আগামী নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে : ইসি

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |

আগামী  একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। তবে সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়া হবে নাকি স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোতায়েন করা হবে, সে বিষয়টি নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানান তিনি।

সোমবার বিকেলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

মাহবুব তালুকদার বলেন, ‘সেনা মোতায়েন হবে আগামী নির্বাচনে। এখানে একটা কিন্তু আছে। সেনা বাহিনীকে আমরা কিভাবে কাজে লাগাবো, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সেনা বাহিনী কিভাবে যুক্ত হবে, সেটি বলার সময় এখনও হয়নি। কমিশনে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। কমিশন এ পর্যন্ত বিষয়টিতে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। তবে আমরা কমিশনাররা মাননীয় প্রধান নির্বাচন কমিশনার মহোদয়ের সঙ্গে আলোচনা করেছি এবং আমাদের সবারই অনুভূতি হচ্ছে সেনা মোতায়েন হোক। তবে এটাকে কমিশনের সিদ্ধান্ত বলা যাবে না। সময়ই বলে দেবে যে কিভাবে সেনা মোতায়েন হবে।’

বিএনপির ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ারসহ সেনা মোতায়নের দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, বিএনপি সেনা মোতায়েন হবে বলেনি। তারা বলেছে ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ারসহ সেনা মোতায়েন করতে হবে। তবে বিএনপির বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই।’

ইভিএমের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা ইভিএমের লোকজন ডেকেছিলাম। তারা আমাদেরকে সেগুলো দেখিয়েছেন। আর এর আগে যেইসব ইভিএম ব্যবহার করা হয়েছিল। সেগুলো সব বাতিল হয়ে গেছে। তাই সেগুলোকে ইতোমধ্যে আমরা অকার্যকর বলে ঘোষণা করেছি। আগামী জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করতেই হবে এমন কোনো চিন্তা আমাদের মধ্যে নেই। তবে ভবিষ্যতে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ইভিএমকে যুক্ত করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইভিএম আমাদের এমন একটা অনিবার্য বিষয়, যা ভবিষ্যতে আমাদের ব্যবহার করতে হবে। আমরা হয়তো পারবো না। আমরা পারবো কিভাবে? আমাদেরতো প্রাথমিক প্রস্তুতিই নেই। আমাদেরকে একটি স্বচ্ছ নির্বাচন করতে হবে। সেই নির্বাচন যদি প্রশ্নবিদ্ধ যন্ত্র দিয়ে হয়। যন্ত্রকে যদি মানুষ নিয়ন্ত্রণ করে ব্যবহার করে তাহলে সেটি দিয়ে আমরা প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন করতে পারি না।’

তিনি বলেন, ‘এটা আমার ব্যক্তিগত অভিমত এবার ইভিএম ব্যবহার হবে কিনা এ বিষয়ে আমার সন্দেহ আছে। ইভিএম ব্যবহারের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য যেই সময় দরকার, যেই অগ্রগতি দরকার, সেই রকম সময় আমাদের হাতে নেই।’