যেসব দেশে রাষ্ট্রপ্রধানদের অবশ্যই মুসলমান হতে হয়

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | ডেস্ক রিপোর্ট 


যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘পিউ রিসার্চ সেন্টার’ বিভিন্ন দেশের সংবিধান বিশ্লেষণ করে দেখেছে বিশ্বের ১৭টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে মুসলমান হতে হবে৷

এগুলো হচ্ছে আফগানিস্তান, আলজেরিয়া, ব্রুনাই, ইরান, জর্ডান, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মৌরিতানিয়া, মরক্কো, ওমান, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, সোমালিয়া, সিরিয়া, টিউনিশিয়া ও ইয়েমেন।


রাজা বা রানিকে নির্দিষ্ট ধর্মের হতে হবে
যুক্তরাজ্য, ক্যানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সহ কমনওয়েলথভুক্ত ১৬টি দেশের রাজা অথবা রানিকে (বর্তমানে যেমন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ) অবশ্যই নির্দিষ্ট একটি ধর্মের হতে হবে৷ রানির পদ অলংকারিক হলেও তিনি সেসব দেশের রাষ্ট্রপ্রধান৷ ডেনমার্ক, নরওয়ে ও সুইডেন এর ক্ষেত্রেও একই শর্ত প্রযোজ্য৷


বৌদ্ধ রাষ্ট্রপ্রধান
এমন বিধান আছে দু’টি দেশে৷ ভুটান আর থাইল্যান্ডে৷


ধর্মীয় নেতাদের মানা
বলিভিয়া, মেক্সিকো ও এল সালভেদর সহ আটটি দেশের সংবিধান বলছে, ধর্মীয় নেতারা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না৷ অন্য দেশগুলো হচ্ছে মিয়ানমার, কস্টা রিকা, হন্ডুরাস, নিকারাগুয়া ও ভেনিজুয়েলা৷

সূত্র : ডি ডব্লিউ


ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্স

ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্সদেশের প্রথম ইসলামী ঘরানার অনলাইন পত্রিকা ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে স্বল্পমেয়াদী সাংবাদিকতা কোর্স।অংশগ্রহণ করতে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে-০১৭১৯৫৬৪৬১৬এছাড়াও সরাসরি আসতে পারেন ইনসাফ কার্যালয়ে।ঠিকানা – ৬০/এ পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০।

Posted by insaf24.com on Monday, October 29, 2018


নির্বাচনে ভীতিহীন পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের
ডিসেম্বর ২৭, ২০১৮
ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভয়ভীতিহীন ও দমন-পীড়নহীন পরিবেশ নিশ্চিত করতে সব পক্ষের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তেনিও গুতেরেস। পাশাপাশি তিনি নির্বাচন যাতে শান্তিপূর্ণ, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক হয়, তা নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান।

আজ বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের মহাসচিবের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান হয়। জাতিসংঘের মহাসচিবের পক্ষে তাঁর মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এ বিবৃতি দেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, জাতিসংঘের মহাসচিব আসন্ন ৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে, নির্বাচনকালীন ও পরে সহিংসতামুক্ত, ভয়ভীতিহীন ও দমন-পীড়নহীন পরিবেশ নিশ্চিত করতে সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক হয়। ভোটাধিকার প্রয়োগে সংখ্যালঘু, নারীসহ সব বাংলাদেশি নাগরিক যেন নিরাপদ বোধ করেন এবং আস্থা অনুভব করেন। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সুশীল সমাজ ও পর্যবেক্ষকেরা তাঁদের দায়িত্ব পালনে যাতে পূর্ণ সহায়তা পান।

জাতিসংঘের মহাসচিব শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের প্রতি জাতিসংঘের সমর্থন অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

এর আগে ২১ ডিসেম্বর এক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গে জাতিসংঘের মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিককে প্রশ্ন করা হয়। প্রশ্নটি ছিল, ‘ক্ষমতাসীনদের হাতে বিরোধীদলীয় প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকেরা ধরপাকড়ের শিকার হচ্ছেন। আপনি কি এখনো বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে, যেখানে আইনের বিধিবিধানের কথা বলে বিরোধী প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষণা করা হচ্ছে?’

এই প্রশ্নের জবাবে জাতিসংঘের মহাসচিবের মুখপাত্র বলেন, ‘আমি আগেই আপনাদের বলেছি, আমরা এসব ঘটনা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। আমরা নির্বাচনী সহিংসতা ও বিরোধীদের গ্রেপ্তারের খবরে উদ্বিগ্ন। অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য সব পক্ষকে তাদের দায়িত্ব পালনের জন্য আহ্বান জানাই। এই পরিপ্রেক্ষিতে এটা অবশ্যই খুব গুরুত্বপূর্ণ যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সব প্রার্থীর অবাধ ও নির্বিঘ্ন প্রচারের পথ নিশ্চিত করবে। বাংলাদেশের মানুষ নিরাপদে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের বিষয়ে যেন আস্থা বোধ করে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সুশীল সমাজ ও পর্যবেক্ষকেরা তাঁদের দায়িত্ব পালনে যাতে পূর্ণ সহায়তা পান।’