সন্ত্রাসবাদি রাষ্ট্র ইসরাইলের কারাগারে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করলেন ফিলিস্তিনি যোদ্ধা

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |  মুসলিম বিশ্ব ডেস্ক


সন্ত্রাসবাদি রাষ্ট্র ইসরাইলের কারাগারে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করেছেন এক ফিলিস্তিনি যোদ্ধা।

যিনি তার জীবনের বেশিরভাগ সময় মৃত্যুর আগ মূহুর্ত পর্যন্ত ইসরাইলের রিমন কারাগারে বন্দি ছিলেন।

৫১ বছর বয়সি ফারিস বারউড ফিলিস্তিনের গাজার অধিবাসী। গত বুধবার ইসরাইলের রিমন কারাগারে তিনি মারা যান।

বারউড ১৯৯১ সালে আটক হয়েছিলেন। ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের হত্যার অভিযোগে তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বারউডের ২ বছর বয়সের সময় তার বাবা মারা যান। তার মা তাকে লালন-পালন না করতে পারায় তিনি গাজার আল-আমান অনাথ আশ্রমে বেড়ে উঠেছেন।

তিনি ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত ওই অনাথ আশ্রমে বড় হয়েছেন। এর পাঁচ বছর পরে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের হত্যার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়।

এদিকে ইসরাইল ৩০ বন্দির মুক্তির তালিকা প্রকাশ করেছিল যার মধ্যে বারউডেরও নাম ছিল।

এ ঘটনায় তার বোন ফায়জা বারউড বলেন, আল্লাহ তাকে ইসরাইলি কারাগারের অত্যাচার থেকে মুক্তি দিয়েছেন।

বারউডের পরিবারের বিশেষ করে তার মা বলেন, তার মুক্তির জন্য অভিবাদন জানাচ্ছি।

এর আগে তিনি ১০ বছরের অধিক সময় নির্জন কারাবাসে কাটিয়েছেন। তার আত্মীয় ও সমর্থকরা জানান, তিনি সে সময় মানসিক ও শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।

তিন বছর আগ থেকে তিনি লিভার ও হার্নিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে ভুগছিলেন।

ফিলিস্তিনি মন্ত্রিসভার বন্দিদের গণমাধ্যম ও সাবেক বন্দোবস্ত বিষয়ক সংস্থার পরিচালক ইসলাম আবদু মিডলইস্ট আইকে বলেন, তিন বছর ধরে আমারা বহু আপিল করেছি কারাবন্দি বারউডের স্বাস্থ্যের অবস্থা নিয়ে। কিন্তু এটি সবসময় প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।

বারউডের সহকর্মী ইনমেটস মন্ত্রণালয়কে জানান, মৃত্যু আগে সে রক্ত বমি করেছিল। তার অবস্থা প্রতি ঘণ্টায় ক্রমেই খারাপ হচ্ছিল।

ইসরাইলের নিজস্ব আইনানুসারে কারাবন্দিকে প্রয়োজন অনুযায়ী মেডিকেল সুবিধা দিতে হয়।

যুদ্ধবন্দি আইনানুযায়ী কারাবন্দিকে অবশ্যই আটক দেশ মেডিকেল সুবিধা দিতে হবে। তার খরচ সেই রাষ্ট্র বহন করবে। এছাড়া প্রতি মাসে তার নিয়মিত চেক-আপ করাতে হবে।

এ ছাড়া আইনে আরও বলা হয়েছে, বন্দিদের আটক করা রাষ্ট্র কারাবন্দিদের প্রয়োজনীয় খাবার, পানীয় এবং পোশাকের ব্যবস্থা করবে।

এদিকে ফিলিস্তিনের মন্ত্রণালয় এবং বারউডের সহকর্মী ইনমেটস জানান, এসব অধিকার থেকে বারউড বঞ্চিত হয়েছেন।

ইজরাইলের কারা কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের জন্য যোগাযোগ করা হয়েছে।

বারউড মৃত্যুর আগে তার সঙ্গে থাকা বন্দিরা প্রতিবাদ শুরু করে যাতে ইজরাইলি কর্তৃপক্ষে প্রতিবাদ নিয়ন্ত্রণে রাগ প্রকাশ করে এবং বারউডকে হাসপাতালে স্থানান্তর করে।

১০ দিনের বিক্ষোভ ও দাঙ্গার পর ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বারুদকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে। তবে একই দিনে তাক মৃত ঘোষণা করা হয়।

গত ১৮ নভেম্বর বারউডের অস্ত্রোপচার করা হয়। এতে তার লিভার ও টিউমারের অংশ কেটে ফেলা হয় ইসরাইলের সরৌকা মেডিকেল সেন্টারে। তবে অস্ত্রোপচারের পর তার কোনো চিকিৎসা করানো হয়নি। তাকে সঠিক সময়ে অস্ত্রোপচার করা হয়নি। অস্ত্রোপচারের পর তাকে রিমন কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। তাকে হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে রাখা উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন আবদু।



ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্স

ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্সদেশের প্রথম ইসলামী ঘরানার অনলাইন পত্রিকা ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে স্বল্পমেয়াদী সাংবাদিকতা কোর্স।অংশগ্রহণ করতে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে-০১৭১৯৫৬৪৬১৬এছাড়াও সরাসরি আসতে পারেন ইনসাফ কার্যালয়ে।ঠিকানা – ৬০/এ পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০।

Posted by insaf24.com on Monday, October 29, 2018


ঢাকার যেসব স্থানে পাওয়া যাচ্ছে হেফাজত নিয়ে প্রকাশিত ইনসাফের বিশেষ সাময়িকী

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


ঢাকার বিভিন্ন স্থানে পাওয়া যাচ্ছে দেশের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ১০ম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষ্যে ইসলামী ঘরানার অনলাইম পত্রিকা ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম প্রকাশিত বিশেষ সাময়িকী (প্রিন্ট ভার্সন)।

৪ পৃষ্ঠার বিশেষ সাময়িকীতে হেফাজতের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী নিয়ে রয়েছে বিশেষ প্রতিবেদন ‘১০ম বর্ষে হেফাজত’। প্রতিবেদনটিতে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাকালীন প্রেক্ষাপট থেকে শুরু করে নামকরণ, নেতৃত্ব, প্রথম কর্মসূচী, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় মহাসচিবের দায়িত্বকাল, ২০১৩ সালের ইসলামবিদ্বেষী শক্তির বিরুদ্ধে রাজপথে নেমে আসার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করা হয়েছে।

এছাড়াও রয়েছে হেফাজতের আমীর আল্লাম শাহ আহমদ শফী’র সাক্ষাৎকার। সাক্ষাৎকারে তিনি হেফাজতের প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ে তাঁকে নিয়ে উঠা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।

হেফাজতের সাফল্য-ব্যর্থতা নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদনে কথা বলেছেন সংগঠনের মহাসচিব শাইখুল হাদিস আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী। তিনি বর্ণনা করেছেন ৯ বছরে হেফাজতের সফলতা-সহ বিভিন্ন দিক।

অন্যান্য সংবাদের পাশাপাশি শেষ পৃষ্ঠায় রয়েছে মিডিয়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মাওলানা সালাহ উদ্দীন জাহাঙ্গীরকে নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।


যেসব স্থানে পাওয়া যাচ্ছে

ইনসাফ কার্যালয়
৬০/এ পুরানা পল্টন (৪র্থ তলা), ঢাকা ১০০০।
মোবাইলঃ ০১৭১৯৫৬৪৬১৬

আশরাফিয়া লাইব্রেরী
হাবিব সুপার মার্কেট, রোড-৩, প্লট-১৩, মিরপুর-১০, ঢাকা-১২১৬।
মোবাইলঃ০১৭২৮৯৬৫৬৬৮,০১৬৬৬৩৬৯৫৫০

রাহমানিয়া লাইব্রেরী এন্ড স্টেশনারী
৭৩, সাত মসজিদ সুপার মার্কেট, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭।
মোবাইল: ০১৮৪০৯৯৪৮১৬,০১৬১৬৮৮২৪০৯

মাকতাবাতুল আযহার
৩৪,৩৫,৩৬ যাত্রাবাড়ী মাদরাসা কিতাব মার্কেট, কুতুবখালী, ঢাকা।
মোবাইল:০১৯৭৫০২৩১১৮,০১৯১০০৪৮৬৮২

মাকতাবাতুর রহমান
২৫, যাত্রাবাড়ী মাদরাসা কিতাব মার্কেট, কুতুবখালী, ঢাকা-১২০৪।
মোবাইল:০১৯২০৮১৮৫৭০,১৭৩১১৮৮৭০১

মাকতাবাতুন নূর
১১/১ ইসলামী টাওয়ার ২য় তলা, বাংলাবাজার,ঢাকা।
মোবাইল: ০১৮৫৭-১৮৯১৪৪,০১৯৭১-৯৬০০৭১

মাকতাবাতুত তুল্লাব
ফরিদাবাদ মাদরাসা মার্কেট ২য় তলা ঢাকা।
মোবাইল: ০১৯১২১৭৫৩১৭

মাকতাবাতুত দাওয়া
উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টর লেকের দক্ষিণ দিকে। বাড়ি : ৫, রোড : ১১/এ।
মোবাইল: ০১৭৫৫৫৬৯৯৬৪, ০১৭৪৫৮৯৯৩৪৭

মাকতাবায়ে কাসেমী
আরজাবাদ, হরিরামপুর, মিরপুর১।

হক লাইব্রেরী
বিআরটিসি বাস ডিপু সংলগ্ন হক সুপার মার্কেট টেকনগ পাড়া, গাজীপুর।
মোবাইল:  ০১৯২০৮০৯৫৭৬