কওমী-জগৎ এবং অন্তর্নিহিত সামাজিক শক্তির খতিয়ান (চতুর্থ পর্ব)

কওমী-জগৎ এবং অন্তর্নিহিত সামাজিক শক্তির খতিয়ান (চতুর্থ পর্ব)

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |

এবার আসুন, দেখি দেশের কওমী-মাদরাসাগুলোর কর্মসংস্থানের চিত্র। যদিও একটি বিস্তৃত পরিসংখ্যানের অভাবে আমরা স্তরভিত্তিক বিভিন্ন কওমী-মাদরাসার সংখ্যা নিরূপণে এখনো সক্ষম হই নি তবুও নিদেনপক্ষে একটি কাছাকাছি ধারণা নেয়ার চেষ্টা করতে পারি। দেশের সর্ববৃহৎ কওমী মাদরাসা বোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরবিয়ার নিজস্ব ওয়েবসাইটের তথ্যানুসারে তাদের অধীন মাদরাসার সংখ্যা ২০,০০০( বিশ হাজার)। এখানে অবশ্য সব মাদরাসা একই স্তরের নয়। স্পষ্ট কোন পরিসংখ্যান না থাকায় দাওরায়ে হাদীসের স্তর পর্যন্ত মাদরাসার সঠিক সংখ্যাও পাওয়া যায় নি। আবার সরকার কর্তৃক সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে দেশের কওমী মাদরাসার সংখ্যা ১৩,৯০২ (ক্লিক)। তবে বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো(ব্যানবেইস) এর সংগৃহীত তথ্যানুসারে মোট কওমি মাদ্রাসার মধ্যে ১২ হাজার ৬৯৩টি পুরুষ ও ১ হাজার ২০৯টি মহিলা মাদ্রাসা রয়েছে। এসব মাদ্রাসায় ১০ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩৬ জন ছাত্র ও তিন লাখ ৩৯ হাজার ৬১৬ জন ছাত্রী পড়াশোনা করছে। সারা দেশে শিক্ষক আছেন ৭৩ হাজার ৭৩১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬৬ হাজার ৯০২ জন এবং মহিলা ৬ হাজার ৮২৯ জন। এদিকে কওমী-মাদরাসার নতুন গঠিত সম্মিলিত বোর্ড হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ-এর সূত্রে জানা যায় বোর্ডের প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় দেশের ৭৩৭টি মাদ্রাসা থেকে ১৫ হাজার ৬৮৩ জন ছাত্র ও ৩ হাজার ৬৬৮ জন ছাত্রী দাওরায়ে হাদিস সমাপণী পরীক্ষায় অংশ নেন।

সরকারি হিসাবে মোট কওমী মাদরাসার যে সংখ্যা বলা হচ্ছে সেটাতে বিতর্ক আছে। কওমী-আলিমসমাজের মতে দেশে মোট কওমী মাদরাসার সংখ্যা আরো বেশি। যা হোক, নবগঠিত কওমী-শিক্ষাবোর্ডের তথ্য মোতাবেক এবারে তাদের অধীনে ৭৩৭টি মাদরাসার পরীক্ষার্থী সমাপণী পরীক্ষায় অংশ নেন। যদিও এর বাইরে আরো মাদরাসা রয়ে গেছে যারা নবগঠিত বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেয় নি বা নিতে পারে নি। আপাতত এই তথ্যমতে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৫,৬৮৩(ছাত্র)+৩,৬৬৮(ছাত্রী)= ১৯,৩৫১জন। যেহেতু এর বাইরেও আরো মাদরাসা রয়ে গেছে তাই আপাতত আমরা সমাপণী পরীক্ষায় অংশ নেয়া ( বোর্ডের ভেতরে ও বাইরে) মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ২০,০০০ ধরে নিচ্ছি। এ বিশ-হাজারের মধ্যে আমি ধরে নিলাম কর্মে যোগ দেয়া কওমী-ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা: ১৫০০+১০০০= ১৬০০( বিদেশগামী ছাত্র ও সংসারাবদ্ধ ছাত্রী বাদে)। তাহলে, এটা এখন মোটামুটি বলা যায়, ফী-বছর দেশের কওমী-মাদরাসাগুলো থেকে ১৬০০ ছাত্রছাত্রী বেরুচ্ছে এবং কওমী-মাদরাসা কর্তৃক সৃষ্ট কর্মপদে যোগ দিচ্ছে। এটা মেনে নিলে প্রমাণীত হবে কওমী-মাদরাসাগুলো ফী-বছর ১৬০০ কর্মপ্রত্যাশী জনশক্তিকে কর্মসংস্থান করে দিচ্ছে। এবার আসুন, এই ১৬০০ জনকে যদি কওমী-মাদরাসা কর্তৃপক্ষ কর্মসংস্থান করতে ব্যর্থ হতো তবে দেশের অর্থনীতিতে কী চাপ পড়তো? বলা যায়, ১৬০০ বেকার তৈরি হতো এবং দেশের অর্থনীতিতে বাড়তি-চাপ সৃষ্টি করতো। যুব মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান আমরা উপরে দেখে এসেছি। সূতরাং কথিত মূলধারার শিক্ষা যেখানে সরকারি অর্থের ভাগীদার হয়ে বছর-বছর জন্ম দিচ্ছে বিশাল-অঙ্কের বেকার সেখানে কেউ কি বলতে পারবেন কওমী অঙ্গনের ক’জন বেকার রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে? কেউ কি বলতে পারেন কওমী-অঙ্গনের কোন সন্তান বেকারত্বের গ্লানি সইতে না পেরে গলায় দড়ি দিয়েছিলো? বরঞ্চ কওমী-জগৎ তো নিজেদের কর্মসংস্থান করছেই উপরন্তু তাদের প্রতিষ্ঠানে সাধারণ বাংলা-ইংরেজি-অংক ইত্যাদি বিষয়গুলো পাঠদানে সাধারণ শিক্ষিতদেরও নিয়োগ দিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করছে যারা মূলত সরকারী বেকার-খাতের অংশ। কওমী-জগতের এই অর্থনৈতিক অবদানকে কি কেউ অস্বীকার করতে পারবে? জাতীয় উন্নয়নে এ অবদান কি ধর্তব্যের মধ্যে পড়ে না? নিঃসন্দেহে, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কওমী-জগতের এ অবদান অবশ্যই মূল্যায়নযোগ্য।

