পুরান ঢাকায় এক হিন্দু যুবকের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ!

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম |  ইলিয়াছ আহমদ বাবুল


শান্তির ধর্ম ইসলামের আদর্শের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে কালিমা পড়ে মুসলমান হলেন মনি শংকর মন্ডল (২২) নামের এক হিন্দু যুবক। মুসলমান হওয়ার পর তার নাম রাখা হয় মোঃ আব্দুল্লাহ আরাফাত।

পুরান ঢাকার চকবাজার থানাধীন দেবীদাস ঘাট লেনের একটি কারখানায় শ্রমিক হিসেবে দীর্ঘদিন যাবৎ কাজ করে আসছে মনি শংকর মন্ডল। তার পিতার নাম ননী ভূষণ মন্ডল, মাতার নাম গৌরী রানী মন্ডল। গ্রামের বাড়ী পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি থানার বাঁশতলা গ্রামে।

জানা গেছে,ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে গত ১১ ফেব্রুয়ারী বাদ এশা নিকটস্থ গণি মিয়ার হাট জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি সুলাইমান ঢাকুবীর কাছে গিয়ে অতীত জীবনের কর্মকন্ডের জন্য তওবা করার পর কালিমা পাঠ করে মুসলমান হন। উপস্থিত সকলের পরামর্শে তার নাম রাখা হয় মোঃ আব্দুল্লাহ আরাফাত।

মোঃ আব্দুল্লাহ আরাফাত জানান,কালিমা পড়ে মুসলমান হওয়ার পর আমার কাছে খুব ভাল লাগছে। মুফতি সুলাইমান ঢাকুবী জানান, সে স্বেচ্ছায় মুসলমান হওয়ার জন্য আমার কাছে আসলে আমি তাকে কালিমা পড়াই।


ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্স

ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্সদেশের প্রথম ইসলামী ঘরানার অনলাইন পত্রিকা ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে স্বল্পমেয়াদী সাংবাদিকতা কোর্স।অংশগ্রহণ করতে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে-০১৭১৯৫৬৪৬১৬এছাড়াও সরাসরি আসতে পারেন ইনসাফ কার্যালয়ে।ঠিকানা – ৬০/এ পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০।

Posted by insaf24.com on Monday, October 29, 2018


ঐক্যফ্রন্টকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দিতে সব ব্যবস্থা করেছে ইসি : ড. কামাল
ডিসেম্বর ২৬, ২০১৮
ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন বলেছেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীদের নির্বাচনের মাঠ থেকে বিতাড়নের সব ব্যবস্থা সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন।

আজ বুধবার সন্ধ্যায় ঐক্যফ্রন্টের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ড. কামালের লিখিত বক্তব্য পাঠ করে এ অভিযোগ করেন গণফোরামের কেন্দ্রীয় নেতা জগলুল হায়দার আফ্রিক।

তিনি বলেন, ‘ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে প্রশাসন, আইন-আদালত, পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলাবাহিনী, আওয়ামী লীগ, সর্বোপরি নির্বাচন কমিশন স্বয়ং কাজ করছে। ধারাবাহিকভাবে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় হামলা-মামলা, গ্রেপ্তার ও প্রার্থীদের উপর নৃশংসতা জনমনে আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে।’

আফ্রিক বলেন, ‘নীলনকশার নির্বাচনে ভোট কারচুপির সংবাদ যেন গণমাধ্যমে না আসে, সে জন্য পরিকল্পিতভাবে নানা ধরনের বাধা সৃষ্টি করছে নির্বাচন কমিশন। মোটরসাইকেল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা, একসঙ্গে একাধিক মিডিয়ার সাংবাদিক একই ভোটকক্ষে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে থেকে ভোটকেন্দ্র পর্যবেক্ষণ, সরাসরি সম্প্রচার করা যাবে না-সাংবাদিকরা মোটরসাইকেল ব্যবহার করে সংবাদ সংগ্রহ করতে পারবেন না। নির্বাচন কমিশন এমন নীতিমালা জারির মাধ্যমে মূলত মুক্ত ও স্বাধীন গণমাধ্যমকে গলাটিপে হত্যা করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।’

‘নির্বাচন কমিশনের এসব বাধানিষেধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করছে যে, নির্বাচন কমিশন গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করে ক্ষমতাসীনদের নীলনকশা বাস্তবায়নের অপচেষ্টায় লিপ্ত। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের দিন ইন্টারনেটের গতি কমানোর জন্য ফোর জি টু জি ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ভোট কেন্দ্রে সংঘটিত নানা রকম ঘটনার সংবাদ মিডিয়ায় দ্রুত আসার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে।’

তিনি বলেন, ‘এই অবস্থায় ঐক্যফ্রন্টের ভরসা এ দেশের জনগণ তথা ভোটারগণ। যারা অতীতে কোনোদিন ভুল করেনি, তারা এবারও ভুল করবে না। সব ভয়-শঙ্কাকে জয় করে ঐক্যবদ্ধভাবে ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে এদেশের সংগ্রামী মানুষ আগামী ৩০শে ডিসেম্বর ভোটযুদ্ধে সব আগ্রাসনকে মোকাবিলা করে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য, দেশের মালিকানা জনগণ ফিরে পাওয়ার জন্য এবং আমাদের স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার লক্ষ্যে।’

সংবাদ সম্মেলনে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টু,কার্যকরী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিকল্পধারার মহাসচিব শাহ মো: বাদল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।