দ্বীন প্রচারে ধৈর্য ও হিকমতের প্রয়োজন

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |

মুফতী মুনির হোসাইন কাসেমী


মানুষ সৃষ্টি করে আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন এ দুনিয়াতে উদ্দেশ্যহীন ভাবে ছেড়ে দেননি, বরং মানুষকে একটা দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আর তা হল, আল্লাহর যমীনে আল্লাহর দ্বীন ইসলাম প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব।

উল্লেখ্য যে, আল্লাহ্ তায়ালা মানুষকে দ্বীনের সঠিক পথ দেখানোর জন্য যুগে যুগে তাঁর বিধান দিয়ে নবী রাসূলগণকে পাঠিয়েছেন, যাঁরা মানুষকে শিখিয়েছেন শাশ্বত সুন্দর ও কল্যাণকর পথ। যে পথ তথা বিধান সম্পর্কে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁর পবিত্র কালামে ইরশাদ করেছেন, “অতঃপর আমার কাছ থেকে যে জীবন বিধান তোমাদের কাছে পৌঁছবে, যারা এই বিধান মেনে চলবে, তাদের জন্য কোনরূপ ভয় বা চিন্তার কারণ নেই। আর যারা তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করবে এবং আমার বাণী ও আদেশ নিষেধকে মিথ্যা মনে করবে, তারা নিশ্চয়ই জাহান্নামী হবে এবং সেখানে চিরকাল থাকবে”। (সূরা বাক্বারা-৩৮-৩৯ আয়াত)।

বস্তুতঃ হযরত আদম (আ.) থেকে শুরু করে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত নবুওয়াতের এক দীর্ঘ ধারা এসেছে দুনিয়ার মানুষকে সঠিক পথ দেখানোর জন্য। মূলত: হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আগমনের সাথে সাথে সেই ধারা বন্ধ হয়ে গেছে। এরপর আর নবী-রাসূল আসবেন না বিধায় আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন তাঁর মাধ্যমে দ্বীন ইসলামকে এই দুনিয়ার বুকে পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং দ্বীনের এই বৈশিষ্ট্য অটুটভাবেই প্রতিষ্ঠিত থাকবে এ দুনিয়াতে ক্বিয়ামত পর্যন্ত। এক্ষেত্রে স্বাভাবিক ভাবে মনে প্রশ্ন জাগে যে, যদি নবী রাসূলের আর আগমন না ঘটে, তবে কীভাবে এই দুনিয়াতে সেই আদর্শ তথা বিধান সঠিকভাবে টিকে থাকবে? কে বা কারা এই দায়িত্ব পালন করবেন?
স্মর্তব্য যে, এ দায়িত্ব আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন কোন বিশেষ ব্যক্তিকে না দিয়ে সমস্ত উম্মতে মুহাম্মদী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দিয়েছেন। আর তা বিদায় হজ্বে স্বয়ং রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ব্যক্ত করে গেছেন। আর এর অনুকূলে আল্লাহ পাক তাঁর পবিত্র কালামে বিভিন্ন আয়াতের মাধ্যমে আমাদেরকে অবহিত করেছেন।
ইরশাদ হচ্ছে- “তোমরা (সেই) উত্তম সম্প্রদায়, যাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে সমগ্র মানব জাতির কল্যাণের জন্য। তোমরা মানুষকে ন্যায় কাজের আদেশ করবে এবং অন্যায় কাজ করা থেকে বিরত রাখবে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে।” (সূরা আলে-ইমরান- ১১০ আয়াত)
আরো বলা হয়েছে, “আর সেই ব্যক্তির কথার চেয়ে উত্তম কথা আর কার হতে পারে? যে আল্লাহর দিকে আহবান জানায়, আর বলে যে- আমি মুসলমান”। (সূরা হা-মিম সাজদাহ, ৩৩ আয়াত)
উল্লিখিত আয়াতে সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হল যে, দ্বীনের দাওয়াতের কাজ, অর্থাৎ- তাবলীগের দায়িত্ব প্রত্যেক মুসলমানের উপরই অর্পিত হয়েছে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এ কাজটি হিকমতের সাথে পালন করতে হবে কেন? আর হিকমত বলতেই বা কি বুঝায়? হিকমত শব্দের বহু অর্থ আছে। এর শাব্দিক অর্থ কলাকৌশল বা কর্মকৌশল।
মুফাসসিরীনে কিরামের মতে যে কথায় বা কর্মপদ্ধতিতে অপরকে বাধ্য-বাধকতার ইঙ্গিত যতটা বহন করে না, বরং আহবানকারীর চরিত্র মাধুর্য শ্রোতাকে তার চেয়েও বেশি প্রভাবিত করে, সেটাই হিকমত।

