সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হয় এমন স্বীকৃতি চাই না: বেফাক মহাসচিব

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |

আব্দুল জব্বার জাহানাবাদীকওমী মাদরাসার উপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হয় এমন স্বীকৃতি বেফাক কখনো চায়নি। দারুল উলুম দেওবন্দের অষ্টক মূলনীতির উপর অবিচল থাকতে চাইলে এই চিন্তা-দর্শনের বিকল্প নেই। শুধু শুধু পানি ঘোলা করে মাছ শিকার করার পায়তারা না করে কওমী মদারাসার অতীত ইতিহাস ঐতিহ্য ও স্বকিয়তা অক্ষুন্ন ও অটুট রাখার বিষয়টিকেই আমাদেরকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। নতুবা পরকালে মহান আল্লাহর দরবারে এর জন্য আমাদের সকলকে জবাবদিহি করতে হবে।

আজ বেফাক মহাসচিব মাওলানা আব্দুল জব্বার জাহানাবাদী এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন।

তিনি অরো বলেন, ০২/০৯/২০১৩ই: তারিখে ঢাকায় চৌধুরী পাড়া মাদরাসায় মাওলানা আশরাফ আলী সাহেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বেফাকসহ অন্যান্য বোর্ডগুলোর শীর্ষ ওলামায়ে কেরামের এক যৌথ সভায় সরকার কতৃর্ক গঠিত “কওমী মাদরাসা শিক্ষা কর্তৃপক্ষ আইন -২০১৩ই:” অদ্যোপান্ত পর্যালোচনা করে দেখা গেছে যে ঐ আইনের অলোকে স্বীকৃতি নিলে কওমী মাদরাসার উপর পুরোমাত্রায় সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়। যার প্রেক্ষিতেই সে দিন সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয় যে, কওমী মাদরাসার সনদের সরকারী স্বীকৃতির আর কোন প্রয়োজন নেই।

উক্ত যৌথ সভায় উপস্থিত ওলামায়ে কেরামের মধ্যে অন্যতম হলেন মুফতী আব্দুর রহমান রহ., মাওলানা আশরাফ আলী, মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমী, মুফতী মুহাম্মাদ ওয়াক্কাস, মাওলানা মোস্তফা আজাদ, মাওলানা সুলতান যওক নদভী, মাওলানা আব্দুল হালিম বুখারী, মাওলানা আব্দুল বাসেত বরকতপুরী, মাওলানা নূরুল হুদা ফয়েজী, মাওলানা আব্দুল হক হক্কানী, মাওলানা সাজিদুর রহমান বি,বাড়ীয়া ও মুফতী মিযানুর রহমান প্রমুখ। সুতরাং বিষয়টি নিয়ে সচেতন মহলের সতর্ক দৃষ্টি কামনা করি।