কাউন্সিলে সক্রিয় হচ্ছে বিএনপি

বিএনপি লোগোবিএনপির জাতীয় কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে সক্রিয় হয়েছে উঠেছে দলটির সব পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। বিশেষ করে যারা কেন্দ্রীয় কমিটির বিভিন্ন পদ পাওয়ার গ্রীন সিগন্যাল পেয়েছেন এবং চেষ্টা করলে যাদের পদ পাওয়া সম্ভাবনা রয়েছে তারা বেশী সক্রিয়। কোন কোন ক্ষেত্রে লবিং-তদবিরও চলছে। তবে এবার যোগ্যতা ও সক্রিয়তার বাইরে অন্য কিছু বিবেচনায় আনা হবে না বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছেন দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। সেকারণে অন্য সময়ের চাইতে এবার তদবির অনেকটা কম বলে জানা গেছে। আসছে ১৯ মার্চকে সম্ভাব্য তারিখ চিন্তা করে ৬ষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলের বিভিন্ন কাজ ইতিমধ্যেই শুরু করেছে দলটি।

জানা গেছে, বিগত সময়ে সরকারবিরোধী আন্দোলনে যেসব নেতারা সক্রিয় ছিলেন তাদেরকে রাখা হবে দলটির গুরুত্বপূর্ণ পদে। যারা নিষ্ক্রিয় ছিলেন তাদের অধিকাংশই বাদ পড়বেন এই কাউন্সিলে। এদিকে বিএনপি চাচ্ছে একজন নেতাকে একাধিক পদ না দিয়ে অন্য যোগ্যদেরও গুরুত্বপূর্ণ পদে এনে দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করার পাশাপাশি নেতাদেরও গতিশীল করতে। অতীতে ব্যর্থ হলেও এবার এ নীতি গ্রহণে এই বৃহৎ রাজনৈতিক দলটির হাইকমান্ড এখন পর্যন্ত অনমনীয়তা দেখাচ্ছেন।

২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বরের পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে বিএনপির গঠনতন্ত্র সংশোধনী কমিটি মাঠপর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর সুপারিশে ‘এক নেতার এক পদ’ নীতির উদ্যোগ নেয়। শেষ পর্যন্ত তা কার্যকর হয়নি।

এই প্রসঙ্গে কথা বলতে চাইলে স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. (অঃ) জেনারেল মাহাবুবর রহমান বলেন, দলের গঠনতন্ত্র সংশোধন করে ‘এক নেতার এক পদ’ নীতি কঠোরভাবে মেনে চললে বহু উদীয়মান নেতাকে বিভিন্ন পদে অন্তর্ভুক্ত করা সহজ হবে। এতে দল সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হবে। তবে এটি নিয়ে দলের ভেতর আলোচনা চললেও এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

এদিকে আগামী ১৯ মার্চ কাউন্সিলের জন্য তিন স্থানে অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছে বিএনপি। কাউন্সিলের সম্ভাব্য দিন নির্বাচনের পর নয়াপল্টন ও খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয় নেতাকর্মীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে। গতি এসেছে তৃণমূল পুনর্গঠনেও।

অন্যদিকে বিগত আন্দোলন ও দলীয় কর্মসূচিতে যারা সক্রিয় ছিলেন তাদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে চাঙ্গাভাব। একই কারনে নিষ্ক্রিয়, সুবিধাবাদীরা রয়েছেন বাদপড়া আতংকে। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর পদ রক্ষায় তাদের অনেকে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি দূরে থাক, বর্তমান অবস্থান ধরে রাখতেই মরিয়া তারা। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর সম্প্রতি সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছেন দলের যুগ্ম-মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান, মহানগর নেতা আবদুস সালামসহ অনেকেই। বিগত সময়ে যাদের দল থেকে বাদ দেয়া হয়েছিল, তাদের অনেকেই এবারের কমিটিতে স্থান পেতে পারেন। তাদের কেউ কেউ চেয়ারপারসনের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছেন।