(গ) সামাজিক স্থিতিশীলতা: এটি ইংরেজিতে Social stability নামেই পরিচিত। এখানে আমরা সামাজিক স্থিতিশীলতা বলতে সমাজের বিভিন্ন অংশের মধ্যকার সম্প্রীতিমূলক বোঝাপড়াকে বুঝবো যা অস্থিতিশীল কোন পরিবেশকে হ্রাস বা বাধাগ্রস্ত করে। এর ফলে সমাজে অস্থিরতা কমে গিয়ে স্বস্থি ফিরে আসার পথ উম্মুক্ত হয়। আপনি প্রশ্ন করতে পারেন: কওমী আলিম-সমাজের এখানে কী ভূমিকা? আসুন তা হলে সেই জাওয়াব খুঁজি।
যারা বিশেষত গ্রামাঞ্চলে থাকেন, মফস্বলের সংস্কৃতির সাথে পরিচিত তাদের জন্য বিষয়টা সহজ। স্মর্তব্য, বাংলাদেশের জনসংখ্যার পরিসংখ্যান হিসাবে গ্রাম(Rural area) শহরের(Urban area) তুলনায় অনেক বেশি জনসংখ্যাসমৃদ্ধ। এখনও মনে করা হয়, দেশের জনসংখ্যার শতকরা ৯০ ভাগ মফস্বলে থাকে। স্বাভাবিকভাবেই এ থেকে ধারণা করা যায় মফস্বলের সামাজিক স্থিতিশীলতা পুরো দেশের সামাজিক স্থিতিশীলতার পরিচায়ক যদিও প্রচারমাধ্যম ও প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে শহুরে জীবনের চিত্র আলোচিত হয় বেশি।

কওমী মাদরাসাগুলোর অবস্থান সম্পর্কে যারা জানেন তাদের জন্য এটা বাহুল্যবিষয় যে, দেশের নব্বই শতাংশ মাদরাসা গ্রামীণ জনপদে অবস্থিত। ফলে গ্রামীণ জনপদের যে সমাজচিত্র অস্তিত্বশীল হয়ে আছে তার সাথে যৌক্তিকভাবে লেপ্টে আছে কওমী মাদরাসার শিক্ষক-ছাত্রদের জীবন ও জীবনপ্রভাবিত সামাজিক সংস্কৃতি। যেহেতু কওমী মাদরাসার শিক্ষক-ছাত্রেরা গ্রামীণ সমাজের জন্মগত ও অপরিহার্য উপাদান তাই গ্রামীণ সামাজিক স্থিতিশীলতার অনিবার্য নিয়ামক এই কওমী-জগত। উল্লেখ করতে হয়, সামাজিক স্থিতিশীলতা নির্মাণে ও রক্ষণে কওমী-জগৎ প্রধানত তিনটি বিষয়ে কাজ করে। বিষয় তিনটি হলো: ১. সমাজের বিভিন্ন অংশের সাথে সম্পর্কের সমন্বয়। ২. সমাজের সামনে বক্তব্য উপস্থাপন। এবং ৩. কওমী মাদরাসাকেন্দ্রিক বলয় নির্মাণ।

