লক্ষ্মীপুরে ১০টাকার চালের কার্ড এক হাজার টাকায় বিক্রি : সমালোচনার ঝড়

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |

unnamedলক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার লামচর ইউনিয়নে হতদরিদ্রদের মাঝে ১০ টাকা মূল্যে চাল বিক্রি কার্ড এক হাজার টাকা করে বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এনিয়ে রামগঞ্জ উপজেলাব্যাপী সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

জানা যায়, উপজেলার লামচর ও চন্ডিপুর ইউপিতে ১০টাকা চাল বিক্রি ডিলারশীপ পায় লামচর ইউপির মেম্বার মোঃ শামসুল ইসলাম এবং পরিসংখ্যান কর্মকর্তা সরকার হুমায়ুন তদারকি দায়িত্ব পায়। পরিসংখ্যান অফিসের ভুলের কারনে দুই ইউনিয়নে ২৯০ টি কার্ড পেয়ে সেপ্টেম্বর মাসে ডিও নিয়ে চাল উত্তোলন করে নাম মাত্র কার্ডদারীদের মধ্যে বিতরন করে।

উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসকের সার্বিক সহযোগীতায় দুই ইউনিয়নে আরো ১৪০০ কার্ড বরাদ্ধ হয়। নতুন কার্ড বরাদ্ধের সংবাদ পেয়ে কয়েকজন ব্যক্তি এক হাজার টাকা মুল্যে কার্ড বিক্রি শুরু করে।

এলাকাবাসী জানায়, লামচর ইউপি স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি রুবেল হোসেন প্রকাশ নাপা রুবেল বিঞ্চভল্লবপুর গ্রামের মিজান, হারুন, সুমন, মনু, হোসেনের কাছ থেকে প্রতি কার্ডের মুল্য এক হাজার টাকা করে আদায় করেছে।

স্থানীয় ইউনিয়ন মেম্বার মহসিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মানুষ টাকা দিচ্ছে বলেই তো নিচ্ছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত রুবেল হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এদিকে চন্ডিপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কামাল হোসেন ভুইয়া বলেন, ডিলার শামসুল ইসলাম নাম মাত্র কার্ডদারীদের মধ্যে চাল বিক্রি করেছে।

প্রতি কার্ডে তিনশত টাকার নিয়ে ৩০কেজির স্থলে ২৫/২৬ কেজি চাল দিয়েছে।

ডিলার শামসুল ইসলাম বলেন, চন্ডিপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কামাল ভুইয়া তার পরিষদের মেম্বারগনদের দিয়ে হিসেবে করে কার্ডদারীদের চাল ট্রলিতে করে নিয়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে দেওয়ায় তালিকা মোতাবেক কার্ডদারীদের মধ্যে সঠিক ভাবে কার্ড বিক্রি করছি। সাধারন মানুষের কাছে কার্ড বিক্রি করা হচ্ছে না হচ্ছে তা আমার জানার বিষয় নয়।

উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোঃ আবু ইউসুফ বলেন, অনিয়মের অভিযোগে সম্প্রতি ভাদুর-ইছাপুর ইউপির ডিলার আবুল খায়ের পাটোয়ারী এবং দরবেশপুর-করপাড়া ইউনিয়ন ডিলার হাসান তারেক এর ডিলারশীপ বাতিল করা হয়েছে। চন্ডিপুর ইউপির চেয়ারম্যানের অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে। সত্যতা প্রমানিত হলে শামসুল ইসলামেরও ডিলারশীপ বাতিল করা হবে।