সাংবাদিকতার নামে ক্ষমতাসীনদের পক্ষে নোংরা ও অশ্লীল এক্টিভিজম শুরু হয়েছে

মারুফ কামাল খান


মারুফ-কামাল-খানবাংলাদেশে হাল আমলে সাংবাদিকতার নাম করে ক্ষমতাসীনদের পক্ষে যে নোংরা ও অশ্লীল এক্টিভিজম শুরু হয়েছে তাতে হতবাক হতে হয়।
বিভিন্ন দেশের সরকারের প্রতিনিধিরা এ দেশ সফরে এসে বিএনপি নেতাদের সংগে দেখা করলে সেটা হয়, বিএনপির বিদেশ-নির্ভর রাজনীতি।
দেখা না হলে সেটার অর্থ দাঁড়ায়, আন্তর্জাতিক অংগনে বিএনপি গুরুত্ব হারাচ্ছে।
এরা পারেও বটে!

যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যসহ ইয়োরোপের সংগে স্বাভাবিক সম্পর্কটুকু বজায় রাখতে যখন সেগুনবাগিচার পররাষ্ট্র অফিসের জিভ বেরিয়ে যাচ্ছে তখন ওই এক্টিভিস্টরা প্রচার করছে যে, ওই দেশগুলোর কর্মকর্তারা নাকি বাংলাদেশের বর্তমান ক্ষমতাসীনদের স্বস্তি দেয়ার লক্ষ্যেই সব রকমের ছোটাছুটি করে যাচ্ছেন।

এরাই আবার অপরদিকে এমন প্রচারণাও চালাচ্ছে যে, ইসরাইল ও ভারত নাকি এক হয়ে বিএনপি-জামায়াতের পক্ষ নিয়ে বাংলাদেশে বর্তমান সরকারকে উৎখাতের চক্রান্ত করছে।

কদিন আগে মন্ত্রী তোফায়েল বলেছেন, কেয়ামত পর্যন্ত চেষ্টা করেও যুক্তরাষ্ট্রকে খুশি করা যাবেনা।
জন কেরির কণ্ঠে বিএনপি-জামায়াতের সুর শুনেছেন আওয়ামীলীগের শেখ সেলিম। একই ভাষায় কথা বলেছেন মন্ত্রী ও. কাদের ও মতিয়া চৌধুরী।
নিশা দেশাই প্রকাশ্যে ক্ষমতাসীনদের সংগে দ্বিমত করে বলে গেলেন এখানে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীরা সক্রিয়।

কুপিয়ে হত্যার ঘটনার জন্য বিরোধীদলকে দায়ী করার প্রবণতাকে অগ্রহণযোগ্য বলছে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকরা।
এত কিছু সত্ত্বেও আওয়ামী প্রচারবিদরা প্রমান করতে চাইছে সবকিছু বিলকুল ঠিক আছে। ক্ষমতাসীনরা নাকি আন্তর্জাতিক অংগনে পুষ্পিত হচ্ছে আর গ্রহন্যোগ্যতা হারাচ্ছে বিএনপি।
এ সব প্রচারণার জন্য কোনো রকম বিশ্বাসযোগ্য সূত্রের কথা উল্লেখ করতে হয়না; তাদের আপন মনের মাধুরী মেশানো কল্পনাই যথেষ্ট।

লেখক:
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রেস সচিব

ফেসবুক থেকে