আর এ সম্পর্কে পবিত্র কুরআনের বর্ণনা হচ্ছে, “হে নবী! আপনি মানুষকে হিকমত ও সদুপদেশ দ্বারা আপনার রবের প্রতি আহবান করুন এবং সদ্ভাবে তাদের সাথে আলোচনা করুন।” (সূরা নাহল- ১২৫ আয়াত)
পবিত্র কুরআনের অন্যত্র আরো ইরশাদ করা হয়েছে, “হে আমার প্রতিপালক! তাদের মধ্যে থেকে তাদের নিকট একজন রাসূল প্রেরণ করুন, যে আপনার আয়াত সমূহ তাদের নিকট বর্ণনা করবে, তাদেরকে কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দেবে এবং তাদেরকে পবিত্র করবে। আপনিই মহা-পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়”। (সূরা বাক্বারাহ্-২২৯ আয়াত)।

আলোচ্য আয়াত দু’টিতে মানব জাতিকে আল্লাহর দিকে আহবান করার গুরুত্ব ও ইসলামের প্রচার ও দাওয়াত পদ্ধতি সম্পর্কে সুস্পষ্ট একটা ধারণা দেয়া হয়েছে। শুধু ধারণাই নয়, বরং কিতাব ও হিকমতের তা’লীমের উপরও জোর দেয়া হয়েছে।
স্মর্তব্য যে, কিতাব হচ্ছে, আল্লাহর নাযিলকৃত কিতাব পবিত্র কুরআন, আর হিকমত অর্থ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক বর্ণিত উক্তি ও কর্মগত শিক্ষাসমূহ। আর বলার অপেক্ষা রাখে না যে, আল্লাহর কিতাব ও নবীর জীবন ভিত্তিক শিক্ষা মানব জাতির পরিপূর্ণ সাফল্য ও অব্যর্থ কল্যাণের চাবিকাঠি।

ভালকথা ভাল করে বলার মধ্যেই তার স্বার্থকতা। বিশেষ করে ইসলামের শাশ্বত সত্য-সুন্দর আদর্শ প্রচারের ক্ষেত্রে যাঁরা নিজেদেরকে আত্মনিয়োগ করেছেন, তাঁদেরকে শুধু ভাল করে বলাই নয়; বরং শ্রোতার মনস্তাত্বিক বিশ্লেষণও তাদের প্রাথমিক দায়িত্ব। কেননা পরিবেশ ও পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে শ্রোতার মানসিক অবস্থা অনুযায়ী দাওয়াত পেশ না করতে পারলে অনেক সময় হিতে বিপরীত প্রতিক্রিয়া হতে পারে।

এক্ষেত্রে আমরা সাইয়্যেদুল মুরসালীন ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এবং তাঁর সাহাবায়ে কিরামের কর্ম-কৌশল ও কর্মপদ্ধতি কীরূপ ছিল, তা অনুসরণ করতে পারি।

ইসলামের প্রথম যুগে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কার বিধর্মীদের নিকট দ্বীনের দাওয়াত নিয়ে যান, তখন তাঁর প্রতি অবর্ণনীয় নির্যাতন নেমে এসেছিল। কিন্তু তিনি চরম ধৈর্য ও হিকমতের সাথে তা মুকাবিলা করেছিলেন। ক্রমশঃ যখন মুসলমানদের সংখ্যা বাড়তে থাকে, তখন তিনি ধীরে ধীরে এবং কৌশলের সাথে সামনের দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। কেননা, মানব জীবনের সকল পর্যায়ে আল্লাহ্ প্রদত্ত বিধানকে প্রতিষ্ঠিত করা শক্তি প্রয়োগ বা ভীতি প্রদর্শনের কাজ নয়। অথবা কোনরূপ যাদুমন্ত্র দ্বারাও এ কাজ সম্পন্ন হতে পারে না।

