টাঙ্গাইলে ব্রিজ আছে রাস্তা নেই

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | ডেস্ক রিপোর্ট


নাগরপুরে ব্রিজের সঙ্গে রাস্তা না থাকায় প্রতিনিয়ত দুর্ভোগে পড়ছে এলাকাবাসী।

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ব্রিজ নির্মাণের দেড় বছর অতিবাহিত হলেও দুপাশে মাটি ভরাটসহ সড়ক সংযোগের কোন উদ্যোগ নেই। যদ্দরুন চরম দুর্ভোগে পড়েছে উপজেলার সাতটি গ্রামের হাজারো মানুষ।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, আশেপাশের প্রায় ৭টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ উপজেলা সদরে আসার জন্য দীর্ঘদিনের চাওয়া ছিল টাঙ্গাইল-আরিচা আঞ্চলিক মহাসড়কের নাগরপুর উপজেলার ভালকুটিয়া পাকার মাথা থেকে একটি পাকা রাস্তা ও নোয়াই নদীর উপর একটি ব্রিজ। নোয়াই নদীর উপর ব্রিজ নির্মিত হলেও দুর্ভোগ কমেনি এলাকাবাসীর। সংযোগ সড়ক নির্মিত না হওয়ায় তাদের ভোগান্তি আরও চরম আকার ধারণ করেছে। ব্রিজ নির্মিত হলেও তারা ব্রিজ ব্যবহার করতে পারছে না। তার উপর তাদের যে পায়ে হাটার রাস্তা রয়েছে সেটিও বর্ষা মৌসুমের ছয় মাস পানিতে ডুবে থাকে।

রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী চন্দনা আক্তার জানান, আগে ব্রিজ ছিল না, তখন যেভাবে নৌকায় ও কাপড় ভিজিয়ে রাস্তা পাড় হয়েছি ব্রিজ নির্মাণের পরও একই অবস্থা।

নাগরপুরে ব্রিজের সঙ্গে রাস্তা না থাকায় প্রতিনিয়ত দুর্ভোগে পড়ছে এলাকাবাসী।

নাগরপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের ৭ ওয়ার্ডের সদস্য মো. আলম হোসেন জানান, এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি ছিল ব্রিজ কিন্তু ব্রিজ নির্মিত হলেও এর কোন সুফল আমরা পাচ্ছি না। রাস্তা না থাকায় রোগী, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের যাতায়াত দুরহ হয়ে পড়েছে। মাটি ভরাটের কাজ নিয়ে এলাকাবাসী ও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জটিলতা বাধে। তারা অন্যের জমিতে বাংলা ড্রেজার লাগিয়ে বালু তুলতে গেলে জমির মালিক বাধা দেয়। এরপর ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মাটি ভরাট না করেই চলে যায়।

উপজেলা প্রকৌশলী অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ভালকুটিয়া থেকে আলোকদিয়া যাওয়ার পথে নোয়াই নদীর উপর ৭২.৬ মিটার ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু হয়। মের্সাস দাস ট্রেডার্স নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রায় ১ বছর পর ২০১৭ সালে নির্মাণ কাজ শেষ করে। ব্রিজ নির্মাণের পর ব্রিজের দুপাশে ২০০ মিটার করে মাটি ভরাট করার কথা থাকলেও মাটি ভরাট করা হয়নি। চলাচলের বিকল্প কোন রাস্তা না থাকায় ব্রিজের নিচ দিয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে এলাকাবাসী।

নাগরপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. শাহীনুর আলম বিষয়টি সম্পর্কে বলেন, ‌মামলা জটিলতার কারণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শেষ করতে পারেনি। আমরা নতুন করে মাটি ভরাটের জন্য টেন্ডার আহ্বান করবো। আর পাকা রাস্তা থেকে ব্রিজ পর্যন্ত একটি রাস্তার জন্য আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছি।



ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্স

ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্সদেশের প্রথম ইসলামী ঘরানার অনলাইন পত্রিকা ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে স্বল্পমেয়াদী সাংবাদিকতা কোর্স।অংশগ্রহণ করতে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে-০১৭১৯৫৬৪৬১৬এছাড়াও সরাসরি আসতে পারেন ইনসাফ কার্যালয়ে।ঠিকানা – ৬০/এ পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০।