আগেই বলে এসেছি, কওমী-মাদরাসার সামাজিক ভিত্তি এখানকার চিরায়ত সমাজ ও সামাজিক সংস্কৃতির গভীরতার সাথে জড়িত। যেহেতু এখানকার শিক্ষক-ছাত্রছাত্রী এ সমাজ থেকেই উঠে আসে তাই তাদের জীবনাচারের সাথে কওমী-জগতের অনুশীলনের নিবিড় সম্পর্ক গড়ে ওঠে যা তথাকথিত মূলধারার শিক্ষায় পাওয়া যায় না। সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, কোন পাড়া বা এলাকার কওমী-মাদরাসা সেই এলাকার মানুষের আবর্তনের কেন্দ্রবিন্দু হিসাবে কাজ করে। ফলে সমাজের বিভিন্ন অংশের সাথে মাদরাসার একটি সমন্বয়মূলক সম্পর্কের সৃষ্টি হয়। ১৯৯১ সালে আমি ভারতের দেওবন্দে দেখেছি তৎকালীন বড়-হুজুর মুফতীয়ে আযম মুফতী মাহমূদ হাসান গাঙ্গোহী রহ.’র কাছ থেকে পানিপড়া নিতে দেওবন্দের মুসলিমদের সাথে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনও গ্লাস-বোতল ইত্যাদি নিয়ে আসতো। দেখতাম তাদের সবাই দারুল উলূম দেওবন্দ ঘুরে দেখার, সেখানকার শিক্ষকদের কাছ থেকে দোয়া নেয়ার, তাঁদের সাথে পরামর্শ করার একটা গরজ অনুভব করতো। অনেক হিন্দু-শিখকে দেখেছি খুব সকালবেলা দোহানো দুধ নিয়ে বিক্রি করতে চলে আসতো দেওবন্দ মাদরাসায়। দেওবন্দ মাদরাসার শিক্ষক-ছাত্রদেরকে তারা খুব সম্মান দেখাতো। ঠিক এই চিত্র কিছুটা পরিবর্তিত আকারে আমাদের এখানেও দেখা যায়। গ্রামাঞ্চলের বাসিন্দামাত্রেই জানেন, পাড়া বা গ্রামের কোন কওমী-মাদরাসা সেই এলাকার বিবিধ সম্মিলনের কেন্দ্র। গুরুত্বপূর্ণ কোন শলাপরামর্শ, বিবাহপূর্ব সামাজিক আচার যেমন: বিয়ের কথাবার্তা, বিয়ের আকদ ইত্যাদি জনসংগঠনমূলক কর্মকাণ্ড এলাকার কওমী-মাদরাসার মাঠে, মসজিদে বা গৃহে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, এসব অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পল্লীর তৃণমূলের সাথে কওমী-মাদরাসার শিক্ষক-ছাত্রের এমন এক সৌহার্দমূলক সম্পর্ক গড়ে উঠে যা পরস্পরের সাথে অবিচ্ছিন্নভাবে আবদ্ধ। এলাকার মানুষের ব্যক্তিগত সমস্যা, পারিবারিক সমস্যা, সামাজিক সমস্যা, ধর্মীয় সমস্যা নিরসনে মাদরাসার পরিচালক বা বয়স্ক শিক্ষকের কাছে গমনাগমনের মধ্য দিয়ে কওমী-মাদরাসার সাথে গ্রামীণ-সমাজের নিবিড় সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এখানে আরও একটি অভূতপূর্ব বিষয় সংযোজন করতে হয়। সেটি হলো, কওমী-মাদরাসাগুলোর মুষ্টিচাউল আহরণের ব্যবস্থা। তার আগে বলতে হয়, আমি আগেই বলে এসেছি, মক্তবভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থায় মক্তবের শিক্ষকদের জাগতিক বিনিময়ে নগদ অর্থের চেয়ে শস্য-প্রদান অগ্রাধিকার পেতো। তবে দিনিদিন চাষাবাদের হার হ্রাসের কারণে এখন অর্থটাই প্রাধান্য পাচ্ছে। কওমী-মাদরাসায়ও এই রীতির ব্যত্যয় ঘটে নি। ধান-শস্যের মওসুমে পল্লীর ঘরেঘরে