প্রশ্ন ফাঁস রোধে ইন্টারনেট বন্ধ: মাথা ব্যথার কারণে মাথা কেটে না ফেলে চিকিৎসার প্রয়োজন

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


‘প্রশ্ন ফাঁস’ একটি বহুল আলোচিত ইস্যু। ধারাবাহিক প্রশ্ন ফাঁস কোনভাবেই ঠেকাতে না পেরে সম্প্রতি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক বন্ধ করে দেয়ার কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। পরে আবার এই সিদ্ধান্ত থেকে তিনি সরে আসেন। যদিও তিনি বলেছিলেন, টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসির সাথে তাঁর এই বিষয়ে কথা হয়েছে। পরবর্তীতে বিটিআরসি এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

এরপর আজ হঠাৎ করেই প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে ধীর গতিতে ইন্টারনেট চালানো এবং নির্দিষ্ট সময় ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বিটিআরসি। সিদ্ধান্ত পরীক্ষামূলকভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ইন্টারনেট সেবা বন্ধ ছিল। যদিও বলা হচ্ছে ইন্টারনেট পুরোপুরি বন্ধ করা হয়নি তবে ধীরগতির ছিল। কিন্তু আইএসপি ও মোবাইল অপারেটরগুলোতে ২৫ কেবিপিএস (কিলোবিট পার সেকেন্ড) ব্যান্ডউইথ সরবরাহর কারণে কার্যত বন্ধই ছিল ইন্টারনেট। এসময় কোনও ওয়েবসাইটে ঢোকা যায়নি। কিছু সার্চ দিলেও ওয়েবপেজগুলো কেবল ‘লোডিং’ দেখাচ্ছিল।

এবিষয়ে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা। শুধু সাধারণ ব্যবহারকারীরাই নয়, বড় বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও অনলাইন ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম বিটিআরসির এমন সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়ে।

একটি অনলাইন পত্রিকার সংবাদকর্মী বলেন, “রাত হওয়ায় খুব বেশি ক্ষতি হয়নি। দিনের বেলা হলে ক্ষতির মাত্রা বেশি হতো। আর এমন সিদ্ধান্ত আমি সমর্থনও করিনা। এটা অনেকটা মাথা ব্যথার কারণে মাথা কেটে ফেলার মতো অবস্থা। এমন পরিস্থিতিতে মাথা কেটে না ফেলে চিকিৎসা প্রয়োজন।”

এদিকে। টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসির চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ বলেছেন, তাঁদের এবিষয়ে কিছুই করার নেই। কারণ তাঁরা সবসময় সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেন। ইন্টারনেটের গতি ধীর করার সিদ্ধান্ত সরকারের।


Notice: Undefined index: email in /home/insaf24cp/public_html/wp-content/plugins/simple-social-share/simple-social-share.php on line 74