জানুয়ারি ২৪, ২০১৭

এই বিজয় দামালের..

এই বিজয় দামালের..

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |

 

ফারুক আজিজ

 

এই বিজয় দামালের..
ফারুক আজিজ

অত্যাচার আর নিপীড়নের আগুনের ভেতরে
বসবাস করেছিলো বাংলার শিশু থেকে বণিতা।
ভাষার বৈষম্যে আর সাম্প্রদায়িকতার যাঁতাকলে
বাংলার আকাশ থেকে উবে গিয়েছিলো মানবতা।

হঠাত সাত-ই মার্চে রেসকোর্স ময়দান গর্জে উঠলো,
প্রতিটি হৃদয়ে প্রাণ সঞ্চার হলো স্বাধিকার, স্বাধীনতার;
ছাব্বিশে মার্চ কালুরঘাট থেকে শহীদ জিয়ার তূর্যধ্বনি

শহর- বন্দর, গ্রাম-মফস্বল কাঁপিয়ে উঠলো একতার;
এই আন্দোলন স্বাধীনতার, এই আন্দোলন জনতার।
নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, নয় মাস বাংলা ছিলো অবরুদ্ধ।

বাংলার মা- মাটি রক্তের ছোপ ছোপ দাগ হৃদয়ে এঁকে
ষোল-ই ডিসেম্বরের বিকেলে অর্জিত হলো বিজয়, বিজয়।
রচিত হলো সবুজাভ মানচিত্র আর লাল সবুজ পতাকা।
আকাশে বাতাসে উল্লসিত বিজয়, বিজয়; বিজয়ের রেখা।

এই বিজয় শুধু মুজিব, জিয়া, ওসমানী ও ভাসানীর নয়।
এই বিজয় বাংলা মাটির মা-বোনের ও দামালদেরও হয়।


বিজয় নিশান

ফারুক আজিজ

রক্তের সাঁকো পাড়ি দিয়ে দিয়ে,
তারুণ্যের প্রতিক ‘লাল’ ছিনিয়ে,
বুলেটের আঘাত বুক পেতে পেতে,
মেশিনের নল কলিজায় গেঁথে;
এনেছে সেদিন বিজয় নিশান।

মায়ের আর্তনাদের নোনতা পানি,
বোনের সম্ভ্রমের পুত:পবিত্র ঐ খনি,
ভায়ের লাশের প্রতিদানের ফলে,
বাবার নিরেট আরাধনার পুত:বলে;
খুলেছে সেদিন বিজয় বিতান।।

মুজিবের ভাষণের চেতনা শক্তিতে,
শহীদ জিয়ার জাগ্রত তূর্যধ্বনিতে,
ভাসানির ইখলাসের একনিষ্ঠতায়,
ওসমানীর রণকৌশলের দৃঢ়কায়;
এসেছে সেদিন আলোর বাণ।

দামাল ছেলেদের স্বপ্নে স্বপ্নে আঁকা,
পতপত করে উড়ছে নূতন পতাকা।
আকাশে-বাতাসে হর্ষৌল্লাসের রেখা,
সে আমার অর্জিত লাল-সবুজ পতাকা।
এসেছে সেদিন ভ্রাতৃত্বের টান।।