ঈমান নিয়ে বেঁচে থাকতে হলে কওমী মাদরাসার বিকল্প নেই : মাওলানা আরশাদ মাদানী | insaf24.com

ঈমান নিয়ে বেঁচে থাকতে হলে কওমী মাদরাসার বিকল্প নেই : মাওলানা আরশাদ মাদানী

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


ঈমান আমল নিয়ে বেঁচে থাকতে হলে মাদারিসে কওমি মাদরাসার বিকল্প নেই বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের প্রধান আওলাদে রাসুল সায়্যিদ আরশাদ মাদানী।

তিনি বলেন, কওমী মাদরাসা হচ্ছে দেশ জাতি ও সমাজের অন্যায়-অনাচারের বিরুদ্ধে সহীহ আকিদা বিশ্বাসের খাটি মানুষ গড়ার কারখানা। এখানে মানুষ আল্লাহকে চিনে, রাসুলকে (সা.) চিনে। সুতরাং ঈমান আমল নিয়ে বেঁচে থাকতে হলে মাদারিসে কওমি মাদরাসার বিকল্প নেই।

শুক্রবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) হবিগঞ্জ উমেদনগর মাদরাসার দশ সালা দস্তারবন্দী আন্তর্জাতিক মহাসম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি তার দির্ঘ বক্তব্যে আরো বলেন, যাদের উপর শরীয়ত কর্তৃক বিভিন্ন ধরনের হুকুকাত আর্পিত হয়েছে যদি তা পালনে সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তি সচেষ্ট না হন তাহলে তাদের জন্য রয়েছে পরকালে ভয়াবহ শাস্তি।

তিনি কোরআন হাদীসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, আমাদের প্রত্যেকেরই জীবন যাপনের প্রতিটি পর্যায়ে একে অপরের প্রতি বিভিন্ন দায়িত্ব কর্তব্য রয়েছে। অনেকে নিজের অধিকার ও প্রাপ্য ষোলআনা নিয়ে অন্যের অধিকার ও প্রাপ্য আদায়ে টালবাহানা করেন। বিক্রেতা যদি ক্রেতার কাছ থেকে ষোলআনা দাম নিয়ে ওজনে কম বা নিম্নমানের মাল সরবরাহ করে, নেতা যদি জনগণ থেকে ষোলআনা অধিকার নিয়ে জনগণকে তাদের পুর্ণ প্রাপ্য না দেন।

এভাবেই একজন মানুষ অন্য মানুষ থেকে তার ষোলআনা প্রাপ্য-অধিকার নিয়ে অপরকে তার প্রাপ্য-অধিকার থেকে বঞ্চিত করে বা কম দেয়, তাহলে ঐ কম প্রদানকরীকে জাহান্নামের ওয়াইল নামক স্থানে নিক্ষেপ করা হবে।



ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্স

ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্সদেশের প্রথম ইসলামী ঘরানার অনলাইন পত্রিকা ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে স্বল্পমেয়াদী সাংবাদিকতা কোর্স।অংশগ্রহণ করতে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে-০১৭১৯৫৬৪৬১৬এছাড়াও সরাসরি আসতে পারেন ইনসাফ কার্যালয়ে।ঠিকানা – ৬০/এ পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০।

Posted by insaf24.com on Monday, October 29, 2018


আফগান যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছে তালেবান : স্বীকার করলেন সাবেক মার্কিন জেনারেল
ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০১৯
ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | মুসলিম বিশ্ব ডেস্ক


আফগানিস্তানের যুদ্ধে তালেবান বিজয়ী হয়েছে বলে খোলামেলা ভাবে স্বীকার করেছেন মার্কিন কমান্ডো বাহিনী স্পেশাল ফোর্সেসের সাবেক কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডন বোল্ডাক। তিনি আরো বলেন, তালেবানের কাছে পরাজিত হওয়ার বিষয়টি এখনো আমেরিকা বুঝে উঠতে পারে নি।

আফগানিস্তানে মোতায়েন থাকা অবস্থায় পাঁচ বছরে তার বাহিনীর ৬৯ কমান্ডো নিহত হয়েছে। ‘ডগ ট্যাগ’ নামে পরিচিত নিহত সেনাদের পরিচয় চিহ্ন নিজ সংগ্রহে রেখেছেন সাবেক জেনারেল বোল্ডাক।

মার্কিন বাজে নীতি এবং ভুল কৌশলের কি রকম চড়া মূল্য মার্কিন সেনাদের দিতে হয়েছে তা স্মরণ করার জন্য নিহত সেনাদের পরিচয় চিহ্ন নিজের কাছে রেখেছেন বলেও জানান তিনি।

মার্কিন কমান্ডোদের যে নির্দেশ দেয়া হয়েছে তা পালন করেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। সঠিক ভাবে নির্দেশ পালন করেছে মার্কিন স্পেশাল ফোর্সেসের সেনারা এবং এটি করতে যেয়ে তাদের প্রাণ দিতে হয়েছে। তাদের অঙ্গহানি ঘটেছে। আর এ সবই ঘটেছে মার্কিন নীতি নির্ধারক এবং শীর্ষস্থানীয় সেনা নেতৃবৃন্দের ব্যর্থতার কারণে।

আরেক সাবেক মার্কিন সেনা কমান্ডার মেজর জেনারেল জেফ স্কলোসার বলেন, আফগানিস্তানে তার বাহিনীর ১৮৪ সেনা নিহত হয়েছে। ২০০৮ থেকে ২০০৯ সালে মাঝামাঝি পর্যন্ত আফগানিস্তানে মোতায়েন ১০১তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।