পোশাক।

মূলত আপত্তিটা উঠেছে সেখানেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা অংশ মনে করছেন চলচ্চিত্রটিতে এই পোশাকে সন্ত্রাসীদের দেখানো হয়েছে। আর এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া জগতে বয়ে যাচ্ছে প্রতিবাদ ও নিন্দার ঝড়।

এরমধ্যে ছবির পরিচালক মোস্তফা সরয়ার ফারুকী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ  নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

তিনি ফেসবুকে নিজের একাউন্টে দেয়া এক স্ট্যাটাসে বলেন, ‘প্রিয় ভাই ও বোনেরা! আমি ইসলাম বিরোধী নই এবং প্রচারক নই! আমি শুধু একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা! ছবি না দেখেই কাউকে ইসলামবিরোধী বলা বা তার বিচার চাওয়া জ্ঞানীর কাজ হতে পারে না।’

তিনি আরো বলেন, ভেবেছিলাম আমি চুপ করে থাকব এবং নদীর স্রোত প্রবাহিতহতে থাকবে। কিন্তু মনে হচ্ছে এর প্রচারণা দাবানলের আগে ছড়িয়ে পড়ছে।

এছাড়াও স্ট্যাটাসে তিনি তার প্রতিষ্ঠান ”ছবিয়াল”-এর ফেসবুক পেজে দেয়া এই বিষয়ে বিবৃতিটা দেখতে বলেন।

কি আছে ”ছবিয়াল”-এর ফেসবুক পেজে দেয়া বিবৃতিতে?
চলচ্চিত্রটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মনগড়া ব্যাখ্যা দেয়া হচ্ছে দাবী করে ”ছবিয়াল”-এর ফেসবুক পেজে দেয়া বিবৃতিতে বলা হয়, “শনিবার বিকেল” ছবির কিছু স্থিরচিত্র দিয়ে অনলাইনে কিছু মানুষ ভুলভাল এবং মনগড়া ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। এইসব বিভ্রান্তির ব্যাপারে আমরা আমাদের দর্শকদের সজাগ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। গল্প সম্পর্কে কিছু না জেনে, সিনেমা না দেখেই কেউ কেউ আপন কল্পনায় গল্প তৈরি করে ফেলছেন। তারা বলছেন, সন্ত্রাসীদের মুখে দাড়ি এবং মাথায় হিজাব দিয়ে কি বোঝানো হচ্ছে! আমাদের প্রশ্ন হলো, তারা জাহিদ হাসানের মুখে দাড়ি দেখেই কিভাবে বুঝে ফেললেন তিনি সন্ত্রাসী? দাড়ির সাথে সন্ত্রাসের কী সম্পর্ক ? তিনি তো পুলিশও হতে পারেন!

আরো বলা হয়, এখন এক দল মানুষ একেক বার একেক রকম জিনিস কল্পনা করে প্রতিবাদ শুরু করবেন, আর আমরা এসে খোলাসা করতে থাকবো “না ভাই, এটা এরকম না, এটা আসলে এইরকম”? এই করতে করতে এক সময় পুরা গল্পটাই তাদেরকে বলে দেই? কারন তারা তো অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট, কষ্ট করে তো আর হলে যাবেন না সিনেমা দেখতে। তাহলে তাদের সুবিধার্থে অনলাইনেই পুরো গল্পটা লিখে দেই আমরা? যারা এই অপপ্রচার করছেন তাদেরকে বলছি ধৈর্য্য ধারন করে ছবি দেখে তারপর কথা বললে ব্যপারটা স্বাস্থ্যকর হবে। সকলকে ধন্যবাদ।


ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্স

ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্সদেশের প্রথম ইসলামী ঘরানার অনলাইন পত্রিকা ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে স্বল্পমেয়াদী সাংবাদিকতা কোর্স।অংশগ্রহণ করতে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে-০১৭১৯৫৬৪৬১৬এছাড়াও সরাসরি আসতে পারেন ইনসাফ কার্যালয়ে।ঠিকানা – ৬০/এ পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০।

Posted by insaf24.com on Monday, October 29, 2018