সাতকানিয়ায় সুকৌশলে ঘর চুরি; এলাকাবাসী শংকিত

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |

সাতকানিয়া উপজেলার ১০ নং কেঁওচিয়া ইউনিয়নের তেমুহানী গ্রামে থামছেনা সুকৌশলে ঘর চুরি করা। একের পর এক চুরির অভিযোগ পাওয়া গেলেও চোররা রয়েছে ধরা ছোঁয়ার বাইরে। ফলে দিন দিন বেড়েই চলছে অপকর্মের প্রাদুর্ভাব। চুরি আতংকে বিনিদ্র রাত্রী যাপন করছে এলাকাবাসী। আতংকের মাত্রা শীত মৌসুম আসলে আরো বেড়ে যায়। তীব্র শীতের রাতে যখন পুরো এলাকাবাসী একটু আগেভাগে ঘুমিয়ে পড়ে। ঠিক তখনই সন্ধ্যা নামতেই বাড়ীর লোকজন যখন ব্যস্ত থাকে, এই সুযোগে বাড়িতে ঢুকে খাটের নিচে লুকিয়ে থাকে চোর দলের কয়েকজন। বাড়ীর সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়ে, গভীর রাতে খাটের নীচ থেকে বের হয়ে সুকৌশলে চেতনা নাশক ঔষধ ব্যবহার করে, চুরি করে নিয়ে যায় স্বর্ণালংকার, মোবাই ফোনসহ মূল্যবান জিনিশপত্র। গত এক-দেড় বছর ধরে তেমুহানীসহ কেঁওচিয়া ইউনিয়নে বেশ কয়েক ডজন বাড়ীতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এইভাবে আশংকা হারে চুরি বৃদ্ধির ফলে এলাকাবাসীর মনে চেয়ারম্যান, মেম্বার ও পুলিশের ভুমিকা নিয়ে নানান প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

অনুরূপভাবে, শনিবার (২৮ জানুয়ারি) আনুমানিক রাত তিনটা নাগাত, উপজেলার কেঁওচিয়া ইউনিয়নের তেমুহানী চাঁন মিয়া চৌধুরী বাড়ীর বাসিন্দা হাফিজুর রহমান চৌধুরী টিপুর ঘর চুরি হয়। এসময় চোররা আলমারির লকার ভেঙ্গে তিন ভরি স্বর্ণালংকার, দুটি দামী মোবাইল ফোন ও একটি ব্যাংকের চেক বই নিয়ে যায়। যার সঞ্চয়ী হিসাব নং ৪১৮১, দিদারুল ইসলাম, ইসলামী ব্যাংক, কেরানীহাট শখা।

বাড়ীর মালিক হাফিজু রহমান চোধুরী টিপু ইনসাফ টুয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, গতরাতে বাড়িতে কোন পুরুষ সদস্য ছিলনা। এই সুযোগে চোররা আগেভাগে বাড়িতে ঢুকে পড়ে। আর গভীর রাতে সুকৌশলে আলমারির লকার ভেঙ্গে তিন ভরি স্বর্ণালংকারসহ বাড়ির মূল্যবান জিনিশ পত্র নিয়ে যায়। ভোর রাতে যখন আজানের সুরে আমার আম্মুর ঘুম ভেঙ্গে যায়, উঠে আলমারির লকার ও পিছনের দরজা খোলা অবস্থায় দেখতে পাই, সাথে সাথে চোর চোর করে চিল্লাচিল্লি করেও কোন লাভ হয়নি, কারণ তার অনেক আগেই চোররা পালিয়ে যায়। তিনি আরো বলেন, এই ব্যাপারে সাতকানিয়া থানায়, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ তাং ২৮-০১-২০১৭ ইং, নিবেদক : হাফিজুর রহমান চৌধুরী টিপু। এদিকে থানার অফিসার ইনসার্জ রফিকুল হোসাইন দ্রুত চুরির অভিযোগটি তদন্ত করতে আসার আশ্বাস দেন বলে তিনি আরো জানান