সিলেটে ‘আল্লামা হোসাইন আহমেদ মাদানী চত্বর’ উদ্বোধন

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন, বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সিপাহসালার, হযরত মাওলানা সৈয়দ হুসাইন আহমদ মাদানীর (রহ.)
স্মরণে সিলেট নগরীর নয়াসড়ক চত্বরের নতুন নামকরণ করা হয়েছে ‘মাদানী চত্বর’।

রোববার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও মাওলানা সৈয়দ হুসাইন আহমদ মাদানীর (রহ.) পুত্র মাওলানা সৈয়দ আসজাদ মাদানী (রহ.) এ চত্বরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

এর আগে নয়াসড়ক জামে মসজিদে মাগরিবের নামাজ আদায় শেষে আগত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে বয়ান পেশ করেন তিনি।

এরপর দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

এদিকে চত্বরের উদ্বোধন শেষে সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, সিলেটের ইসলামী মূল্যবোধ বিকাশের ইতিহাসে উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন মাওলানা হুসাইন আহমদ মাদানীর নাম এখনো ঘরে ঘরে। উপমহাদেশের এই ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের সাথে নয়াসড়ক জামে মসজিদের অনেকদিনের স্মৃতি বিজড়িত।

তিনি জানান, ১৯২২ সাল থেকে হুসাইন আহমদ মাদানী সিলেটের সঙ্গে সম্পর্কিত হন। প্রথম দিকে একটানা তিন বছর অবস্থান করেন। পরে ১৯৪৭ পূর্ববর্তী সময়ে প্রতিবছর রমজান মাসে সিলেট আসতেন। তাঁর কেন্দ্র ছিল ঐতিহাসিক নয়াসড়ক জামে মসজিদ। আজও এই প্রখ্যাত আলেমের স্মৃতি সিলেট নগরীতে সজীব রয়েছে। আমরা সকলের পবিত্র আবেগের প্রতি সম্মান পোষণ করি। তাই তাঁর স্মৃতি সংরক্ষণের জন্যই নয়াসড়ক পয়েন্টকে ‘মাদানী চত্বর’ নামে নামকরণ করা হয়েছে।


কাশ্মীর ইস্যু : পাকিস্তানি পণ্যে ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ ভারতের
ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৯
ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | আন্তর্জাতিক ডেস্ক


সমুদ্র বন্দরে নোঙ্গর করা পণ্যবাহী জাহাজ। ছবি: এনডিটিভি

কাশ্মীরে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্বাধীনতাকামীদের হামলার ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানের সব ধরনের পণ্যের আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে ২০০ শতাংশ করেছে ভারত।

শনিবার সন্ধ্যায় এক টুইটে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান ভারতের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। খবর এনডিটিভির।

টুইটে তিনি বলেন, পুলওয়ামা ঘটনার পর পাকিস্তানকে দেওয়া ‘সবচেয়ে সুবিধাপ্রাপ্ত দেশ’র (এমএফএন) মর্যাদা প্রত্যাহার করেছে ভারত। প্রত্যাহারের পর পাকিস্তান থেকে ভারতে আমদানি করা সব ধরনের পণ্যের শুল্ক ২০০ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে।

দুই দেশের মধ্যে বৈষম্যহীন বাণিজ্যের জন্য বাণিজ্য অংশীদারদের এমএফএন সুবিধা দেওয়া হয়। ১৯৯৬ সালে পাকিস্তানকে এই মর্যাদা দিয়েছিল ভারত।

পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সংকট চলার সময় এই সুবিধা প্রত্যাহার করে নেওয়ায় দেশটি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে দাবি করেছে ভারতীয় সরকার। কিন্তু এনডিটিভি বলছে, দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বার্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ মাত্র দুইশ কোটি ডলারের কাছাকাছি হওয়ায় এই পদক্ষেপ অনেকটা প্রতীকি।

ভারত পাকিস্তান থেকে প্রধানত ফল, সিমেন্ট, চামড়া, রাসায়নিক ও মসলা আমদানি করে এবং দেশটিতে সূতিবস্ত্র, রঙ, রাসায়নিক, সব্জি, লোহা ও ইস্পাত রপ্তানি করে থাকে।