যে কাজটি যত দামী ও কঠিন, সে কাজটি আয়াত্ব করতে ততই ধৈর্য ও সাধনার প্রয়োজন। আর সহজ থেকে কঠিনের দিকে অগ্রসর হওয়াই তো স্বাভাবিক নিয়ম। সঙ্গত কারণে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ১৩ বৎসরের মক্কী যিন্দেগীতে ইসলামের মূল বিষয় তথা তাওহীদ, রিসালাত, আখিরাত ও তাক্বদীরের বিষয়গুলো প্রচার করেন। আর মাদানী যিন্দেগীতে ধীরে ধীরে অন্যান্য বিধান বা আহ্কাম দেয়া হয়। অর্থাৎ- উল্লেখযোগ্য সংখ্যক লোক ইসলাম গ্রহণ করলে তখন হালাল-হারাম, যাকাত, রোযা প্রভৃতি বিধান সম্পর্কিত আয়াত নাযিল হয়। যদি ইসলামের প্রথম যুগেই উল্লিখিত বিধানগুলো জারি করা হতো, তবে মানুষের পক্ষে তা মানা কষ্টকর হতো। মানুষ তা পালন করতে ইতস্ততঃ করতো অথবা অস্বীকৃতি জানাতো। (বুখারী শরীফ)।

নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দাওয়াতী জীবনের বিশেষ মাহাত্ম্য ও কলাকৌশল এত বেশী যে, সংক্ষিপ্ত পরিসরে তা পুরোপুরিভাবে বয়ান করা সম্ভব নয়। তবে এটা প্রতিষ্ঠিত সত্য যে, তাঁর সারা জীবনটাই ছিল একজন সার্থক দৃষ্টি ও মুবাল্লিগের জীবন। পূর্ণাঙ্গভাবে ইসলাম প্রতিষ্ঠার মূলেই ছিল তাঁর নিরবিচ্ছিন্ন প্রচার তৎপরতা তথা তাবলীগ। বস্তুতঃ প্রচার পদ্ধতির কলা-কৌশলই তাঁকে সাফল্যের স্বর্ণশিখরে পৌঁছে দিয়েছিল।

তিনি পরিবেশ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করতেন এবং ব্যক্তি, কাল, স্থানভেদে সেটার প্রচার কর্মপন্থা পরিবর্তন, পরিবর্ধন করতেন। কেননা পরিবেশ ও মনমানসিকতার বিভিন্নতার দরুন অনেক সময় একই কর্মপদ্ধতি সর্বত্র সমানভাবে কার্যকরী হয় না।

আসলে তাঁর কর্মকৌশলের বৈশিষ্ট্যতার কারণে তদানিন্তন অসভ্য বর্বর আরবের কুসংস্কার তথা একত্ববাদের পরিবর্তে বহু দেবদেবী, সূর্য-চন্দ্র প্রভৃতির পূজাসহ অন্যায়-অবিচার, যুলুম-অত্যাচার, লুণ্ঠন, ব্যাভিচার শিশু-নারী হত্যা এবং জর্জরিত সমাজকে সংশোধন করে তাদেরকে শাশ্বত ইসলাম তথা শান্তির পথে আনতে সক্ষম হয়েছিলেন। আর এই সাফল্যের মূলে যে জিনিসটি বেশী কাজ করেছিল তা হল, তাঁর চরিত্র মাধুর্যতা। কেননা তিনি ছিলেন অনুপম চরিত্রের অধিকারী।
বস্তুতঃ ধৈর্য, সংযম, সহনশীলতা, সত্যবাদীতা, প্রেম-প্রীতি, ক্ষমা, নিঃস্বার্থপরতা প্রভৃতি দ্বারা তিনি পরম শত্রুরও মন জয় করতে সক্ষম হয়েছিলেন।

দ্বীন প্রচারের কাজ নিছক একটা মুখের বুলিই নয়, বরং এর জন্য প্রয়োজন যথেষ্ট জ্ঞান ও প্রজ্ঞার। জ্ঞান ও প্রজ্ঞা বলতে আমি যা বুঝাতে চাচ্ছি তা হল, দ্বীন প্রচারের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তি বা গোষ্ঠির সর্বাগ্রে ঈমান ও ইসলাম সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে এবং ঈমানের এক জবরদস্ত মেহনত করে সেই আক্বীদা বিশ্বাসকে যথাযথভাবে উপলব্ধি ও কার্যকরী করতে হবে। যা তাওহীদ, আখিরাত ও রিসালত সম্পর্কে ইসলাম শিক্ষা দিয়ে থাকে। কাজেই তা লাভ করতে হলে প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতাও অনস্বীকার্য।
দ্বীনের প্রচার-প্রসারের ক্ষেত্রে যে সকল বিষয়গুলির প্রতি লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন, তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হচ্ছে-
১। জীবনের লক্ষ্য হিসেবে ইসলাম যা নির্ধারণ করে দিয়েছে, তাকে নিজের জীবনের একমাত্র লক্ষ্যে পরিণত করতে হবে।

