মুম্বাইয়ে দেহব্যবসা চক্র থেকে বাংলাদেশী যুবতী উদ্ধার

2311_20-sex-racketমুম্বাইয়ে জোর করে দেহব্যবসায় নামানো হয়েছিল এক বাংলাদেশী যুবতীকে। থানে ক্রাইম ব্রাঞ্চ ও এনজিও রেসকিউ ফাউন্ডেশনের সদস্যরা বৃহস্পতিবার সেখানে অভিযান চালিয়ে ওই যুবতীকে উদ্ধার করেছে। এ সময় গ্রেপ্তার করা হয়েছে এ চক্রের তিন সদস্যকে। এর মধ্যে রয়েছে মুম্বইয়ের এক দম্পতি ও তাদের বাংলাদেশী এক এজেন্ট। গ্রেপ্তার করা ওই দম্পতি হলো শাহিদ আনসারী (২৯), তার স্ত্রী ডালিয়া (২৪)। বাংলাদেশী এজেন্টের নাম বাবু আলী আজগর খান (৪০)। উদ্ধার করা যুবতীকে পাঠানো হয় মেডিকেল পরীক্ষার জন্য।

ভারতের একটি মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরে বলা হয়, একটি অভিজাত হোটেলে ভাল কাজ দেয়ার প্রলোভনে মুম্বই নিয়ে যাওয়া হয় ওই বাংলাদেশী যুবতীকে। কিন্তু সেখানে নেয়ার পরই তাকে বাধ্য করা হয় দেহব্যবসা করতে। এ খবর পেয়ে পুলিশ বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত পৌনে ১২টার দিকে ভিবান্দি বাইপাস এলাকায় শঙ্কর মন্দিরের কাছে সোনা মেট্রি চাওল-এর এক নম্বর রুমে অভিযান চালায়।

এ বিষয়ে রেসকিউ ফাউন্ডেশনের তদন্তকারী কর্মকর্তা নিতিন মুঙ্গেকার বলেন, আমরা আগেই খবর পেয়েছি বাংলাদেশী এক সংখ্যালঘু যুবতীকে নিয়ে আসা হয়েছে। তাকে বিক্রি করে দেয়ার মতো অবস্থায় চলে গিয়েছে পরিস্থিতি। ফলে আমরা অভিযান চালাই। সেখান থেকে ওই যুবতীকে উদ্ধার করি এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তার করি। উদ্ধার করা যবিতী বলেছে তাকে সাত মাস আগে মুম্বই নিয়ে যাওয়া হয় ভাল হোটেলে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে। কিন্তু ভারতে নেয়ার পর তাকে মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। জোর করে নামানো হয় দেহ ব্যবসায়। বৃহস্পতিবার তাকে বিক্রি করে দেয়ার পরিকল্পনা ছিল আনসারির।

ড্যান্স বারগুলোতে সে নাচতে না চাইলে তাকে প্রহার করা হতো। তার এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে মেডিকেল পরীক্ষা করে পায়ে ক্ষতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ওই হোটেলে বৃহস্পতিবার তাকে বিক্রি করে দেয়ার সব আয়োজন সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ক্রেতা দালালরা পালিয়ে যায়। সিনিয়র ইন্সপেক্টর শাকিল শেখ বলেছেন, অভিযান চালিয়ে আমরা তাদের কাছ থেকে ৩৮ হাজার ৩০০ রুপি ও তিনটি মোবাইল ফোন জব্দ করেছি।