নিউজিল্যান্ডে মসজিদে হামলার ১৫ লাখ ভিডিও সরিয়ে ফেলেছে ফেসবুক | insaf24.com

নিউজিল্যান্ডে মসজিদে হামলার ১৫ লাখ ভিডিও সরিয়ে ফেলেছে ফেসবুক

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | আন্তর্জাতিক ডেস্ক


গত ২৪ ঘণ্টায় নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে হামলার ১৫ লাখ ভিডিও সরিয়ে ফেলেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ভিডিও সরাতে গিয়ে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

গত শুক্রবার (১৫ মার্চ) নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে হামলা চালায় খ্রিষ্টান সন্ত্রাসবাদী অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক ব্রেন্টন ট্যারান্ট। হামলার সময় ভিডিও গেম স্টাইলে মাথায় রাখা ক্যামেরার মাধ্যমে সেটি ফেসবুক লাইভ করে এই বর্বর খ্রিষ্টান সন্ত্রাসবাদী।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ রোববার টুইটারে দেয়া এক বার্তায় জানিয়েছে, তারা মসজিদে হামলার পর গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৫ লাখ ভিডিও সরিয়ে ফেলেছে। তাছাড়া নৃশংস সন্ত্রাসী হামলার সেই ভিডিও তাদের প্লাটফর্ম থেকে সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে ফেলতে কাজ করে যাচ্ছে ফেসবুক।

ফেসবুক নিউজিল্যান্ডের কর্মকর্তা মিয়া গারলিক বলেছেন, আমরা প্রযুক্তি ও মানুষের সাহায্য নিয়ে ওই ভিডিও সরিয়ে ফেলতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি।’ ভিডিও মুছে দেয়া ছাড়াও গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ১২ লাখ ভিডিও আপলোডে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

শুধু ফেসবুক নয় ইউটিউব ও টুইটার কর্তৃপক্ষও মসজিদে হামলার ছড়িয়ে পড়া সেই সহিংস ভিডিও ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে।

হামলার ভিডিও নিয়ে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্নও ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি ভিডিওটি সরিয়ে ফেলার জন্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি নিউজিল্যান্ডের আওতার বাইরে হলেও আমরা এই সমস্যা সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারব আশা করি।

আল নূর মসজিদের হামলার সময় তা ফেসবুকে লাইভ করা হচ্ছিল। আর সেটা করছিলেন খোদ হামলাকারী খ্রিষ্টান সন্ত্রাসবাদী। হামলার পর খুব দ্রুত সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, অনলাইন ভিডিও গেমের স্টাইলে একজন খ্রিষ্টান সন্ত্রাসবাদী স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র দিয়ে গুলি করছে।

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া সেই ১৬ মিনিটের ভিডিওতে দেখা যায়, হামলাকারী খ্রিষ্টান সন্ত্রাসবাদী মসজিদের ভেতরে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বেশ কয়েকটি বন্দুক নিয়ে গুলি ছুড়তে ছুড়তে সামনে আগাচ্ছিলেন। যারা তার হামলা থেকে বাঁচতে মাটিতে শুয়ে পড়েন তাদের খুঁজে খুঁজে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করছিলেন।