২। ইসলামী দাওয়াত কী তা বুঝতে হবে এবং তার যাবতীয় বিধানকে নিজের জীবনে কার্যকরী করতে হবে। আর তা মানুষের ময়দানে ধীরে ধীরে কার্যকরী করার জন্য সচেষ্ট হতে হবে।

৩। এ কাজে সম্পৃক্ত ব্যক্তি একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যই করবে। এতে দুনিয়াবী স্বার্থ জড়িত থাকবে না।

৪। দ্বীন প্রচারের ক্ষেত্রে যে কোন প্রতিকূল অবস্থায় বা সংঘাতময় মুহূর্তে আল্লাহর উপর অটল দৃঢ় আস্থা রাখতে হবে।

৫। এটা সর্বজন স্বীকৃত যে, সৎকাজের আদেশ এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখার দাওয়াত যদি সহানুভূতির সঙ্গে না করা হয়, তবে কোন সদুপদেশই কার্যকারী হবে না। কাজেই একজন আদর্শ প্রচারককে সেই গুণের অধিকারী হতে হবে।

৬। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “তোমরা হাসিমুখে যদি নিজের ভাইয়ের প্রতি তাকাও, তাও সাদকায় পরিণত হয়”। কাজেই সহাস্য বদনে ও অন্তরের আকুতি নিয়ে দাওয়াত দেয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। আসলে সামান্যতম শুভেচ্ছামূলক হাসিও এক্ষেত্রে অনেক প্রভাব রাখতে পারে। এতে করে একজনের হৃদয়ে নিজের আসন করে নেয়া সহজতর হয়।

৭। ভুল করেও রুক্ষ ও কর্কশ ভাষায় দাওয়াত দেওয়া উচিত নয়। এতে করে অতি আপন জনেরাও ক্রমশঃ দূরে সরে যাবে। কাজেই এ বিষয়ের উপর একজন দায়ী’র হুঁশিয়ার ও সতর্ক থাকা আবশ্যক।

৮। কারো অনুপস্থিতিতে তার সমালোচনা করার কারণে পারস্পরিক সম্পর্ককে বিনষ্ট করে। কাজেই একজন আদর্শ প্রচারকের সেদিকেও তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন। মানুষ দোষমুক্ত নয়। প্রয়োজনবোধে সংশোধনের উদ্দেশ্যে আশে পাশে পরামর্শ অথবা মুরব্বিদের মাধ্যমে সংশোধনের পথ বেছে নেয়া উচিত।

৯। শয়তান ও নফস মানুষের মাঝে পরস্পর মতভেদ ও দুশমনী সৃষ্টি করে। জ্ঞানী সেই ব্যক্তি যে নিজের সংশোধনের জন্য সদা সতর্ক থাকে, শয়তান ও নফসের প্রতারণায় পড়ে না এবং দুনিয়ার কোন প্রভাবে প্রভাবিত হয় না।

১০। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, একজন দায়ীর অন্তরে এই ধারণা পোষণ করতে হবে যে, সমস্ত উম্মতের জন্য যে গভীর দরদ ও চিন্তা প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অন্তরে ছিল, সেরূপ চিন্তা ফিকির যেন নিজের ও সমস্ত মেহনতকারীর অন্তরে পয়দা হয়। এ জন্য দোয়া ও চেষ্টা-সাধনা করতে হবে, যেন প্রত্যেকেই দা’য়ী মুবাল্লিগ ও দ্বীনের মেহনতকারী বনে যায়।
আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন আমাদের সকলকেই দ্বীনের বুঝ ও মেহনত করার তাওফীক ইনায়েত করেন। আমীন।


লেখকঃ মুহাদ্দিস- জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা,
খতীব- হাজী আব্দুস সাত্তার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ- শ্রীপুর, গাজীপুর,
এবং কেন্দ্রীয় অর্থসম্পাদক- জামিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ।