‘কৃষিতে বরাদ্ধ কমতে থাকলে ভবিষ্যতে দেশে কৃষক পাওয়া যাবে না’

দেশের ৬০ ভাগ মানুষ কৃষি নির্ভর হলেও ১ জুন ঘোষিত জাতীয় বাজেটে কৃষি খাতে সবচেয়ে কম বরাদ্ধ দেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইসলামী কৃষক মজুর আন্দোলন।

ইসলামী কৃষক মজুর আন্দোলন এর কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম কবির এক বাজেট প্রতিক্রিয়ায় বলেন, দেশে কৃষি উৎপাদন ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেলে দারিদ্রের হার ০.৪১ শতাংশ হ্রাস পায়। আর কৃষি বহির্ভূত খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে দারিদ্র্য হ্রাস পায় ০.২ শতাংশ। অর্থৎ কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি অন্যান্য খাতের প্রবৃদ্ধির তুলনায় দ্বিগুণ হারে বৃদ্ধি পায়। এর পরেও কৃষিখাতে সর্বনিন্ম বরাদ্ধের অর্থ কৃষি কাজে দেশের কৃষকদেরকে নিরুৎসাহিত করার ছাড়া আর কিছুই নয়।

শহিদুল ইসলাম কবির বলেন, চীন সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশ কৃষিতে প্রচুর ভর্তুকি দিয়ে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও বাংলাদেশ সরকারের সে বিষয়ে কোনো ভাবনা আছে বলে মনে হয় না।

বাজেটে কৃষিতে বরাদ্ধ কম থাকায় কৃষি উৎপাদনের সঙ্গে উৎপাদন খরচ বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে পানি সেচ, বীজ, সার, শ্রমিকের মজুরী। অন্যদিকে কৃষিপণ্যের দাম কম হওয়ায় কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এজন্য কৃষিতে কৃষকরা দিনদিন আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে হয়তো সরকারের কৃষি অধিদপ্তর থাকবে কিন্তু কৃষি জমি ও কৃষক খুঁজে পাওয়া যাবে না। এজন্য কৃষিতে বরাদ্ধ বৃদ্ধি করতে হবে।

তিনি প্রকৃত কৃষকদেরকে সার, সেচ, বীজ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণের পদক্ষেপ গ্রহন ও কৃষি পণ্য ন্যায্যমূল্যে কৃষকদের নিকট থেকে সংগ্রহে উদ্যোগ নিতে সরকারের প্রতি দাবী জানান