সংসদে দ্বিতীয় পদ্মাসেতুর দাবি

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | ডেস্ক রিপোর্ট


চলমান সংসদে দ্বিতীয় পদ্মাসেতুর দাবি তুলেছেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী (কারিগরি ও মাদ্রাসা) কাজী কেরামত আলী। এই সেতুর যৌক্তিকতা তুলে ধরে তিনি বলেন, দ্বিতীয় পদ্মাসেতু হলে ঢাকার উপর মানুষের চাপ কমবে। ওই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে।

সোমবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনিত ধন্যবাদ প্রস্তাবের উপর আলোচনায় অংশ নিয়ে এ দাবি করেন প্রতিমন্ত্রী।

কাজী কেরামত আলী বলেন, পদ্মাসেতু হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ও যোগাযোগ মন্ত্রী বিভিন্ন সময় বলেছেন, প্রথম পদ্মাসেতু হলে একটা পর্যায়ে গিয়ে দ্বিতীয় পদ্মাসেতুর কাজ শুরু করবেন। আমি তাই রাজবাড়ীবাসীর পক্ষ থেকে দ্বিতীয় পদ্মাসেতু নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এছাড়া ১০০টি অর্থনৈতিক জোনের মধ্যে রাজবাড়ীতেও অর্থনৈতিক জোন করার দাবি জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজবাড়ীসহ ওই অঞ্চলের লোকের ভাগ্যোন্নয়ন ও বেকারত্ব দূর করতে নতুন অর্থনৈতিক জোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সরকারে উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার নানামুখী উন্নয়ন কাজ হাতে নিয়েছে। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে কারিগরি শিক্ষার ওপর সরকার জোর দিয়েছে বলেও জানান তিনি।

বর্তমান সরকারের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল মন্তব্য করে কাজী কেরামত আলী বলেন, দেশে আইনের শাসন আছে বলেই খালেদা জিয়া জেলে গেছেন। এখানে সরকারের কোনো হাত নেই। নিজ এলাকায় বিএনপি’র একজন কর্মীকেও মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়নি দাবি করেন তিনি। নিজেকে সাদা, সরল মনের মানুষ দাবি করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি কোনো অন্যায় করি না। আমি সরল মানুষ, সরলভাবেই রাজনীতি করি।

এর আগে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলী।এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হলে কেরামত আলী শপথ গ্রহণের পর নিজেই সাংবাদিকদের তার মন্ত্রণালয়ের নাম জানিয়েছেন।

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ বাক্য পাঠ করান নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, মোস্তফা জব্বার, কাজী কেরামত আলী ও শাহজাহান কামালকে।এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গভবনে উপস্থিত ছিলেন।

শপথ গ্রহণের আগে কেরামত আলী জানিয়েছিলেন, তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে আগ্রহী। এ কারণে প্রচার পেয়েছিল তিনি এই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন।

তবে শপথ গ্রহণ শেষে বঙ্গভবন ছাড়ার সময় সাংবাদিকদের কেরামত আলী বলেন, ‘আমাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।’

প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কী করতে চান এমন প্রশ্নের জবাবে কেরামত বলেন, ‘যে সকল জায়গায় গ্যাপ আছে তা পূরণে আমি কাজ করবো। যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তা সম্মানের সঙ্গে পালনের চেষ্টা করব।’