বিএনপির নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, অতীতের মতো লবিং আর তদবির করে এবার গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়ার সম্ভাবনা কম। দলের প্রতি অনুগত, বিগত আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন এবং সাধারণ মানুষের কাছে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি রয়েছে- এমন নেতাদের এবার গুরুত্বপূর্ণ পদে আনা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেয়া হবে তরুণদের।

জানা গেছে ব্যাপক পরিবর্তন আসছে বিএনপির ৬ষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে। চেয়ারপারসনের নয়, এবার উপদেষ্টা পরিষদ হবে বিএনপির। অতীতের মতো এবার একই ব্যক্তি একাধিক পদ দখলে রাখার কোনো সুযোগ পাচ্ছেন না। এমনকি ভবিষ্যতে যারা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে আগ্রহী তাদেরও জেলা পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ না নিতে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে দলের গঠনতন্ত্রে আনা হচ্ছে প্রয়োজনীয় সংশোধনী। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন সম্ভব হলে দলের সঠিক নেতৃত্বের বিকাশ ঘটবে। পাশাপাশি নেতাকর্মীরাও সক্রিয় হতে আগ্রহ দেখাবেন বলে মনে করছেন তৃনমুল পর্যায়ের নেতাকর্মী।

জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, দীর্ঘদিন পর দলের কাউন্সিল হতে যাচ্ছে। সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে চাঙ্গাভাব। পদ পেতে প্রতিযোগিতাও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তিনি বলেন, বিগত দিনে যারা আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন তাদেরই নতুন কমিটিতে গুরুত্ব দেয়া হবে। বিশেষ করে তরুণদের আমরা প্রাধান্য দিতে চাই। নিষ্ক্রিয় ও সুবিধাবাদীদের পুরোপুরি বাদ দেয়া না হলেও গুরুত্বপূর্ণ পদ পাচ্ছেন এমনটা নিশ্চিত। স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য বলেন, তৃণমূলের মতামতকে গুরুত্ব দিয়েই নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন দলের চেয়ারপারসন। নেতৃত্ব বিকাশে এবার এক নেতারা এক পদ-এ বিধানটি গঠনতন্ত্রে রাখার পক্ষে দলের অধিকাংশ নেতা। চেয়ারপারসনেরও এতে মৌন সম্মতি রয়েছে।

তিনি বলেন, দলে নতুন মুখ আসাটা স্বাভাবিক। কারণ গুরুত্বপূর্ণ অনেক নেতা মারা গেছেন। আবার অসুস্থতার কারণে কেউ কেউ কাজ করতে পারছেন না। দলের প্রতি আনুগত্য রয়েছে এবং বিগত আন্দোলনে যারা রাজপথে ছিলেন তাদেরই নতুন কমিটিতে দেখা যাবে। নিষ্ক্রিয়তার কারণে কেউ বাদ গেলে তাতে দোষের কিছু নেই। তবে আমরা চাই সবাই দলের পক্ষে কাজ করুক।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এবার নির্বাহী কমিটির এক নম্বর ভাইস চেয়ারম্যান পদটিকে বেশ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। কোনো কারণে চেয়ারপারসন কারাগারে গেলে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দলের মূল ভূমিকা পালন করার কথা সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের। ওই পদে তারেক রহমান বর্তমানে দেশের বাইরে রয়েছেন। সেক্ষেত্রে এক নম্বর ভাইস চেয়ারম্যান পদটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ওই পদে একজন বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন লোককে বসাতে চাচ্ছেন খালেদা জিয়া। তবে এই পদের জন্য কেউ কেউ তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানের নাম প্রস্তাব করছেন। তবে এ বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, যোগ্য এবং ত্যাগীদের পদ দেয়া হলে কে বাদ পড়ল তা নিয়ে কারও কোনো অভিযোগ থাকবে না। নিষ্ক্রিয়ও অযোগ্যরা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলে নেতাকর্মীদের মাঝে হতাশা ও ক্ষোভ বাড়বে। তিনি বলেন, দলের চেয়ারপারসনের মনোভাব দেখে মনে হচ্ছে, এবার অযোগ্য ও সুবিধাবাদী নেতারা সুবিধা করতে পারবেন না।

