প্রযুক্তির অপব্যবহারে যুবসমাজ ধ্বংস হচ্ছে: আল্লামা মাহমূদুল হাসান

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | ডেস্ক রিপোর্ট


দেশ-জাতির কল্যাণ ও শান্তি কামনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো মজলিসে দাওয়াতুল হক বাংলাদেশের ২৩ তম কেন্দ্রীয় ইজতেমা। সকাল থেকে ছিল আলেম উলামা, ধর্মপ্রাণ লাখো মানুষের উপস্থিতি।

শনিবার (২ ডিসেম্বর) রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়া মাদরাসার মাঠে অনুষ্ঠিত ইজতেমা বাদ এশা মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়। বিশেষ বয়ান ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মজলিসে দাওয়াতুল হক বাংলাদেশের আমির গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদের খতিব ও যাত্রাবাড়ী মাদরাসার মুহতামিম মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমুদুল হাসান।

বয়ানে মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমুদুল হাসান বলেন, আমলের গ্রহণযোগ্যতা সুন্নাতের ও ইখলাসের দ্বারাই নির্ধারণ হয়। আর ইখলাস সৃষ্টি হয় সুন্নাতের মাধ্যমে। আমাদের আমলী জিন্দেগিকে উন্নত করতে হলে সুন্নাতের বিকল্প কোন পথ নেই।

তিনি বলেন, প্রযুক্তির অপব্যবহারে আমাদের যুবসমাজ ধ্বংস হচ্ছে। মোবাইল ফোন ইন্টারনেট টেলিভিশন ফেসবুক দিনদিন যুবসমাজের আমল আখলাখের অবনতি ঘটাচ্ছে। সুতরাং, আমাদের সাবধান হতে হবে এবং গোনাহ থেকে বাঁচতে হবে।

তিনি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের জন্য সরকারকে আরো জোরদার ভূমিকা পালন করাসহ কুটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

দিনব্যাপী এ ইজতেমায় অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, দাওয়াতুল হকের ইজতেমায় অংশ নিয়ে আমার জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। এত উলামায়ে কেরামকে একসঙ্গে সাধারণ পাওয়া যায় না। ইজতেমায় বিদেশের আলেমগণও অংশ নিয়েছেন।

 

ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দের শায়খে সানী আল্লামা কমরুদ্দীন আহমদ গৌরখপুরী বলেন, উলামায়ে কেরামের মাধ্যমেই দীন টিকে থাকবে। আল্লাহ পাক নিজেই দীনের হেফাজতকারী। কিন্তু দীনের খাদেম হলো উলামায়ে কেরাম।

 

সকাল থেকে শুরু হওয়া এই ইজতেমায় জামিয়াতুস সুন্নাহ শিবচরের মুহতামিম মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ আল ফরিদীর সঞ্চালনায় আলোচনা করেন, ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দের বুখারীর শায়েখ, আল্লামা মুফতি কমরুদ্দীন, মক্কার উম্মুল কুরা ইউনিভার্সিটির প্রফেসর আওলাদে রাসুল শেখ নাসের মক্কী, বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের সিনিয়র সহসভাপতি ও আল হাইআতুল উলয়ার কো-চেয়ারম্যান আল্লামা আশরাফ আলী, চট্টগ্রাম জিরি মাদরাসার মুহতামিম আল্ল¬ামা শাহ মোহাম্মদ তৈয়ব, পীরে কামেল প্রফেসর হামিদুর রহমান, মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ডিন মাওলানা শেখ হাসান মুসা, দারুল উলুম দেওবন্দের উস্তাদ মুফতি রাশেদ আজমী, পটিয়া মাদরাসার প্রধান মুফতি শামসুদ্দীন জিয়া, মুফতি ওবায়দুল¬াহ, জামিয়া রাহমানিয়া আলী এন্ড নুরের মুহতামিম মুফতি মনসুরুল হক, বসুন্ধরা ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক মাওলানা আরশাদ রাহমানি, শায়খ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক মুফতি মিযানুর রহমান সাঈদ, কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা আবদুল কুদ্দুস, জামিয়া রাহমানিয়ার প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহফুজুল হক, বায়তুল উলুম ঢালকানগরের মুহতামিম মুফতি জাফর আহমদ, কাওরান বাজার আম্বরশাহ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মাজহারুল ইসলাম, ঢালকানগরের পীর মাওলানা আবদুল মতিন, বসুন্ধরা মারাসার মুফতি সুহাইল, মতিঝিল ওয়াপদা মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা রফিক আহমদ প্রমুখ।