ধান-শস্য তোলা এখনো দৃশ্যমান। এটাও পল্লীর মানুষের সাথে কওমী-মাদরাসাগুলোর সম্পর্ক রাখার এক প্রাচীনরীতি। তবে ধান-শস্য তো বারোমাস পাওয়া যায় না। তাই, যে ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে কওমী-মাদরাসার সাথে গ্রামীণ-সমাজের মাসওয়ারী রীতি বা সংস্কৃতি চালু থাকে তা হলো–মুষ্টি-চাউল সংগ্রহ ব্যবস্থা। অনেকেই জানেন না ‘মুষ্টি-চাউল’ কওমী-মাদরাসার এক বিস্ময়কর জনসংযোগ-ব্যবস্থা। আরও বিস্ময়কর হলো, এ ব্যবস্থায় পল্লীর নারী-সমাজের সম্পৃক্ততা। বলতে গেলে গ্রামীণ নারীসমাজকেও কওমী-মাদরাসা তাদের পাঠদানের ঐতিহাসিক ক্ষেত্রে সম্পৃক্ত করে রেখেছে মুষ্টি-চাউল রীতির মাধ্যমে। প্রতিদিনকার দু’বেলা ভাতের জন্য হাঁড়িতে যে চাল নেয়া হয় তা থেকে একমুঠো চাল আলাদা করে রেখে দেন ঘরের গৃহিণী বা কর্ত্রীরা মাদরাসার জন্য। নিত্যদিন জমা হয় দু’মুঠো চাল। আগে চালগুলো রাখতে মাদরাসা থেকে হাঁড়ি দেয়া হতো ঘরেঘরে। এখন গেরস্তরাই নিজ দায়িত্বে চাল জমা করে রাখেন। মাসশেষে যা জমা হয় প্রতিঘর হতে স্ব-স্ব এলাকার মাদরাসায় পৌঁছে দেয়া হয়। এবার ভাবুন, এমন করে যতো ঘর ততো ঘর থেকে মুঠিমুঠি চাল চলে যায় মাদরাসার খোরাকিখানায়। কি চমৎকার ব্যবস্থা! এর পেছনে আছে এক অভাবনীয় দর্শন। নিত্যদিন মাদরাসার জন্য দু’মুঠো চাল তুলতে গিয়ে নারীরাও মানসিকভাবে মাদরাসার প্রতি দায়িত্ববান হয়ে ওঠেন পরবর্তীতে যা পুরুষদের জন্য অনুপ্রেরণার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মুষ্টি-চাউলের এমন রীতির মাধ্যমে কওমী-জগৎ তার শেকড় যে সমাজের কতো গভীরে বিস্তৃত করেছে তাদের প্রভাব তা সহজেই অনুমেয়। এভাবে কওমী-জগৎ ও দেশের বৃহত্তর সমাজব্যবস্থা পরস্পর পরস্পরের পরিপূরক হিসাবে গড়ে উঠেছে। স্বাভাবিকভাবে কওমী-জগৎ সমাজের গভীরে থেকে নিজেদের চিরায়ত প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে সামাজিক স্থিতিশীলতা নির্মাণে ও রক্ষণে অবদান রাখতে সক্ষম হচ্ছে। এ ধরনের প্রভাবের কারণে সমাজের বিভিন্ন অংশের সাথে সম্পর্কের জেরে কওমী-জগৎ পারস্পরিক সমন্বয়ের কাজটা নিখুঁতভাবে করতে সক্ষম হয়। এখানেই কওমী-জগতের এক বিস্ময়কর সামাজিক শক্তি অস্তিত্বশীল হতে এবং ক্রমান্বয়ে বিকশিত হতে দেখা যায়। এই ভিত্তি আর চিত্র পৃথিবীর অন্য কোন শিক্ষাব্যবস্থা দেখাতে পারে নি। [চলবে]


জরুরী ঘোষণা: কেউ যদি ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এ প্রকাশিত ‘গবেষণা প্রতিবেদন’ বিভাগের কোন প্রবন্ধের কোন অংশ বা লাইন উদ্ধৃত করতে চান বা কোন তথ্য ব্যবহার করতে চান তবে তাঁদের কাছে সবিশেষ অনুরোধ যে, তাঁরা অনুগ্রহপূর্ক প্রবন্ধ, লেখক এবং ইনসাফ-এর সূত্র ব্যবহার করবেন। অন্যথায় বিষয়টি বেআইনী বলে বিবেচিত হবে।

-বিভাগীয় সম্পাদক