সুপ্রিমকোর্ট চত্ত্বরে স্থাপিত গ্রীস দেবীর মূর্তি অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |

অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ (ফাইল ছবি)

দেশের সর্বোচ্চ আদালত প্রাঙ্গণে স্থাপিত গ্রীস দেবীর মূর্তি অবিলম্বে অপসারণের দাবি জানিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেছেন,  ৯২ ভাগ মুসলমানের দেশে মূর্তি স্থাপন করে সাম্প্রদায়িকতা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে ঈমানদার জনতা তা রুখে দিতে বাধ্য হবে।

তিনি বলেন, মুসলিম বিরোধী চিন্তা চেতনা অনুযায়ী গ্রীস দেবীর মূর্তির স্থাপন করে দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য একটি মহল উঠেপড়ে লেগেছে।

অধ্যক্ষ ইউনুছ বলেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন রাসূলে কারীম সা.কে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন সত্য দীন তথা ইসলাম দিয়ে, যেন সকল মতাদর্শের উপর ইসলামকে বিজয় করা যায়। যুগে যুগে নবী ও রাসূল এসেছেন মূর্তিকে ভেঙ্গে দিয়ে মানুষকে শিরকমুক্ত করার জন্য। বাংলাদেশের ইতিহাসে অতীতেও সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে কোন মূর্তি ছিল না। হঠাৎ করে কে বা কারা দেশকে অকার্যকর করার জন্য মূর্তি স্থাপন করলো তা খুঁজে বের করতে হবে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। ৯২ ভাগ মুসলমানের দেশে এধরণের মূর্তি স্থাপন করার অর্থই হলো গায়েপড়ে ঝগড়া সৃষ্টি করে ঘোলাপানিতে মাছ শিকার করা। অবিলম্বে এই মূর্তি সরাতে হবে। অন্যথায় সর্বত্র আন্দোলন গড়ে উঠলে সরকারের আখের রক্ষা হবে না।

আজ বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মজলিসে আমেলা (কার্যনির্বাহী পরিষদ)-এর এক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, সহকারী মহাসচিব আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম, নগর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, উত্তর সভাপতি অধ্যক্ষ শেখ ফজলে বারী মাসউদ, এ্যাডভোকেট মুহা. আব্দুল মতিন, কে.এম আতিকুর রহমান, মাওলানা নেছার উদ্দিন, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, শায়খুল হাদীস মাওলানা মকবুল হোসাইন, মুফতি হেমায়েতুল্লাহ, আলহাজ্ব হারুন অর রশিদ, মাওলানা আতাউর রহমান আরেফী, মুফতি কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, বরকত উল্লাহ লতিফ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়াদুদ, আলহাজ্ব কে জি মাওলা, আলহাজ্ব জান্নাতুল ইসলাম প্রমুখ।