সাগর-রুনি হত্যা: ৭ বছরেও তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় ‘বিব্রত’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের ৭ বছর পর এখনো সে ঘটনার তদন্তের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তদন্তের চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার জন্য গত সাত বছরে ৬০ বারের বেশি সময় নিয়েছেন।

এবিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে সরকার আন্তরিক। আমরা প্রতিনিয়ত এ বিষয়ে খোঁজখবর রাখছি। আশা রাখি দ্রুতই এর একটা সমাধানে পৌঁছাতে পারবো। খুনিরা দ্রুত ধরা পড়বে। এই দীর্ঘ সময়েও এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আমি নিজেও বিব্রত বোধ করছি।’

সোমবার সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনির হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিতে গেলে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এই কথা বলেন।

দুপুর ২টার দিকে স্মারকলিপি দিতে যান সাংবাদিক নেতারা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সাংবাদিক নেতারা বলেন, আর কালক্ষেপণ না করে দ্রুততম সময়ে মামলার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে এবং প্রকৃত খুনিদের মুখোশ উন্মোচন করে তাদের গ্রেফতার করতে হবে। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি যে তারিখ নির্ধারিত রয়েছে সেই তারিখেই যেন আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল হয়। আর যেন সময় নষ্ট করা না হয় সেজন্য মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, ‘যে কোনও হত্যার বিচার পাওয়া নাগরিকের অধিকার। আর সেই অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বড় বড় হত্যা রহস্য উন্মোচন ও অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করেছে। সাগর-রুনি হত্যার কোনও কূল কিনারা তারা করতে পারবে না এটা আমরা বিশ্বাস করি না। কোন অদৃশ্য শক্তি বা বাধার কারণে এই হত্যার তদন্তের নামে বছরের পর বছর কালক্ষেপণ করা হচ্ছে সেটাই এখন বড় রহস্য।’

স্মারকলিপি দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ইলিয়াস হোসেন, সাধারণ সম্পাদক কবির আহমেদ খান, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল বারী, প্রচার ও প্রচাশনা সম্পাদক শেখ মাহমুদ এ রিয়াত, সাবেক সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশাহ।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রুনি নিজ বাসায় খুন হন। পরে রুনির ভাই নওশের আলম রোমান রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।



ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্স

ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্সদেশের প্রথম ইসলামী ঘরানার অনলাইন পত্রিকা ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে স্বল্পমেয়াদী সাংবাদিকতা কোর্স।অংশগ্রহণ করতে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে-০১৭১৯৫৬৪৬১৬এছাড়াও সরাসরি আসতে পারেন ইনসাফ কার্যালয়ে।ঠিকানা – ৬০/এ পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০।

Posted by insaf24.com on Monday, October 29, 2018


ঢাকার যেসব স্থানে পাওয়া যাচ্ছে হেফাজত নিয়ে প্রকাশিত ইনসাফের বিশেষ সাময়িকী

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


ঢাকার বিভিন্ন স্থানে পাওয়া যাচ্ছে দেশের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ১০ম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষ্যে ইসলামী ঘরানার অনলাইম পত্রিকা ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম প্রকাশিত বিশেষ সাময়িকী (প্রিন্ট ভার্সন)।

৪ পৃষ্ঠার বিশেষ সাময়িকীতে হেফাজতের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী নিয়ে রয়েছে বিশেষ প্রতিবেদন ‘১০ম বর্ষে হেফাজত’। প্রতিবেদনটিতে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাকালীন প্রেক্ষাপট থেকে শুরু করে নামকরণ, নেতৃত্ব, প্রথম কর্মসূচী, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় মহাসচিবের দায়িত্বকাল, ২০১৩ সালের ইসলামবিদ্বেষী শক্তির বিরুদ্ধে রাজপথে নেমে আসার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করা হয়েছে।

এছাড়াও রয়েছে হেফাজতের আমীর আল্লাম শাহ আহমদ শফী’র সাক্ষাৎকার। সাক্ষাৎকারে তিনি হেফাজতের প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ে তাঁকে নিয়ে উঠা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।

হেফাজতের সাফল্য-ব্যর্থতা নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদনে কথা বলেছেন সংগঠনের মহাসচিব শাইখুল হাদিস আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী। তিনি বর্ণনা করেছেন ৯ বছরে হেফাজতের সফলতা-সহ বিভিন্ন দিক।

অন্যান্য সংবাদের পাশাপাশি শেষ পৃষ্ঠায় রয়েছে মিডিয়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মাওলানা সালাহ উদ্দীন জাহাঙ্গীরকে নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।


যেসব স্থানে পাওয়া যাচ্ছে

ইনসাফ কার্যালয়
৬০/এ পুরানা পল্টন (৪র্থ তলা), ঢাকা ১০০০।
মোবাইলঃ ০১৭১৯৫৬৪৬১৬

আশরাফিয়া লাইব্রেরী
হাবিব সুপার মার্কেট, রোড-৩, প্লট-১৩, মিরপুর-১০, ঢাকা-১২১৬।
মোবাইলঃ০১৭২৮৯৬৫৬৬৮,০১৬৬৬৩৬৯৫৫০

রাহমানিয়া লাইব্রেরী এন্ড স্টেশনারী
৭৩, সাত মসজিদ সুপার মার্কেট, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭।
মোবাইল: ০১৮৪০৯৯৪৮১৬,০১৬১৬৮৮২৪০৯

মাকতাবাতুল আযহার
৩৪,৩৫,৩৬ যাত্রাবাড়ী মাদরাসা কিতাব মার্কেট, কুতুবখালী, ঢাকা।
মোবাইল:০১৯৭৫০২৩১১৮,০১৯১০০৪৮৬৮২

মাকতাবাতুর রহমান
২৫, যাত্রাবাড়ী মাদরাসা কিতাব মার্কেট, কুতুবখালী, ঢাকা-১২০৪।
মোবাইল:০১৯২০৮১৮৫৭০,১৭৩১১৮৮৭০১

মাকতাবাতুন নূর
১১/১ ইসলামী টাওয়ার ২য় তলা, বাংলাবাজার,ঢাকা।
মোবাইল: ০১৮৫৭-১৮৯১৪৪,০১৯৭১-৯৬০০৭১

মাকতাবাতুত তুল্লাব
ফরিদাবাদ মাদরাসা মার্কেট ২য় তলা ঢাকা।
মোবাইল: ০১৯১২১৭৫৩১৭

মাকতাবাতুত দাওয়া
উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টর লেকের দক্ষিণ দিকে। বাড়ি : ৫, রোড : ১১/এ।
মোবাইল: ০১৭৫৫৫৬৯৯৬৪, ০১৭৪৫৮৯৯৩৪৭

মাকতাবায়ে কাসেমী
আরজাবাদ, হরিরামপুর, মিরপুর১।

হক লাইব্রেরী
বিআরটিসি বাস ডিপু সংলগ্ন হক সুপার মার্কেট টেকনগ পাড়া, গাজীপুর।
মোবাইল:  ০১৯২০৮০৯৫৭৬