Posted by insaf24.com on Monday, October 29, 2018


ঢাকার যেসব স্থানে পাওয়া যাচ্ছে হেফাজত নিয়ে প্রকাশিত ইনসাফের বিশেষ সাময়িকী

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


ঢাকার বিভিন্ন স্থানে পাওয়া যাচ্ছে দেশের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ১০ম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষ্যে ইসলামী ঘরানার অনলাইম পত্রিকা ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম প্রকাশিত বিশেষ সাময়িকী (প্রিন্ট ভার্সন)।

৪ পৃষ্ঠার বিশেষ সাময়িকীতে হেফাজতের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী নিয়ে রয়েছে বিশেষ প্রতিবেদন ‘১০ম বর্ষে হেফাজত’। প্রতিবেদনটিতে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাকালীন প্রেক্ষাপট থেকে শুরু করে নামকরণ, নেতৃত্ব, প্রথম কর্মসূচী, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় মহাসচিবের দায়িত্বকাল, ২০১৩ সালের ইসলামবিদ্বেষী শক্তির বিরুদ্ধে রাজপথে নেমে আসার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করা হয়েছে।

এছাড়াও রয়েছে হেফাজতের আমীর আল্লাম শাহ আহমদ শফী’র সাক্ষাৎকার। সাক্ষাৎকারে তিনি হেফাজতের প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ে তাঁকে নিয়ে উঠা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।

হেফাজতের সাফল্য-ব্যর্থতা নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদনে কথা বলেছেন সংগঠনের মহাসচিব শাইখুল হাদিস আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী। তিনি বর্ণনা করেছেন ৯ বছরে হেফাজতের সফলতা-সহ বিভিন্ন দিক।

অন্যান্য সংবাদের পাশাপাশি শেষ পৃষ্ঠায় রয়েছে মিডিয়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মাওলানা সালাহ উদ্দীন জাহাঙ্গীরকে নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।


যেসব স্থানে পাওয়া যাচ্ছে

ইনসাফ কার্যালয়
৬০/এ পুরানা পল্টন (৪র্থ তলা), ঢাকা ১০০০।
মোবাইলঃ ০১৭১৯৫৬৪৬১৬

আশরাফিয়া লাইব্রেরী
হাবিব সুপার মার্কেট, রোড-৩, প্লট-১৩, মিরপুর-১০, ঢাকা-১২১৬।
মোবাইলঃ০১৭২৮৯৬৫৬৬৮,০১৬৬৬৩৬৯৫৫০

রাহমানিয়া লাইব্রেরী এন্ড স্টেশনারী
৭৩, সাত মসজিদ সুপার মার্কেট, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭।
মোবাইল: ০১৮৪০৯৯৪৮১৬,০১৬১৬৮৮২৪০৯

মাকতাবাতুল আযহার
৩৪,৩৫,৩৬ যাত্রাবাড়ী মাদরাসা কিতাব মার্কেট, কুতুবখালী, ঢাকা।
মোবাইল:০১৯৭৫০২৩১১৮,০১৯১০০৪৮৬৮২

মাকতাবাতুর রহমান
২৫, যাত্রাবাড়ী মাদরাসা কিতাব মার্কেট, কুতুবখালী, ঢাকা-১২০৪।
মোবাইল:০১৯২০৮১৮৫৭০,১৭৩১১৮৮৭০১

মাকতাবাতুন নূর
১১/১ ইসলামী টাওয়ার ২য় তলা, বাংলাবাজার,ঢাকা।
মোবাইল: ০১৮৫৭-১৮৯১৪৪,০১৯৭১-৯৬০০৭১

মাকতাবাতুত তুল্লাব
ফরিদাবাদ মাদরাসা মার্কেট ২য় তলা ঢাকা।
মোবাইল: ০১৯১২১৭৫৩১৭

মাকতাবাতুত দাওয়া
উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টর লেকের দক্ষিণ দিকে। বাড়ি : ৫, রোড : ১১/এ।
মোবাইল: ০১৭৫৫৫৬৯৯৬৪, ০১৭৪৫৮৯৯৩৪৭

মাকতাবায়ে কাসেমী
আরজাবাদ, হরিরামপুর, মিরপুর১।

হক লাইব্রেরী
বিআরটিসি বাস ডিপু সংলগ্ন হক সুপার মার্কেট টেকনগ পাড়া, গাজীপুর।
মোবাইল:  ০১৯২০৮০৯৫৭৬