ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চললে এইডস-এর মরণ ছোবল হতে জাতি বাঁচতে পারবে: ড. খালিদ

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |

 

মাসিক আত-তাওহীদ পত্রিকার সম্পাদক ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন

ধর্মীয় অনুশাসন কঠোরভাবে মেনে চললে এইডস-এর মরণ ছোবল হতে জাতি বাঁচতে পারবে বলে অভিমত ব্যাক্ত করেছেন  চট্টগ্রাম ওমরগণি এম.ই.এস কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও মাসিক আত-তাওহীদ পত্রিকার সম্পাদক ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন পবিত্র কুরআনের আয়াত ‘ওয়াল্লাযিনাহুম লি ফুরুজিহিম হাফেযুন’ এর ব্যাখ্যায় উল্লেখ করে বলেছেন,  ঘাতক ব্যাধি এইচআইভি-এইডস মানব সভ্যতার প্রতি চ্যালেঞ্জ স্বরূপ। এটা এত মারাত্মক যে, সংক্রমিত হলে আরোগ্যের পথ সাধারণত খোলা থাকে না। সমকাম ছাড়াও নারী-পুরুষের অবাধ যৌন মিলনই এর উৎপত্তি স্থল। মানব জাতি যদি মহান প্রভূ আল্লাহকে ভয় করে ধর্মীয় অনুশাসন কঠোরভাবে মেনে যাবতীয় পাপাচার হতে নিজকে রক্ষা করার প্রয়াসী হয় এবং বিবাহের মাধ্যমে বৈধ পন্থায় জৈবিক চাহিদা পূরণে অভ্যস্ত হয়, তাহলে আসন্ন ধ্বংসযজ্ঞের হাত হতে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। Indian Council for Medical Research -এর অন্যতম প্রধান চিকিৎসক ড. প্রেম রামচন্দন বলেন, Here we are in an absolutely advantageous position; we know we can prevent it by sexual behaviour change. The idea being that before this becomes an unmanageable epidemic, it’s for caution.

“এইডস-এর বেলায় আমরা নিতান্ত সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছি। আমরা জানি, যৌন মিলনের রীতি পরিবর্তন দ্বারাই আমরা এটা প্রতিরোধ করতে পারি। এটা ব্যাপক মহামারীর আকারে বিস্তার লাভ করে আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার পূর্বেই সাবধানতা অবলম্বন আবশ্যক”

তিনি গতকাল ১৩ ফেব্রুয়ারী’২০১৭ ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার শেরপুরে মীর শাহাবুদ্দীন (রহ.) দারুল উলূম ইসলামিয়া মাদরাসার উদ্যোগে আয়োজিত ৩দিনব্যাপী তাফসীরুল কুরআন মাহফিলের ২য় দিবসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব নকথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, ভারতীয় চিকিৎসা বিজ্ঞানী যৌন মিলনের রীতি পরিবর্তন বলতে বৈধ পন্থায় যৌন মিলন তথা বিবাহের প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্বারোপ করেন। এখনই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ না নিলে এইড্স মহামারী আকার ধারণ করবে যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। আল্লাহর কাছে তাওবা করে যদি আমরা সৎপথে ফিরে আসি এবং বাকী জীবন ধর্মীয় অনুশাসন কঠোরভাবে মেনে চলি তাহলে এইচআইভি/এইড্স-এর মরণ ছোবল হতে আমাদের বাঁচাতে পারবো। ইসলাম ধর্মে কুস্বভাব বর্জন করে সৎস্বভাব অর্জনের প্রতি জোর তাগিদ দেয়া হয়েছে। পাপ বর্জন না করলে পাপের শাস্তি ভোগ করা ছাড়া গত্যন্তর নেই।