ছোট পায়ে রঙিন জুতা–মোজা…

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নজরুল ইসলাম


ঘরের মেঝে ঠান্ডা এখন। বাইরে যদিও সারা দিন রোদ বেশ কড়াই থাকে। আবহাওয়া বদলাচ্ছে। শিশুদের পোশাকের দিকে এ সময় দিতে হয় বিশেষ নজর। একটু ভারী কাপড় হয়তো সন্ধ্যার পর দরকার হয়ে যায়। টুপি, হাতমোজা পরানোর সময় এখনো আসেনি। তবে পায়ের মোজা ও জুতার প্রয়োজনীয়তা এখনই বোঝা যাচ্ছে। চাহিদার কারণে বাজারেও দেখা যাচ্ছে বেশ।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আল আমিন মৃধা বলেন, এ সময়ে শিশুদের যত্ন নেওয়া খুব জরুরি। কারণ এ সময় ঠান্ডা লাগলে নিউমোনিয়া হয়ে যেতে পারে। গরম পোশাক পরিয়ে রাখতে হবে। তবে তা অবশ্যই শীতের প্রকোপ বুঝে। শিশুর জুতা-মোজা যেন নরম কাপড়ের হয় সেদিকে নজর দিতে হবে। কারণ সব কাপড় শিশুর ত্বকের জন্য ভালো নয়। শক্ত ও মোটা উলের পোশাক না পরানোই ভালো। সুতি ও গ্যাবার্ডিনের মোজা পরানো উচিত। আবার দিনের সব সময় জুতা-মোজা ব্যবহার করা যাবে না। রাতে ঘুমানোর সময় শিশুর পায়ে যেন ঠান্ডা না লাগে তাই মোজা দিয়ে পা ঢেকে রাখতে পারেন।

বাজার ঘুরে দেখা গেল, শীত পুরোপুরি আসার আগেই শিশুদের শীত-পোশাকের বাজার জমে উঠেছে। বিশেষ করে যেসব দোকান শুধু শিশুদের পোশাক বিক্রি করে, তাদের বাহারি ডিজাইন ও রঙের সংগ্রহ রয়েছে। জুতা পাবেন ১৮০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে। মোজা পাওয়া যাবে ১২০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে। তবে তা ১ থেকে ৩ বছরের শিশুদের জন্য। ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় শুধু শিশুদের পোশাক পাওয়া যায় এমন দোকান রয়েছে অনেক। বিশেষ করে ধানমন্ডি, বনানী ও গুলশানে মি অ্যান্ড মাম, কিডস অ্যান্ড মামস, মাদার’স কেয়ার, দ্য বেবি শপে পাওয়া যাবে। এখানে শিশু ও মা-দুজনেরই প্রয়োজনীয় সব ধরনের পণ্য পাওয়া যাবে। বেশির ভাগ পণ্যই আসে দেশের বাইরে থেকে বলে জানালেন মি অ্যান্ড মামের অ্যাসিস্ট্যান্স ম্যানেজার ইফতে খাইরুল আলম। বিশেষ করে ছোট শিশুদের জুতা ও মোজার সংগ্রহ রয়েছে। কোলের শিশুদের জন্য নরম ও আরামদায়ক জুতা রয়েছে। তা ছাড়া একসঙ্গে জুতা-মোজার কাজ করে এমনও পাওয়া যাবে। মাদার’স কেয়ারের স্টোর ম্যানেজার শাওন খান বলেন, ছোট শিশুরা রং পছন্দ করে। এক রঙের মোজার পাশাপাশি বিভিন্ন রঙের নকশা করা মোজা পাওয়া যায়। শীতে পা আটকানো জুতাগুলোই বেশি চলছে। ঢাকার নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, বসুন্ধরার মোস্তফা মার্টেও পাওয়া যাবে শিশুদের জুতা ও মোজা।