আগামী মার্চের কাউন্সিলকে সামনে রেখে বিএনপির গঠনতন্ত্র সংশোধনের কাজ চলছে। গঠনতন্ত্রের খসড়া সংশোধনীতে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা হাইকমান্ডের নির্দেশে ‘এক নেতার এক পদ’ নীতির একটি নতুন ধারা যুক্ত করছেন। অবশ্য গঠনতন্ত্র সংশোধনীতে যুক্ত করতে দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রতিও সুপারিশ আহ্বান করা হবে। মাঠ নেতাদের যুগোপযোগী ও গ্রহণযোগ্য প্রস্তাবগুলো খসড়া গঠনতন্ত্রে অন্তর্ভুক্ত করে হাইকমান্ডের কাছে হস্তান্তর করবেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা।

মহানগর ও জেলার শীর্ষ পদে যেসব কেন্দ্রীয় প্রভাবশালী নেতা :

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বর্তমানে কৃষক দলেরও সভাপতি। একই সঙ্গে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি তিনি। এদিকে দলের আসন্ন জাতীয় কাউন্সিলে মির্জা আলমগীর পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব হতে যাচ্ছেন এটি প্রায় নিশ্চিত। চলমান দল পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় কৃষক দলের সভাপতি ও ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির পদে তিনি আর থাকছেন না।

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস দল ও আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক পদে রয়েছেন। স্থায়ী কমিটির অপর সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ঢাকা মহানগর বিএনপিরও অন্যতম সদস্য। দলের ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী পটুয়াখালী জেলা কমিটিরও সভাপতি। অপর ভাইস চেয়ারম্যান রাবেয়া চৌধুরী কুমিল্লা দক্ষিণ বিএনপির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।

দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টাদের মধ্যে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বন্দরনগরী চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি। আবদুল আউয়াল মিন্টু ঢাকা মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। শামসুজ্জামান দুদু চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটিরও সাধারণ সম্পাদক। ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু একই সঙ্গে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি। আহমেদ আজম খান টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি। এমএ মান্নান ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি। শওকত মাহমুদ কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সভাপতি। অধ্যাপক মাজিদুল ইসলাম খুলনা জেলা বিএনপির সভাপতি পদে রয়েছেন।

যুগ্ম মহাসচিবদের মধ্যে আমানউল্লাহ আমান ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তিনি একই সঙ্গে ঢাকা মহানগর বিএনপিরও সদস্য। মিজানুর রহমান মিনু রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি। মোহাম্মদ শাজাহান নোয়াখালী জেলা সভাপতি। বরকত উল্লাহ বুলু ঢাকা মহানগর বিএনপিরও সদস্য। রুহুল কবির রিজভী একই সঙ্গে দলের দপ্তর সম্পাদক।

ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকদের মধ্যে ফজলুল হক মিলন গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি। বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার বরিশাল মহানগর সভাপতি। খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মসিউর রহমান ঝিনাইদহ জেলা সভাপতি। রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু লালমনিরহাট জেলা সভাপতি পদে রয়েছেন।

