স্টার জলসাসহ দেশীয় সংস্কৃতি বিরোধী সকল চ্যানেল বন্ধ করতে হবে: প্রিন্সিপাল হাবীবুর রহমান

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর প্রিন্সিপাল আল্লামা হাবীবুর রহমান বলেছেন, দেশের তরুণ ও যুবসমাজের নৈতিক চরিত্রকে নষ্ট করতে এদেশে স্টার জলসাসহ ভারতের কয়েকটি চ্যানেল আমাদের দেশে চালু রয়েছে যা দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধ্বংসের পায়তারা করছে তা কোনোভাবে এদেশে চলতে দেয়া যায় না।

তিনি ভারতীয় কুরুচিপূর্ণ মানসিকতায় গড়ে উঠা কিছু চ্যানেলের মাধ্যমে তাদের আদর্শ ও সমাজ ব্যবস্থা আমাদের উপর চাপিয়ে দেয়ার তীব্র নিন্দা জানান এবং এগুলো বন্ধের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবী জানান।

গতকাল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময়  সভায় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা ইসমাঈল নূরপুরী, নায়েবে আমীর মাওলানা আফজালুর রহমান, মাওলানা রেজাউল করীম জালালী, মাওলানা আলী উসমান, মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ, মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা কোরবান আলী কাসেমী, মাওলানা বদিউজ্জামান, মাওলানা আব্দুল আজীজ, মাওলানা জি এম মেহেরুল্লাহ, অফিস ও বায়তুলমাল সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা এনামুল হক নূর, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা মুহসিনুল হাসান, সহকারী প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা হারুনুর রশীদ ভূঁইয়া, নির্বাহী সদস্য মাওলানা সিরাজুল ইসলাম সিরাজী, মাওলানা হোসাইন আহমদ, মুহাম্মদ শাহাবুদ্দীন, হাফেজ শহীদুর রহমান, মুফতী হাবীবুর রহমান কাসেমী, মাওলানা আব্দুন নূর, মুহাম্মদ আব্দুর রহীম, মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ, মাওলানা মুখলিসুর রহমান কাসেমী, এডভোকেট শেখ শোয়াইব আহমদ, ঢাকা মহানগরী সাধারণ সম্পাদক মাওলানা এনামুল হক মূসা প্রমুখ।

তিনি আরো বলেন, মহানবী সা. পৃথিবীতে এসেছেন মৃর্তি ও বাদ্যযন্ত্রকে ধ্বংস করতে। মুসলিম সংখ্যগরিষ্ট দেশ বাংলাদেশ। অথচ দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের সামনে গ্রীকনারীর মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে, যা এদেশের সংখ্যা গরিষ্ট নাগরিকের চেতনা ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির পরিপন্থি। এটা দেশপ্রেমিক তাওহীদি জনতা কখনো বরদাস্ত করবে না।

কারণ এদেশ ও মুসলমানের সস্কৃতিতে মূর্তির কোনো অস্তিত্ব নেই। সুতরাং অবিলম্বে মূর্তি সরাতে হবে। অন্যথায় এর বিরুদ্ধে দূর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

তিনি আরো বলেন, জাতীয় পাঠ্য-পুস্তকে ইতিবাচক যে পরিবর্তন হয়েছে তা প্রশংসার দাবী রাখে তবে এজাতীয় আরও অনেক বিষয় পরিবর্তন করা হয়নি যা পরিবর্তন করা আবশ্যক, অন্যথায় জাতীয় পাঠ্য-পুস্তক এদেশ ও জাতীর কোনো উপকার বয়ে আনবে না। তা থেকে এদেশের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা দেশৗয় শিক্ষা-সস্কৃতিতো পাবেই না বরং তাদেরকে বিজাতীয় সংস্কৃতিতে গড়ে তোলা হবে।

তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, গুটি কয়েক নাস্তিক ও ধর্ম-বিরোধী মানসিকতার লোকের কথায় এদেশের সংখ্যা গরিষ্ট মানুষের কলিজায় আঘাত করবেন না। অন্যথায় সরকারের জন্য ভালো ফলাফল বয়ে আনবে না ।