‘ডিবির সোর্স’ পরিচয় দেওয়া আটক সেই নারী মিয়ানমারের গুপ্তচর?

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | ডেস্ক রিপোর্ট


চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সোর্স পরিচয়দানকারী আটক সেই নারী মিয়ানমারের গুপ্তচর বলে জানা যাচ্ছে।

মঙ্গলবার দুপুরে চট্রগ্রাম আদালতের হাজতখানার সামনে থেকে ফরিদা ইয়াসমিন সুমি (৩৫) নামে এ নারীকে আটক করার পর তার চলাফেরা, জীবন যাত্রা, আচার আচরণ রহস্যজনক বলে মন্তব্য করছে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা।

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন জানান, ‘আজ দুপুরে আদালত এলাকায় আসামিদের অভিভাবকদের কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং হাজতখানায় সুযোগ সুবিধার কথা বলে টাকা আদায় এবং প্রকাশ্যে ধূমপানকালে নিষেধ করায় একজন নারী আইনজীবীর সাথে অসাধাচরণ করায় আইনজীবী সমিতির নেতারা ফরিদা ইয়াসমিন সুমি নামে এ নারীকে পুলিশে দিয়েছে। তার বিরুদ্ধে নগর গোয়েন্দা পুলিশ মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।’

তিনি আরও জানান, এ নারী জন্ম সূত্রে বাংলাদেশী না ভিনদেশি তা তদন্ত করে দেখা হবে।

চট্টগ্রাম আদালতে দায়িত্বে থাকা গোয়েন্দা সংস্থার মাঠ পর্যায়ের এক সদস্য জানান, এ নারী আদালত এলাকায় এবং বিভিন্ন থানায় বিচরণ করে। পুলিশ সোর্স পরিচয় দিয়ে নানা অপকর্ম করে বেড়ায়। সে বাংলাদেশের নাগরিক না হলেও চট্টগ্রামের ভাষা রপ্ত করেছে। নাম পরিচয় পাল্টিয়ে সে অবস্থান করছে। ধারণা করা হচ্ছে পুলিশ সোর্স পরিচয়ে সে মায়ানমার গুপ্তচর হিসেবে কাজ করছে।

পুলিশের সোর্স পরিচয়ে ছাপানো তার ভিজিটিং কার্ডে টেকনাফের যে পরিচয় এবং মা বাবার নাম উল্লেখ্য করা হয়েছে সে ঠিকানাও ভুয়া বলে দাবী করে গোয়েন্দা সংস্থা।

২০১২ সালের দিকে মায়ানমার হয়ে সে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তার বাড়ি মায়ানমার কিংবা জর্দান হবে। সে সব সময় প্যান্ট শার্ট পড়ে পুরুষ ভেসে চলাফেরা করে। কয়েকদিন আগে নগরীর স্টেশন রোড এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে ২ দিন অবস্থান করেছে। কিন্তু হোটেলে বিল না দিয়ে কেটে পড়ে। সে মার্শাল আর্ট রপ্ত করেছে। আজ তাকে আটকের পর তার কাছে একটি আবাসিক হোটেলে চাবি পাওয়া গেছে।