কেন্দ্রীয় সম্পাদক ও সহ-সম্পাদকরা স্থানীয় বিভিন্ন পদে: বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বিভিন্ন সম্পাদকীয় পদে থাকা নেতাদের মধ্যে বিশেষ সম্পাদক নাদিম মোস্তফা রাজশাহী জেলা সভাপতি। প্রচার সম্পাদক জয়নুল আবদিন ফারুক সেনবাগ উপজেলা বিএনপির সভাপতি। যুববিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল যুবদলের সভাপতি। তিনি একই সঙ্গে ঢাকা মহানগর বিএনপিরও সদস্য। স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু নাটোর জেলা সভাপতি। শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন নরসিংদী জেলা সভাপতি। স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক হাবিব-উন-নবী খান সোহেল ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব। একই সঙ্গে তিনি স্বেচ্ছাসেবক দলেরও সভাপতি। ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী আহমেদ রুমী কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সভাপতি। স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক আবদুল হাই মুন্সীগঞ্জ জেলা সভাপতি। শিল্প বিষয়ক সম্পাদক একেএম মোশাররফ হোসেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা সভাপতি। সমবায় বিষয়ক সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ ঢাকা মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আবুল খায়ের ভূঁইয়া লক্ষ্মীপুর জেলা সভাপতি। তিনি একই সঙ্গে ঢাকা মহানগর বিএনপিরও সদস্য। মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম ঢাকা মহানগর বিএনপিরও সদস্য। মহিলা বিষয়ক সম্পাদক খালেদা রব্বানী মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।

সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু খুলনা মহানগর সভাপতি। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক লায়ন আসলাম চৌধুরী চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আহ্বায়ক।

সহ-শিল্পবিষয়ক সম্পাদক জহিরুল হক শাহজাদা মিয়া ফরিদপুর জেলা সভাপতি। সহ-পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক মোজাহার আলী প্রধান জয়পুরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি। সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক তৈমূর আলম খন্দকার নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি। সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক নিতাই রায় চৌধুরী মাগুরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক। সহ-সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সাহাবুদ্দিন আহমেদ ঢাকা মহানগর বিএনপিরও সদস্য।

কেন্দ্রীয় সহ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আমিন উর রশীদ ইয়াসিন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। সহ-শিল্প বিষয়ক সম্পাদক এমএ মালেক জাসাস সভাপতি। সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নুরী আরা সাফা মহিলা দলের সভানেত্রী। সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা। সহ-মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আবু সাঈদ খান খোকন ঢাকা মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক।

পিছিয়ে নেই নির্বাহী কমিটির সদস্যরাও :কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাইফুল ইসলাম বগুড়া জেলা সভাপতি। আফরোজা আক্তার খান রিতা মানিকগঞ্জ জেলা সভাপতি। শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী সিলেট মহানগর আহ্বায়ক। এম নাছের রহমান মৌলভীবাজার জেলা সভাপতি। জিকে গউছ হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। ওহিদুল ইসলাম বিশ্বাস চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক। আনোয়ার হোসাইন শ্রমিক দলের সভাপতি। শফিকুর রহমান কিরণ শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সভাপতি। আশিফা আশরাফি পাপিয়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সাধারণ সম্পাদক। কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল গাজীপুর জেলা সাধারণ সম্পাদক। সৈয়দ মোদারেছ আলী ইসা ফরিদপুর জেলা সাধারণ সম্পাদক। রাবেয়া সিরাজ মহিলা দলের সহসভাপতি। ওয়ারেছ আলী মামুন জামালপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। মইনুল ইসলাম শান্ত মানিকগঞ্জ জেলা সাধারণ সম্পাদক। হুমায়ুন কবির খান তাঁতী দলের সভাপতি। কাজী আবুল বাশার ঢাকা মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। এমএ কাইয়ুম ঢাকা মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। এসএ খালেক ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য। রফিকুল ইসলাম মাহতাব মৎস্যজীবী দলের সভাপতি। মীর সরফত আলী সপু স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক। মনির খান জাসাস সাধারণ সম্পাদক। শফিউল বারী বাবু স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক। ইয়াসমীন আরা হক মহিলা দলের সহ-সভাপতি। গাজী নুরুজ্জামান বাবুল পিরোজপুর জেলা সভাপতি। আলমগীর হোসেন পিরোজপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ বরিশাল উত্তর জেলা সভাপতি। আকন কুদ্দুসুর রহমান বরিশাল উত্তর জেলা সাধারণ সম্পাদক। রেহেনা আক্তার রানু ফেনী জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক। তকদির হোসেন মো. জসিম কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। মোস্তফা খান সফরী চাঁদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক।