এবার ৫ পুলিশের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা, পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার কচুয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক ইলিয়াস মোল্লাসহ ৫ পুলিশের বিরুদ্ধে আদালতে নালিশী মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার মামলা নং শৈলকুপা পিটিশন ০৭/১৮। শৈলকুপার হামদামপুর গ্রামের গোলাম শেখ বাদী হয়ে মঙ্গলবার শৈলকুপার আমলী আদালতের জুডিশিয়ল ম্যাজিষ্ট্রেট কাজী আশরাফুজ্জামানের আদালতে এই মামলা করেন।

মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন, কচুয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই রাকিব, সিপাহী মোঃ রেজানুরসহ ৫ জন এবং হামদামপুর গ্রামের মামুনুর রশিদ। আদালত বাদীর নালিশী পিটিশন আমলে নিয়ে ঝিনাইদহ পিবিআইকে আসামীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য কিনা তা তদন্ত করে ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি মামলার বাদী ও ৬ জন সাক্ষিকে বিশেষ নিরাপত্তা দিতে শৈলকুপা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার তারেক আল্ মেহেদীকে নিদের্শ দিয়েছেন।

ঝিনাইদহ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের নাজির সোহেল রানা মঙ্গলবার বিকালে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। বাদী মোঃ গোলাম শেখ আদালতে অভিযোগ করেন শৈলকুপার ২৩ নং হামদামপুর মৌজার ৯৩ দাগের পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া ১৭ শতক জমির উপর ঘর বেঁধে বসবাস করছেন। গত ৭ ফেব্রয়ারি মামলার ৪ নং আসামী হামদামপুর গ্রামের মোন্তাজ শেখের ছেলে মামুনুর রশিদ পুলিশ নিয়ে আমাকে ভিটে থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা করে। আসামীরা এ সময় বাড়িতে প্রবেশ করে ঘরবাড়ি ভাংচুর করে ঘরের টিন খুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় বাদীর স্ত্রী বাধা প্রদান করলে তাকে কিল ঘুষি মেরে ও পরণের কাপড় টেনে বেআব্রু করে শালিনতাহানী ঘটায়। পরে স্থানীয় জনগরে বাঁধার মুখে ঘরের টিন রেখে যেতে বাধ্য হলেও ১ নং আসামী পরিদর্শক ইলিয়াস মোল্লা এক লাখ টাকা চাঁদ দাবী করেন। চাঁদা না দিলে চাঁদাবাজী, সন্ত্রাসী ও ডাকাতি মমলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকী দেয়। গত ১০ ফেব্রয়ারি আসামীগন আবারো চাঁদার টাকার জন্য হুমকী দিয়ে যায় বলে নালিশী অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে শৈলকুপা থানার ওসি আলমগীর হোসেন জানান, আমি কিছুদিন বাইরে ছিলাম। সোমবার থানায় এসেছি। বিষয়টি সাংবাদিকদের মুখেই প্রথম শুনলাম। তিনি আরো বলেন, আমি বাইরে থাকার সময় এ ঘটনা ঘটেছে। তবে এ সম্পর্কে আদালতের কোন আদেশ আমার জানা নেই।