মঙ্গল শোভাযাত্রা শয়তানী চক্রের ফাঁদ: মুফতী ফয়জুল্লাহ

মুফতি ফয়জুল্লাহইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতী ফয়জুল্লাহ বলেছেন, শয়তান মানবতার চিরশত্রু। শয়তানী চক্রান্তের ফাঁদ হয় বিচিত্র। শয়তান ও শয়তানের চেলাদের চূড়ান্ত টার্গেট হচ্ছে, বিভিন্ন কৌশলে মুমিনকে মুশরিক বানিয়ে, মুসলমানদের ঈমান ও চরিত্র ধ্বংস করে, তাদেরকে জাহান্নামের পথে ধাবিত করা। এই শয়তানী চক্রের অন্যতম ফাঁদ হচ্ছে নতুন আঙ্গিকে,অন্য মাত্রায় পরিচালিত কথিত মঙ্গল শোভাযাত্রা।

মুফতী ফয়জুল্লাহ আরো বলেন, কথিত মঙ্গল শোভাযাত্রা নামের এই যাত্রায়,মহান আল্লাহর সাথে বিদ্রোহ করে বিভিন্ন দেব-দেবীর মূর্তির সাথে পেঁচার মূর্তি বহন করা হয়। উল্লেখ্য, হিন্দু মত অনুযায়ী তাদের এক দেবতার নাম ছিল বিষ্ণু দেবতা। যার পত্নী হচ্ছে লক্ষ্মীদেবী। তাদের পাঁচ কন্যা বিশ্বাস করতো, সমস্ত মঙ্গলের মালিক হচ্ছে লক্ষ্মী দেবী। যার বাহন হলো ‘পেঁচা’। শয়তানী চক্র বিচিত্র উপায়ে বিভিন্ন দেব-দেবীর মূর্তির সাথে এই পেঁচার মূর্তিটিও ঢুকিয়ে দেয় মঙ্গল শোভাযাত্রা নামের আল্লাহ বিরোধী মিছিলে।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, পেঁচা কি বাংলায় কথা বলে? পেঁচা কি পান্তা ইলিশ খায়? পেঁচার সাথে মুসলমানদের কী সম্পর্ক? পেঁচার কি সম্পর্ক বাংলদেশ এবং আমাদের সংস্কৃতির সাথে?

মুফতী ফয়জুল্লাহ আরো বলেন, মুসলমান সূর্য পুজারীদের ন্যায় সূর্য উঠার অপেক্ষায় থাকতে পারে না। আমাদের ইবাদত যেন সূর্য পূজারীদের সাথে মিলে না যায় সে জন্য মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য উঠা আর ডুবার সময় নামাজ পড়তেও নিষেধ করেছেন। তাই একজন ঈমানদার প্রত্যুষে ফজরের নামাজ বাদ দিয়ে সূর্য উঠার সাথে সাথে সূর্য পুজারীদের সাদৃশ্য পুজার মত করে শিরক যুক্ত (আল্লাহর সাথে অংশীদারিত্ব-মূলক ) “অগ্নিস্মানে সুচি হোক ধরা” গান গেয়ে উঠতে পারে না। (অর্থাৎ আগুনে গোসল দিয়ে গোটা জগত পবিত্র হোক।) হিন্দু সম্প্রদায়ের মতে, আগুন পবিত্র করার ক্ষমতা রাখে। এ বিশ্বাস থেকে তারা মৃত্যুর পর আগুনে পুড়িয়ে তাদের লাশ পবিত্র করে!)

তিনি বলেন, শাখা সিঁদুর, পর নারী- পর পুরুষের অবাধ মেলামেশা, পর নারী পর পুরুষকে উল্কি এঁকে দেয়া এবং পর পুরুষ পর নারীকে উল্কি এঁকে দেয়াসহ অনেক অনৈসলামিক কাজ করা হয় প্রকাশ্যে,লাগামহীনভাবে। অর্থের অপচয় হচ্ছে , গরিব জনগোষ্ঠীর সাথে উপহাস করা হচ্ছে। এই প্রকশ্যে পাপাচার চলতে পারে না। সরকারকে এর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে ইসলাম বিরোধী এসব অপকর্ম সরাকারকেই বন্ধ করতে হবে।